সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৪

সাকসেসফুল পার্সন

যা বুঝলাম মানুষ দুই রকম। কর্পোরেট পিপল আর সো কল্ড "গাঁইয়া খেইত্তা সরল সোজা" পিপল। 
.
কর্পোরেট মন মানুষিকতার মাইনষের সাথে মিশলে নিজেকে স্মার্ট মনেহবে, এম্বিশাস লাগবে, স্টাটাস আপগ্রেড করার ইচ্ছা জাগবে, লাইফে সাকসেস ফুল হবার একটা প্ল্যান তৈরী হবে........ এইসব চিন্তায় ঘুম হারাম করে প্রতিদিন কিভাবে কাকে পিছে ফেলে নিজে আগানো যায় সেই রেসে সামিল হতে হবে, রেস শেষে সাকসেস ধরা দিবে, সো কল্ড "সুখী মানুষ"'/ "সাকসেসফুল ম্যান" মনেহবে ................. এন্ড ইন্ড অফ দ্যা ডে সাকসেসফুল হয়েও "কি জানি করি নাই", "কি জানি বাকি আছে", "আরো কি জানি করতে হবে" এইসব আফসোস থেকেই যাবে।
.
অন্যদিকে ঢাকা শহরে নয়া আসা "গাঁইয়া খেইত্তা সরল সোজা" আমজনতার সাথে মিশলে এগুলা কিছুই করতে মানে চাবে না, এতো উপরে উঠার চিন্তা মাথায় আসবে না, এতো হাই স্টাটাস ম্যান্টেইন করে চলার প্রয়োজনীয়তা অনুভব হবে না, আপাত দৃস্টিতে দেখা বিএমডাব্লুতে চড়া "সাকসেকফুল" পার্সন হয়তো হতে ইচ্ছা করবে না........................... বাট ইন্ড অফ দ্যা ডে কোন প্রকার আফসোস ছাড়া যা আছে তাতেই আলহামদুলিল্লা বইলা প্রশান্তির ঘুম দেয়া যাবে।
এইটা কোন উপর দিয়া দেখানো সো কল্ড "সুখী মানুষ" না এইটা আসলেই রিয়েল সুখী মানুষ। এইটাই লাইফের রিয়েল সাকসেস। ( এটা অনলি মাই অপিনিয়ন। মার্সিডিজ বিএমডাব্লু থাইকাও যদি না পাওয়ার হা হুতাশ থাইক্কাই যায় তাইলে ঐডারে আবার ক্যামনে সাকসেসফুল পার্সন কয়!!??)
.
.
(NOTE: প্রত্যেকের আলাদা পার্সনাল অপিনিয়ন থাকতেই পারে। এইটা আমার জীবন থেকে নেয়া অভিজ্ঞতা বলতে পারেন। আমার দুই প্রজাতির মানুষের সাথেই মিশার এক্সপেরিয়ান্স আছে। "কর্পোরেট" চিন্তা ভাবনা পাবলিকের সাথে যেদিন কথা কই হেই দিন ঘুম হারাম হইয়া যায় ফিউচারের চিন্তায়, মনেহয় কত্ত পিছায়া আছি, জীবনে কিছুই করলাম না।

আর ফুটপাতের হকার বা কোন দারয়ানের সাথে যেই গপ্প দেই হেইদিন রাতে আত্মতৃপ্তির সহিত ভালো ঘুম আসে। মনেহয় আলহামদুলিল্লাহ আল্লায় দিলে যা আছে তা প্রয়োজনের চেয়েও বহুত  )

শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৪

সুন্দর শ্যমলাও হয়, সুন্দর কালাও হয় তবে অন্যের বেলায়

এক আপার সাথে চ্যাট করছিলাম। উনি মাশাল্লাহ দিলে সেই লেভেলের সুন্দ্রী। হাই লেভেল ফর্সা। অতি ফর্সায় মাঝে মাঝে লালও হইয়া যায়। যাইহোক তার সাথে চ্যাটের কিছু অংশ,
.
সুন্দ্রীঃ “ছোট কালে একবার মামা'র এক বন্ধু আসছে ! সে আমাকে কোলে নিবে, কিন্তু আমি যাবো না। সব্বার সামনে আমি বলসি, তুমি কালো, আমি তোমার কোলে যাবো না”
.
আমিঃ “আইচ্ছা, হাছা কইরা কও তো, সুন্দর মানে কি শুধুই ফর্সা??? কালাডিও কি সুন্দর হয়?”
.
সুন্দ্রীঃ“ডিপেন্ড করে। তবে আমার কাছে শ্যামলা ভালো লাগে”
.
আমিঃ “তাই?? আইচ্ছা তাইলে দেখো তো এইটারে কেমন লাগে?”
(আপামনির প্রো পিকের একটা ছবি এডিট করে ডিপ শ্যমলা করে দিছি। নিগ্রুগো মত কালাও না আবার লাইট শ্যামলাও না)
.
সুন্দ্রীঃ “মাম্মিইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইই........... সুসান, নিজেরে ভালা লাগে কই নাই তো  ”
.
.
.
আসলে এইডাই নিয়ম। সুন্দর মানে শুধুই ফর্সা না। সুন্দর শ্যমলাও হয়, সুন্দর কালাও হয়.................................. তবে নিজের বেলায় না, অন্যের বেলায় 

বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৪

লাইফ রেস

এক শিক্ষক ক্লাসে সবাইকে দাড় করিয়ে জিজ্ঞাস করছেন, বড় হয়ে তুমি কী হতে চাও?
কেউ বলে ডাক্তার, কেউ ইঞ্জিনিয়ার, কেউ উকিল, কেউ বা অন্যকিছু। তো একেএকে এলো লেননের পালা।
লেনন দাড়িয়ে বললেন, “I want to be happy”
শিক্ষক মুচকী হাসি দিয়ে বললেন, “You didn’t understand my question”
লেনন উত্তরে বলেছিলেন, “then, I have to say, you don’t understand life”
.
আমার আব্বু আম্মু আমাকে রোল মডেল দেখাতেন সবসময়। অমুক ভাইয়ের মত হবে, তমুক ভাই এই করেছে, সেই করেছে। তোমাকেও তার মত হতে হবে। ব্লাহ ব্লাহ ব্লাহ...
তো, বাবা মায়ের সাথে তর্ক করি নি। কিন্তু নিজে নিজে ঠিকই একটা জগত নিজের মাঝে বানিয়ে নিয়েছিলাম। সেই জগতের কিছু নিয়ম ছিলো।
যেমন আমার জগতে বিস্কুট দৌড় টাইপের প্রতিযোগিতা চলবে না। অর্থাৎ কারো সাথে পাল্লা আমি দিবো না। আমার নিজেস্ব কিছু চাহিদা থাকবে। সেই চাহিদা মেটাতে আমাকে কিছু একটা জীবনে করতে হবে। ব্যস, এই টুকুই।

আমি জীবনে যা করবো, সব আমার জন্য। কারো কাছে সম্মান পাবো বলে, বা কাউকে বিট দিতে হবে, এইসব ধান্দাবাজি অন্তত আমি করবো না। এতো প্যাচের মধ্যে যাবো না। সব মিলিয়ে টেনশন ফ্রি লাইফ লিড করা, ছোট্ট লাইফটাতে ট্রুলি হ্যাপি থাকাটাই মূল টার্গেট।
.
চারদিকে শুধু race লেগে আছে। কে কার আগে যাবে। কত আগে যাবে। student life থেকেই এই রেস দেখছি। প্রতিনিয়তই রেস চেঞ্জ হচ্ছে। যাদের আগে ক্লাসের ফার্স্ট বেঞ্চে দেখতাম তাদের অনেকেই এখন রাস্তায় কোনায় পড়ে হিরোয়িন খায় আবার লাস্ট বেঞ্চের অনেকে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার এক্সিকিউটভ।

অনার্স শেষে যাদের দেখলাম ধুমধাম জব পেয়ে আলগা ভাব নিতে এখন দেখি তাদের অনেকেই ভাতে মরে, আবার সে সময় যারা বেকার ছিলো তারা এখন মাল্টিন্যাশনালের সিনিয়ার পজিশনে জব করছে!!
স্কুল কলেজে ড্রপ আউট ফ্রেন্ডদের অনেকেই ব্যাবসা করে মাসে এখন লাখ টাকা কামায় আবার BBA MBA করেও অনেকে তৃতীয় শ্রেনীর জব টোগায়।
.
একটার পর একটা রেস লেগেই আছে। কেউ রেসে প্রথমে থেকেও নিজের পজিশন আরো আগাতে চায় আর পিছনের গুলা সামনের জনকে পিছে ফেলতে চায়।
লাভটা কিরে ভাই এতো দৌড়াদৌড়ি করে?? বাঁচবা আর কত দিন?? জীবন একটাই।
মাথা সোজা রেখে ঘোড়ার মত দৌড়ানোর দরকার নেই। আরামছে জগিং করতে থাকো। আসেপাশে তাকিয়ে দুনিয়াটাকে উপভোগ করো। পাশে ফুলের বাগান দেখলে একটু বসে বিশ্রাম নাও।

রেসের ঘোড়ার মত ছুটলে আশেপাশের কিছুই দেখবে না। বুড়ো কালে তখন নিজের বাগানের মালির দিকে তাকিয়েও মনে হবে, আমার চাইতে এর জীবন অনেক সুখের।
এতো কিছু করলাম, তবু যেনো মনে হয় কিছুই করি নি।
.
Just enjoy your life. Be happy…. কারো কথায় কান দিও না। জীবনের সেশনে সেশনে জট থাকবে। তুমি ঘোড়া নও। তুমি মানুষ।
ঘোড়া রেসে দৌড়াচ্ছে, তাঁকে দৌড়াতে দাও।
.
.
(আবার কেউ কইয়েন না আমার কাছে আঙ্গুর ফল টক, আমি এমনই। শোভন ভাইয়ের অনেক আগের এই লেখাটা আমার সাথে পুরাপুরি যায় তাই কপি করে রেখে দিছিলাম, মাঝখান দিয়ে নিজের মত করে একটু এডিট+কিছু এড করে আজকে পোস্ট দিলাম)

মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৪

এইডার নামই বাংলাদেশ

মসজিদের যোহরের নামাজ শেষে একসাথে অনেক মুসল্লি বের হচ্ছেন। মহল্লার রাস্তা দিয়ে সবাই হেটে হেটে যে যার বাসার দিকে যাচ্ছেন। আগে মসজিদ থেকে বের হওয়া দুই চাচা এসে রাস্তার এক ইলেক্ট্রিক খাম্বার সামনে দাড়ালেন। তাকিয়ে তাকিয়ে কি জানি গভীর মনযোগ দিয়ে দেখছেন। পিছন থেকে আরো এক জন এসে ঐ খাম্বার দিকে তাকিয়ে তিনিও দেখা শুরু করলেন। এভাবে ৩-৪-৫ করে অনেক মানুষ জমে গেলো খাম্বার একটা নির্দিষ্ট পয়েন্টের দিকে মনযোগ দিয়ে দেখার জন্য।
.
.
পিছনের এক দর্শনার্থীকে “ভাই এইখানে কি হইছে??”
< “জানি না ভাই, আমিও জানতে চেষ্টা করছি কি হইছে”
.
মাঝের এক দর্শনার্থীকে “ভাই এইখানে কি হইছে??”
< “ঠিক বুঝতে পারতেছি না তাই দেখতেছি কি হইছে”
.
এইবার প্রথমে দাঁড়ানো দুই চাচার মাঝে এক চাচা কে “চাচা কি দেখছেন??”
চাচা মুখ ঘুরায়া এতো মানুষ দেইক্ষা নিজেও তব্দা!! “আমি তো বাবা খাম্বায় ঝুলানো ঐ টুলেট টা দেখছি। বাসা ভাড়া নিবো কিন্তু মোবাইল নম্বরটার একটা ডিজিট বুঝা যাচ্ছে না তাই ভালো ভাবে বুঝার চেষ্টা করছি। কিন্তু এখানে এতো মানুষ ক্যান। কি হইছে এখনে??”
.
.
এইডার নামই বাংলাদেশ। অতিরিক্ত মানুষ হইলে যা হয়। কাম কাজ নাই খালি আকাইম্মা কামের দোকানদারী 

রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৪

কুত্তার পেডে ঘি হজম হয় না

আমার নাম সুসান কিন্তু ল্যাদা কাল থেকেই অতি খাতিররা মানুষজন সুসান নামে আমারে কমই ডাকছে। অপরিচিত হইলে বা হায় হ্যালো সম্পর্কের হইলে ঐসব সব মাইনষে আমারে সুসান ডাকে।

আর বাকিরা সুসাইন্নাআআআআআ(কমন ডাক), বলদা(বাপে ডাকে), হারামী(ফ্রেন্ডগো কমন ডাক), কুত্তা (বেশির ভাগ মাইয়া ফ্রেন্ডডি ডাকে), ফয়িন্নি(বড়লোক ফ্রেন্ডডি ডাকে), ধামড়া, বেক্কল (আমার ‘বুদ্ধিমত্তার কারিশমা’ দেখে ডাকে  ) চাচা(এক ফ্রেন্ডের আম্মায় এমনে ডাকে), হাগলাইয়া (যার বাংলা ডাবিং দাঁড়ায় পাগল, সাধারনত আমার খালারা ডাকে), জামাই [মামী (রাদোয়ার আম্মা) ডাকে  ] , চোরাইয়া (আমার আম্মায় ডাকে, কিন্তু কি চুরি করছি এইডা এখনো জানলাম না  )..
.
তো আমিও এইসব ডাক শুনে শুনে অভ্যস্ত। এদের মধ্যে কেউ যদি আমারে শুদ্ধ ভাবে “সুসান” নামে ডাকে (আবার আম্মায় যদি কখনো তুই থেকে “তুমি” করে বলা শুরু করে) এর মানে আমার কপালে শনি আছে টাইপ সিরিয়াস কিছু একটা ঘটছে!! ক্লোজ মাইনষের কাছ থেকে সুসান ডাক শুনার সাথে সাথে আমার হাত পাও ঠান্ডা হইয়া যায়, হার্ট বিটও বাইড়া যায়।
.
কয়দিন আগে একটা ব্লাড প্রেসার মেশিন কিনছিলাম। নয়া নয়া কিছু কিনলে যা হয়। ঘুম থেকে উঠলে একবার, ঘুমাইতে গেলে একবার, খাওয়ার আগে একবার খাওয়ার পরে একবার, বাথরুমে যাওয়ার আগে একবার বাথরুম থেকে আইসা একবার এমনে সারা দিনে কয়েকবার প্রেসার মাপি। আমার এভারেজ ৭৫-১১৫ থাকে। তো একদিন চ্যাটে বইসা প্রেসার মাপলাম ৭০-১১১।
.
এক ফ্রেন্ডে নক দিলো “সুসান”... কইলজায় কামড় দিয়া উঠছে!! আমারে এতো ভদ্র ভাবে সুসান কয় ক্যা!! মেশিন টেবিলেই ছিলো। রিপ্লাই দেওয়ার আগে আবার মাপলাম। এক লাফে ৮৭-১২৭!!! বাট তখন সে আমারে কোন সিরিয়াস কিছুর জন্য নক করে নাই  অন্য একদিন ১৫০+ উঠছিলো!!!.
.
.
যা বুঝলাম কুত্তার পেডে ঘি হজম হয় না। সুসাইন্নাআআআআআ, বলদা, হারামী, কুত্তা, ফয়িন্নি, বেক্কল, চাচা, হাগলাইয়া, চোরাইয়া এডিই আমার জন্য ভালো। এতো ভদ্র সম্বধন লাগতো না। হুদ্দাই পরে অকালে স্টোক কইরা মরুম 

রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৪

হ্যাপি বার্থডে থুক্কু হ্যাপি গরু ছাগল ডে

একটা ছবিতে যেই প্রানী কে দেখা যায় ফেসবুক তার ফেসে একটা বক্স শো করে এবং ঐ ব্যাক্তি বা প্রানীকে(মানুষো একটা প্রাণী) ট্যাগ করতে বলে। এতে যে কেউ ছবিটা দেখলে ঐ প্রানীর মুখে কার্সর রাখলেই তার নাম ভেসে উঠে। এতে অন্যরা তার নাম জানতে পারে বা তার আইডিতে গিয়ে তাকে আরো ভালো ভাবে চিনতে পারে।
.
ল্যাদা কাল থেকেই অনেকেই কয় আমার মাথার মগজ নাকি ছাগলের মত কাজ করে!! আইচ্ছা ছাগলের মাথায় আসলেই কোন কাজের কাজ জেনারেট হয়  ?? তাইলে ছাগলের মত “কাজ করে” হয় কিভাবে?? হবে কাজই করে না।
আবার জাতির অনেকেই কয় “কাম কাইজ করছ না, বলদের মত খাইয়া খাইয়া দিন দিন ষাঁড় হইতাছোস!!”
বুঝলাম না বলদের মত খাইলে ষাঁড়ের মত হমু ক্যা!!?? বলদের মত খাইলে বলদের মত হমু। বলদ বইলা কি সে মানুষ না নাকি থুক্কু প্রাণী না নাকি, হাটে যাইয়া দেখেন বলদের দামো কম না। সো ডোন্ট আন্ডারয়েস্টিমেট এনি বলদ 
.
যাই হোক এত দিন তো তাও ভাবতাম জাতি আমার উপরে ঈষার্নীত হইয়া আমারে এমন কয়।  কিন্তু এইডাও ঠিক, যা রটে তার কিছুটা তো বটে। যেমনে পোলাপাইনে গনহারে ষাঁড়-বলদ-ছাগলের ছবি আমারে ট্যাগ করে তাও আবার ওগো মুখের মাঝখানে ট্যাগ, তাতে নিজেই কেমন জানি দ্বিধাদদ্ধে পইড়া গেছি। আয়নার সামনে খাড়াইলে একবার আয়নায় বলদ দেখি, একবার ষাঁড় দেখি আবার কখনো কখনো ছাগল-রাম ছাগলো দেখি শুধু আমারেই দেখি না। 
.
সবাই যখন এতো কইরা বলতেছে তখন ছাগল-বলদ-ষাঁড়ের সাথে নিজেরে একটু মিলায়া দেখলাম। নাহ এইখানেও তো মিলে নাই। আমার দুই ঠেং এগো চাইর ঠেং। আমার হাতে ১০ আঙ্গুল, কি সুন্দর স্টটাস টাইপ করতে পারি, এগো তো হাতই নাই। এগো ফিজিক্যালি ল্যাজ আছে আমার না ফিজিক্যাল না গায়েবী কোন ল্যাজই নাই। (আমারা ফ্রেন্ডরা বিফ/জিএফ দের গায়েবী ল্যাঞ্জা বলে ডাকি  ) এর পরো গরু ছাগলের ছবিতে ট্যাগ দিয়া আমারে জোর কইরা গরু ছাগল বানানির চেষ্টার কারনডা কি........... > >
ঝাতির বিবেকের কাছে আজ এই প্রশ্ন!!???
.
.
.
একটা সিক্রেট বলি, গরু ছাগলের সাথে আমার একটা মিল আছে। গরু ছাগল কান নাড়াইতে পারে আমিও পারি 
হ্যাপি গরু-ছাগল ডে 

শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৪

কাউফি

হুজুগে বাঙ্গালী হিসাবে কোরবানের গরুর লগে এই সময়ের ট্রেন্ড সেলফি(নাকি কাউফি) তুইল্লা
আম্মারে আইন্না দেখাইতেই কয়

“কিরে তোর বাপ চাচাগো টাকা কি বাইড়া গেছে নি?? এইবার দুইটা গরু কোরবানী দিবে!!!??”

“আরে মোর জ্বালা দুইডা পাইলা কই?? এইখানে গরু তো একটা”

“আমি তো দেখতাছি দুইডা, একটার দেখি আবার তর মত গালে ব্রনের দাগও আছে”