মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৪

ওয়াশ রুম পার্ট ১

“আচ্ছা তোমাদেড় বাসায় ওয়াশ ড়ুম টা কোথায়??”

< “আমাদেরে বাসায় কোন ওয়াশ রুম নাই”


“হোয়াট!!! তোমাদেড় বাসায় ওয়াশ ড়ুম নেই!! হাউ কুড দিস পসিবল। তাহলে এখানে থাকো কিভাবে??”

< “মোর জ্বালা, থাকি কিভাবে মানে। বেড রুমে থাকি। মাইনষে কি ওয়াশ রুমে থাকে নাকি”

“আই’মিন বলতে চাচ্ছি তাহলে তোমড়া ওয়াশ ড়ুমের কাজ কড়ো কোথায়”

< “ও আইচ্ছা, মানে ওয়াশ করি কোথায়?? বেসিনে। ছোট্ট একটা মুরগীর খোপের মত ফ্লাট, এইটার ভিত্রে আবার একটা বেসিনের জন্য কি আলাদা রুম বানানো যায় নাকি। ওই যে ডাইনিং এর পাশেই বেসিন। যাও ওইখানে মুখ হাত কি ওয়াশ করবা করে আসো”

“নো নো তুমি বুঝো নি। আমি বলতে চাচ্ছি তোমড়া শাওয়াড় এন্ড আদার্স পার্সনাল ওয়ার্ক ইউ নো হোয়াট আই মিন, কোথায় কড়ো”

< “ও ঐটা তো ওয়াশ রুমে না, সাস্থ্যসম্মত পায়খানায় করি। ঐযে আমার রুম থেকে নাক বরাবর সিদা যাইয়া বামে হালকা সিস্টেম খাইয়া ডাইনে একটা পল্টি লইবা, সাস্থ্যসম্মত পায়খানা পাইয়া যাবা”

“ইয়াক। কি ল্যাঙ্গুয়েজ এটা”

< “কি দিন আইলো, ল্যাদা কালে গেরামের যেই মাইয়া মীনা কার্টুন দেইখা নিজের বাপের কান পচায়া ফালাইতো পায়খানা বানায় দিতে, অখন ঢাকা শহরে আইয়া হেইডা হইয়া গেলো ‘ওয়াশ রুম’!!

“উফ জাস্ট সেডাপ। আই নো বাট টাইম এখন চেঞ্জ। সেকাল আড় একাল এক না ”

“তুই ওয়াশ রুমের ভিত্রে যাইয়া সেকালে যেমনে পার্ফরমেন্স দিতি এখনো হেমনেই দিবি, তাইলে আর সেকাল একালের ছূতা দিয়া পায়খানারে ওয়াশ রুম কস ক্যারে??”


হেহ আইছে, দুই দিনের বৈরাগী, পনিররে কয় চিজ 

সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৪

রিকন্ডিশনের দামে ব্রান্ড নিউ চাইবেন, এ কিরাম বিচার?

আল্লাহয় দিলে ফ্রেন্ড সার্কেলে আপু সমাজ আর ভাইয়া সমাজের লাভ মেরিজ/ভাইজ্ঞা মেরিজ পার্টির ৯৯% এরই বিয়া শাদী কমপ্লিট (অনেকে আবার ডিভর্স হইয়া সেকেন্ড মেরিজো কইরা ফালাইছে!!)।
শুধু ভাইয়া সমাজের “নিজের পায়ে দাঁড়াইয়া” ওরফে গাড়ি/ব্যাংক ব্যালেন্স কইরা সুপাত্র হইয়া এরেঞ্জ মেরিজ পার্টির বিয়া করা বাকি।
.
তো যাই হোক, তাদের সাংসারিক এক্সপেরিয়ান্স শেয়ার থেকে যা বুঝলাম বাসর রাইতে কমার্স বা আর্টস এমন কি ইঞ্জিনিয়ারিং পইড়াও যেই ছ্যামড়া ‘গাইনি ডাক্তারের’ রোল প্লে করতে যায় ১০০% সিউর থাকেন সংসার টিকুক না টিকুক ওর সংসারে শান্তি জিন্দেগীতেও থাকেনা।
ইউ নো হোয়াই? বিকজ তার মধ্যে কোন বিশ্বাস নাই। শুধু বউ এর উপরে যে নাই তা না, আসলে সে নিজেও কোনকালে বিশ্বাসযোগ্য ছিলো না।
.
আরো একটু ক্লিয়ার করে বলি।
কমবেশি সবাই কুরআনে (সূরা আন-নূর:২৩-২৬ নং আয়াতটা জানে “দুশ্চরিত্রা নারীগণ দুশ্চরিত্র পুরুষদের জন্যে এবং দুশ্চরিত্র পুরুষগণ দুশ্চরিত্রা নারীদের জন্যে।সচ্চরিত্রা নারীগণ সসচ্চরিত্র পুরুষদের জন্য এবং সচ্চরিত্র পুরুষগণ সচ্চরিত্রা নারীদের জন্যে।”
আল্লাহ বা তার আয়াতকে তো অবিশ্বাস করার উপায় নাই। সুতারাং ঝামেলা যা তা হচ্ছে মাইনষের মধ্যে।
.
শয়তানের কুরকুরানিতে যৌবনে সবারই কুতকুত খেলতে মনে চায়!!
এখন যে জিন্দেগীতে নারী শরীর টাচ করে নাই, সে যতই গুগল এর আর্টিকেল পড়ুক প্রথম দিনেই ‘গাইনি ডাক্তার’ হওয়া তার পক্ষে সম্ভব না (সাতার কেমনে কাটে আপনি বই পড়ে শিখতে পারেন, ফার্স্ট টাইম পানিতে নামায়া দিলে তখন দেখবেন বই এর থিউরী আউলাইয়া ফালাইছেন :P)
.
আর তার গাইনী ডাক্তার হওয়ার দরকারো নাই, কারন সে উপরয়ালার ভয়েই কুতকুত খেলে নাই(তারে তো কেউ বাইন্দা রাখে নাই, চাইলেই পারতো)। সূরা আন-নূর এর ঐ আয়াতের উপর বিশ্বাস আছে বলেই তার কিছু চেক করারো দরকার নাই।
.
অনেকের মতে ‘আমি প্লে বয় না হইলেই যে আমার ভাগ্যে প্লেগার্ল পড়বে না তার গ্যারেন্টি কি’.. এডিই আবার বিয়ার টাইমে এভার সিঙ্গেল টোগায়!! মিডিয়ার মেয়ে ভালো না, হোস্টেলের মেয়ে ভালো না বইলা রুচি দেখায়!!
অবশ্য এটা ছেলে নিয়ে বলা, মেয়েদের ক্ষেত্রেও সেইম। আমার এক ফ্রেন্ড আছে এই নিয়া ১৪ ছেলের সাথে ফিজিক্যাল রিলেশন ঘটাইছে  তাও এটা এক বছর আগের হিসাব, এখনেরটা জানি না 
ও আমারে প্রায় সময় কইতো “এতো ভদ্র থাইকা লাভ নাই, যাইয়া দেখ আমারটাও কারো না কারো সাথে ঠিকি কিছু না কিছু করতাছে!”
.
তো যাদের এমন বিশ্বাস নাই, সেলফ কন্ট্রলের বাইরে গেছিলোগা তার মাথায়ো টাইম মত ঐ আয়াতটা বাড়ি দিতে থাকে!!
নিজে কি কি কইরা আসছে তা তো জানেই, তাই নিজেকে দিয়াই অন্যকে জাজমেন্ট শুরু করে যার শুরুটা ওই বাসর রাইতে “গাইনি ডাক্তারী” দিয়া.... এর পরে পরে “কে ফোন করছে”/ “ক্যান ফোন করছে”/ “ফেসবুক পাসোয়ার্ড দেও”/ “কই গেছিলা” / “কলেজের রিইউনিওনে হাইসা হাইসা কথা বলা ঐ ছেলেটার সাথে কি সম্পর্ক!!” ব্লা ব্লা যার আপর নাম অবিশ্বাস বা সন্দেহ।
.
আর এই জিনিস যেখানে আছে সেইখানে একচুয়েলি কোন প্রকার ‘সুপার গ্লু’ টাইপ রিলেশন থাকে না। যেটা থাকে সেটা কোন মতে ‘ছ্যাপ দিয়া জোড়া লাইগান্না’ রিলেশন। যে কোন সময়ই ছুইট্টা যাইতে পারে টাইপ।
.
অন্যরে অবিশ্বাস করার চেয়ে নিজেরে বিশ্বাসযোগ্য রাখার চেষ্টা করেন আশে পাশের সব ঠিক রাখার দায়িত্ব উপরয়ালার। ওইটা নিয়া আপনার চিন্তা করতে হবে না।
.
আর ইমশনে পইড়া হোক বা যে কোন ভাবেই হোক, ভূল মানুষ করতেই পারে। এই কারনে আমরা মানুষ। তো নিজের টা যে ভূল ছিলো এটা বুঝতে পারলে অন্যের ভূলটাও তো কন্সিডার করা উচিৎ..
রিকন্ডিশনের দামে ব্রান্ড নিউ চাইবেন, এ কিরাম বিচার??
.
(রুবেল হ্যাপি প্রজাতির ইগোতে বাড়ি খাইলে আমি দায়ী না  )

বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৪

বাঙ্গালীর ওভার এক্টিং

ওভারএক্টিং, ওভারস্মার্ট থেকে শুরু করে “ওভার” কোন কিছুই ভালো না হোক সেটা রান্নার মসলা বা গালের মেকাপ বা দেশপ্রেম বা bf-gf এর ‘ফ্রাইড চিকেন প্রেম’। কিন্তু আমগো দেশে ক্যান জানি এইডা অতি বেশি।
.
বাহিরের দেশের মাইনষে DSLR কিনে ভালো রেজুলেশনের ছবি তোলার জন্য আর আমগো দেশে কিনে আপুগ্রাফী কইরা “ফটোগ্রাফার” হওয়ার জন্য। ফলাফল DSLR থাকাটাও এখন পচানি খাওয়ার বস্তু হইয়া গেছে।
.
সেলফি সারা বিশ্বে প্রচলিত। আমগো দেশে এইডার ট্রেন্ড আইলো মাত্র অল্প কয়দিন আর এখুনি এইডা বিরক্তির কারন বানায়া ফেলছে।
.
হিজাব ধর্মীয় রীতি অনুয়াযী মেয়েদের পর্দার একটা অংশ আর আমগো দেশে এইডা এখন ফ্যাশন!! যেই জায়গা ভালোভাবে ঢাকা দরকার তা উল্টা আরো টাইটফিট কইরা পিন্দা যেইডা তুলনা মূলক কম ঢাকলেও চলে ঐডা পারলে তিন চাইর পরতে ঢাইক্কা টাইটেল লাগায় “স্মার্ট পর্দানশীল”  !!!
.
ব্রাজিল আর্জেন্টিনায় কেউ হারলে বিপক্ষ দলের সাপর্টার তারে পচাইতেই পারে কিন্তু নেইমার প্রায় জীবন মরন টানা টানি অবস্থায় পড়া পর বিপরীত পক্ষ থেকে সমবেদনা তো দূরের কথা উল্টা উল্লাস না করলে “ডাই হার্ট আর্জেন্টিনার সাপর্টার” প্রুভ করা যাবে না!!
.
হারাদিন ইংলিশ স্পেনিশ আর ফ্রেঞ্চের ফুল নাঙ্গা মুভি দেখলে সেইডা হয় ‘শিল্প’ আর পাশের দেশ ইন্ডিয়ার কোন মৌলিক ছবিতে কারিনার কোমড় দেখা গেলে হইয়া যায় ‘অপসংস্কৃতি’ আর এইড নিয়া কিছু কইলে হয় “ইন্ডিয়ার দালাল”!!!
.
যাই হোক কথা ঐটা না। কথা হইলো “ওভার” বা বেশি বেশি ব্যাপারটা আমগো একটু বেশিই হইয়া যাইতাছে।
প্রডাক্ট ভালো হবার কারনে বানিজ্য মেলায় ভিড় থাকে সবচেয়ে বেশি পাকিস্তানী স্টলে কিন্তু পাকিস্তানে ১৩২ জন শিশু খুন হবার পরে “এক্কারে ঠিক হইছে” বইলা স্টাটাস না দিলে “স্বদেশপ্রেম” দেখানো হয় না, হইয়া যায় “রাজাকার”!! এইডা কি একটু বেশি বেশি হইয়া গেলো না???
.
পাকিস্তান আমাদের চির শত্রু, ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের হিসাব শুধু “সরি” বইলা মিটান যায় না জানি তাই বলে পাকিস্তানে একসাথে ১৩২ জন শিশুকে গুলি করে খুন করা হলে সেটা নিয়া “ইনালিল্লাহ” না বলে “আলহামদুলিল্লাহ” বলতে পারছি না বলে আমিও ‘সরি’ বিকজ আমার স্বদেশপ্রেম থাকলেও “ওভার স্বদেশপ্রেম” নাই যা আমারে প্রেমের জ্বালায় পুরাই হিতাহীত জ্ঞানশূন্য বানায়া দিয়া জোর কইরা খারাপেরে ভালো আর ভালোরে খারাপ বুঝাবে।
.
পাগলা কুত্তায় কামড়াইতে আইলে তারে পিটায়া বেড়ি বাইন্ধা পশু ডাক্তার থেকে উপযুক্ত চিকিৎসা দিয়া লাইনে আনতে হয়। কিন্তু মানুষো যদি কুত্তার কামড়ের বিপরীতে তার এলাজ না কইরা উল্টা কুত্তারে কামড়ায় তাইলে আর পার্থক্য রইলো কি!!??
.
শত্রু আর্থিক ক্ষতিতে পড়লে বা সে কারো কাছে অপমানিত হইলে মজাই লাগবে এইটাই স্বাভাবিক কিন্তু তাই বলে ‘শত্রুর’ নিষ্পাপ ১৩২ শিশু বিনা অপরাধে খুন হবে আর তাতে যদি আপনার মজা লাগে তাইলে বুঝবেন আপনারেও পাগলা কুত্তার মত পিটায়া বেড়ি বাইন্ধা ডাক্তার থেকে উপযুক্ত চিকিৎসা দিয়া লাইনে আনতে হবে। 
.
কারন মানসিক বিকারগ্রস্থ প্রানী শত্রু মিত্র সবার জন্যই ক্ষতিকর।

মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৪

বন্ধ দিবস বিকামস ভ্যালেন্টাইন্স ড্য

একটা পুরান গল্প বলি। এক ছেলে জানেই শুধু কুমিরের রচনা। তো তাকে গরুর রচনা বলতে বলা হইলো। তার উত্তর “গরু গৃহপালিত প্রানী। গরু ঘাস খায়, ঘাস খাইতে খাইতে নদীর ধারে যায়। নদীতে কুমির আছে। কুমিরের দুইটি চোখ, চারটি পা একটি লেজ আছে এবং লেজ দেখতে কাটা কাটা কাটা”
.
এবার তাকে ট্রাফিক জ্যাম নিয়ে রচনা বলতে বলা হলো। তার উত্তর, “ট্রাফিক জ্যাম নগর জীবনের মহা সমস্যা। এই সমস্যা থেকে কিছু দিনের জন্য রেহাই পেতে মানুষ পাহাড় সাগরের কাছা কাছি ঘুরতে যায়। সাগরে কুমির আছে। কুমিরের দুইটি চোখ, চারটি পা ও একটি লেজ আছে এবং লেজ দেখতে কাটা কাটা কাটা!!!”
.
মানে তারে যাই জিগান সে ঘুইরা ফিরা সেইটা কুমিরের বর্ননায় নিয়ে আসবে।
আমরা বাঙ্গালীরাও এর চেয়ে কোন অংশে কম না। বাহিরের দুনিয়ায় আমার দাদার জন্মের আগের থেকে ভ্যালেন্টাইন্স ডে চালু আছে কিন্তু আমগো দেশে ১৫ বছর আগেও ভ্যালেন্টাইন্স ডে কি জিনিস অনেকেই জানতো না। 
.
আর এখন?? ঘরে বইসা ক্যালেন্ডার দেইখা ১৬ ডিসেম্বর, ২৬শে মার্চ, ২১শে ফেব্রুয়ারী, ঈদের দিন, দূর্গা পূজা, ক্রিসমাস, ঈদে মিলাদুন্ননবী, পহেলা বৈশাখ এইসব আলাদা করা যায়। কিন্তু রাস্তায় বাহির হইলে এইদেশে প্রতি বন্ধের দিবসই ভ্যালেন্টাইস ডে মনে হবে!!! হোক সেটা শোক দিবস বা বিজয় দিবস বা ধর্মীয় কোন দিবস, বন্ধ পাইলেই হইলো  

বিজয় দিবসের গান

মাই নেম ইজ শীলা, শীলা কি জাওয়ানী আম সো সেক্সি ফর ইউ............ আমরা কজওওওওন নবীন মাঝিইইইইইইই হাল ধরেছি, শক্ত হাতে রেয়ে....সাইলারো সাইলারে কে বোলা ফির বোলরে.... রক্ত দিয়েএএএএএ নাম লিখেছি...... পিঙ্ক লিপস পিঙ্ক লিপস পিঙ্ক লিপস পাল পাল তুজকো কারতে মিস...... আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোককে হত্যা করা হয় তাহলে মনে রাখবা....ম্যা কারু তো ছালা ক্যারেক্টার ঢিলা হ্যা...... প্রত্যেক ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোল, তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে............উচিয়ালি হিল পেহ্যান কার ড্যান্স বাসান্তি......
.
.
উই আর স্বাধীন দেশের স্বাধীন মানুষ!!! বিজয় দিবসের আগের রাইতে এলাকায় গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান হইলে ডিজে ছাড়াই এমন রিমিক্স গান তো শুনার লাগবেই 

শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৪

কে বেশি সুখি?

ডাক্তার ফ্রেন্ডঃ “আত্মহত্যা করা ঐ ছেলেটাকে যদি দেখাতে পারতাম আজ , ডাক্তার হয়ে যাবার পরেও ডিপ্রেশন এর লেভেল কতরকম আর কি কি হতে পারে!”

ইঞ্জিনিয়ার ফ্রেন্ডঃ “রইদ বৃষ্টি ধুলা বালি মাথায় নিয়া কাজ করার পরেও মাইনষের গাইল খাওনের লাইজ্ঞা নি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছিলাম”

ডিফেন্স ফ্রেন্ডঃ “এতো ডিসিপ্লিন লাইফ আর ভাল্লগে না > ”
ব্যাংকার/মাল্টিন্যাশনালের ফ্রেন্ডঃ “টার্গেট প্রেসার টার্গেট প্রেসার টার্গেট প্রেসার টার্গেট প্রেসার টার্গেট প্রেসার টার্গেট....... বাআআআআআআআআআআল্লল্লল্লল”

কলেজ ভার্সিটির লেকচারার ফ্রেন্ডঃ “পোলাপাইনের জ্বালায় আর পৃথিবীতে বাইচ্চা থাকবার মন চায় না  ”

গার্মেন্টস সেক্টরে জব করা ফ্রেন্ডঃ “পৃথিবীতে রাইত-দিন-হলিডে বইলা আলাদা কিছু নাই, সব হ্যালুসিনেশন। শুক্রুবার, স্টিল ইন অফিস এট 2am  ”



বুঝতাছিনা, উপরের লোভনীয় সেক্টরের সাকসেসফুল ব্যাক্তিবর্গগুলানেরে সুখী কমু, না মিডেলক্লাস ফ্যামেলির যেই পোলা কাম কাজ বাদ দিয়া এই শীতকালে দিনের ১টা পর্যন্ত কম্বলমুড়ি দিয়া নিশ্চিন্তে ঘুমাইয়া উইঠা কোন ঝাড়ি খাওয়া ছাড়াই দেড়টার মধ্যে ফেসবুক নামক নেশা নিয়া বসতে পারে তারে বেশি সুখী কমু!!! ?

মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৪

খালি কলসি বাজে বেশি

একটা জিনিস খেয়াল করে দেখলাম। বাপের গলায় পাড়া দিয়া কোনমতে নিজের গলায় একখান রকেট লাঞ্চার থুক্কু DSLR ঝুলাইতে পাইরা প্রফাইলে প্রফেশনে “ফটোগ্রাফার” কওয়া পোলাপাইনের পোস্ট করা ছবির ক্যাপশনে লেখা থাকে, “অল রাইট রিজার্ভ বাই উনি”
মনেহয় যেন উনার এই ‘সাবজেক্ট ছাড়া পিছে সব ব্লার’/‘হুদ্দাই সাদাকালো ছবি’/‘ঘাম ঝড়ানো বুইড়া মেহেনতি মাইনষের ছবি’/‘কারেন্টের তারে বইসা থাকা চিল কাউয়ার ছবি’ নেওয়ার জন্য মাইনষে হাআআআ কইরা বইয়া রইছে কবে উনি কপিরাইট একটু শিথিল করবেন আর অমনি ছবিটা নিজের ওয়ালে দিবার পারুম 
.
অন্যদিকে আসলেই যেগুলা সেই লেভেলের ফটোগ্রাফার যাগো ছবি দেখলে দেখতেই থাকি (মাই ফেভারিট অভিজিত) তাগো ফটোতে দেখলাম না কোন রাইট রুইট রিজার্ভ করা আছে 
.
.
হাদে কি কয় খালি কলসি বাজে বেশি