সোমবার, ১৫ জুন, ২০১৫

আপনার মশারী কি ছিঁড়ে গেছে?

আপনার মশারী কি ছিঁড়ে গেছে? সেলাই করার সময় পাচ্ছেন না? নতুন মশারী কিনতেও পারছেন না? মশার জ্বালায় জীবন অতিষ্ঠ?
.
তাহলে এক কাজ করুনঃ আগের ছেঁড়া জায়গার পাশে নতুন করে আরেকটা ছিদ্র করুন!
তারপর একটা বড় কাগজ রোল করে কাগজের দুই মুখ মশারীর বাইরের দিকে রেখে এক ছিদ্র দিয়ে ঢুকিয়ে আরেক ছিদ্র দিয়ে বের করে দিন!
.
এতে করে মশারা কনফিউজড হয়ে যাবে এটা ভেবে যে,
"মশারীর ভিতরে ঢুকার সাথে সাথেই অটোম্যাটিক্যালি বের হয়ে যাইতেসি ক্যামনে!?"
confused emoticon
.
মশার কামড় থেকে বাঁচাও হল, মশাদের সাথে একটু মজা নেয়াও হল! wink emoticon
.
.
এপিক বুদ্ধি কার্টেসীঃ তমাল ফাহমি

শুক্রবার, ১২ জুন, ২০১৫

পাগলামির চারটা পর্যায় থাকে

পাগলামির চারটা পর্যায় থাকে।
.
১। প্রাথমিক পর্যায়ের পাগল
২। মধ্যম পর্যায়ের পাগল
৩। এক্সট্রিম পর্যায়ের পাগল
৪। 'নাজনিন হ্যাপি' পর্যায়ের পাগল colonthree emoticon

শনিবার, ৬ জুন, ২০১৫

অফিসে ইম্পর্টেন্ট রুম

কম বেশি সব অফিসেই বিশেষ করে প্রাইভেট অফিসগুলোতে যার যার কাজের জায়গার পাশাপাশি আরো কিছু জায়গা থাকে এমপ্লয়িদের জন্য।
যেমনঃ কিচেন, ডাইনিং, বাথরুম, রিসিপশন রুম, কনফারেন্স রুম, প্রেয়ার রুম ইত্যাদি।
.
অনেক অফিসে আলাদা স্মোকিং রুমো থাকে কিন্তু একটা মোস্ট ইম্পর্টেন্ট রুম কোন অফিসেই থাকে না। প্রায় সময় এমন সব সিচুয়েশন ক্রিয়েট হয় যখন আপনে সামনেও যাইতে পারবেন না পিছেই আইতে পারবেন না।
কিযে পারবেন আর কি যে পারবেন না নিজেও কইতে পারবেন না। তখন বাথরুমের চেয়েও হেই রুম অতি ইম্পর্টেন্ট হইয়া দাঁড়ায়।
.
.
হেইডা হইতাছে হাত পাও ছাইড়া 'আম্মাআআআআআআ আমি তো শ্যাষ' কইয়া চিল্লায়া কান্দনের লাইজ্ঞা কোন সাউন্ডপ্রুফ রুম 

শুক্রবার, ৫ জুন, ২০১৫

এসি পার্ট ২

এসি। পার্টঃ২
.
১. স্টুডেন্ট লাইফে আমার লাহান অস্তিবস্তির ফয়িন্নি পোলাপাইন প্রচন্ড গরমে বাহিরে গেলে আশে পাশে কোন এসি মার্কেট বা দোকানে ঢুকে। কতক্ষন ঘুরা ঘুরি করে। এসির হাওয়া খায়। ঠান্ডা হয় দিল জুড়ায়। মাঝে মধ্যে এগো মনেহয় ‘দোকানে যখন ঢুকছি একটু দাম জিগাই।‘
.
কিন্তু দাম শুইন্নাই পোলাপাইনের আত্মা শুকায় যায়!! এত্তদাম! এরপর ঠান্ডা হইয়া হেলতে দুলতে বাহির হইয়া কয়, 
‘হেহ গুলিস্তানের মোড়ে একি জিনিস যখন ২০০ টাকায় পাওন যায় ঐ জিনিস এসি মার্কেট তন ২,০০০ টাকায় কিনতাম!! পাগলে কামড়াইছে?? চান্সে ফ্রিরির উপ্রে এসির হাওয়া খাইয়া আইছি’ sunglasses emoticon
.
অতঃপর সে এসি মার্কেটের এসির হাওয়া খাইয়া গুলিস্তানের মোড়ের থে গেঞ্জি কিন্না খুশি মনে বাড়ি ফিরে।
সত্যি বলতে সেই গেঞ্জিটা গার্মেন্টস থেকে রিজেক্ট হওয়া। (তবে এইখানে ভালো অনেক জিনিসই আছে কপাল ভালো থাকলে পাওয়া যায়)
.
২. এসি বাড়িতে থাকা মানুষজন এসি গাড়িতে করে এসি মার্কেটে যায়া শপিং করে। তাদের মতে ‘যতই কও গুলিস্তানের জিনিস আর এসি মার্কেটের জিনিস তফাত আছে। সবাই এফোর্ড কর্তে পারে না হুহ’
.
কিন্তু সত্যি কথা হইলো এসি মার্কেটের বেশিরভাগ জিনিস আসলেই গুলিস্তান, নবাবপুর বা চকবাজার থেকে পাইকারী দরে কিনা। মানে এইখানে ২০০ টাকার অনেক জিনিসই ২০০০ এ সেল হয় যা বেশিরভাগ ক্রেতাই ধরতে পারে না।(তবে এইখানে ভালো অনেক জিনিসই আছে কপাল ভাল হইলে পাওয়া যায়)
.
.
উপ্রের দুই সমীকরণ লন এবার একটু অন্য লাইনে মিলাই।
.
স্টুডেন্ট লাইফে বেকার নাদান পোলাপাইনের গ্যাঞ্জি-প্যান্ট পিন্দা স্মার্ট গার্লফ্রেন্ড অনেকটা এসি মার্কেটের মতন।
.
ফয়িন্নির ছাও সেই এসি মার্কেটের উপ্রে ক্রাশ খায়, এসির কাছে গেলে তাঁর দিল ঠান্ডা হয়, তাদের মাঝে প্রেম ভালোবাসা বাড়ে। হেরপর আদারে বাদাড়ে অনেক উম্মাউম্মি কইরা আত্মা ঠান্ডা করে then একটা সময় ভাবে এইডার ম্যান্টেনেস cost- ডিমান্ড অনেক হাই!!
এর চেয়ে অজপাড়া গ্রামের এক্টারে বিয়া করলে আরো কম খরচে কম প্যারায় চালান যাইবো। দুইডাই তো একি,মাইয়াই তো। তার উপ্রে বিয়ার আগেই তো কাম শেষ। সো এই রিজেক্টারে টা টা!!
.
আবার অন্যদিকে সেই ‘টা টা’ হওয়া এসি মার্কেট গাড়িয়ালা কাস্টমারে সাদরে আমন্ত্রন জানায়। তিনি গুলিস্তানের রিজেক্ট মালের বড় পাইকার ব্যাবসায়ী।
তারে লামছাম কইয়া বুঝায়, ‘এইটা একদম বেস্ট, লেটেস্ট, ব্রেন্ড নিউ। দাম যদিও একটু বেশি কিন্তু ভালো জিনিসের দাম তো বেশি হবেই’
গাড়িয়ালা খুশি হইয়া ঐ এসি মার্কেট থেকে গুলিস্তানের জিনিস কিন্না খুশি মনে বাড়ি ফিরে।
.
.
দিনশেষে গুলিস্তানের ব্যাবসায়ী খুশি ‘রিজেক্ট জিনিস কম দামে হইলেও অন্যরে গছায় দিসি’,
.
ফয়িন্নিও খুশি, ‘এসি মার্কেটের জিনিস কম দামে গুলিস্তানে পাইছি আর চান্সে ফ্রি এসির হাওয়া খাইছি’,
.
এসি মার্কেট খুশি, ‘মুরগী এক্টারে পাইছি, ২০০ টাকার জিনিস ২০০০ টাকায় বেইচ্চা দিসি টেরো পায় নাই’
.
গাড়িয়ালায় খুশি, ‘হারাদিন গুলিস্তানে রিজেক্ট জিনিস বেইচ্চা নিজে ব্রেন্ড নিউ, আনকমন, গর্জিয়াস জিনিস পাইছি। ’
.
.
আসলে এখনের দুনিয়াডা একটা বেকুব চক্র। এভাবেই প্রতি নিয়ত আমরা বিভিন্ন লেভেলের মানুষ, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন ভাবে বেকুব হইয়াও নিজেরে চালাক ভাইবা খুশি থাকি grin emoticon

নোয়াখাইল্লা

"আচ্ছা আপনারা নোয়াখালির মানুষ 'প' কে 'ফ' বলেন ক্যানো?"
-"আন্ডা আবার কবে 'ফ'রে 'ফ' কইলা?? confused emoticon "
.
"এই যে বললেন। আবার যেমন 'পাঁচ' কে 'ফাঁছ' বলেন "
-"ও কিয়া গো কয়? ফাঁছেরে ফাঁছ কইতাম নো তো কিয়া কইতাম??"
.
"ক্যানো আপনার কি মনেহয় না 'পাঁচ' আর 'ফাঁছ' দুটার মাঝে পার্থক্য আছে?"
-" আন্নের নানি ফাঁছ কন আর আঁর নানি ফাঁছ কন, যেন্নেই কন ফাঁছ তো ফাঁচই। ফাঁছ দি তো আর আষ্টগা বুঝাইতো নো। ফার্থক্য ফাইলেন কই? দোনোগাই তো এক"
.
"এই যেমন বললেন 'ফার্থক্য'। 'ফার্থক্য' আর 'পার্থক্য' দুইটা তো আলাদা উচ্চারন। আপনি পার্থক্য দেখছেন না এই দুটোর মাঝে? "
- "নাহ আঁই তো ফার্থক্য আর ফার্থক্যে মাইঝ দি কোন ফার্থক্য টোগাই ফাইয়ের না"...........
confused emoticon
.
.
.
(অবুঝ জনগনের জন্য কিছু শব্দার্থ tongue emoticon আন্ডা= আমরা, নো= না, আন্নের নানি= আপনার মত, আষ্টগা= আট টা, ফাইলেন=পাইলেন, দোনোগা= দুইটাই)

ইস্টাইল

১। ‘মাম্মা নয়া গেঞ্জি পিন্দলা মগর ছিড়া ক্যা?’
- “ছিড়া না, এইডা ইস্টাইল”
.
২। ‘প্যান্টের দেখি রঙ উইঠা গেছে’
-‘রঙ উঠে নাই, এইডা ইস্টাইল’
.
৩। ‘কাপড় উল্টা পিন্দলি ক্যা??’
-‘উল্টা পিন্দিনাই, সেলাইটাই এমন। এইডা ইস্টাইল’
.
৪। ‘কিরে তুই কিছু খাছ না ক্যা?’
-‘ডায়েট কন্ট্রল করি। এইডা ইস্টাইল’
.
৫। ‘তুই এতো ফ্যাট ফুড খাছ ক্যা??’
-‘ফুডিস্ট এর যুগ। বেশি খাওয়া এযুগের ইস্টাইল’
.
৬। ‘বাহ, অফিসেও দেখি সুন্নতি তরিকায় টাখনুর উপরে প্যান্ট পিন্দা আহেন। মাশাল্লাহ মাশাল্লাহ হুজুর হইয়া যাইতেছেন।’
-‘হুজুর হইতাছি না, এইডা এখনকার ইস্টাইল’
.
৭। 'কিরে তোর বাইকের হেড লাইট কই?'
- 'খুইল্লা থুইছি। এইডা স্টাইল'
.
৮। ‘আপায় দেখি হিজাব পড়া ধরছেন। মাশাল্লাহ পর্দা পশিদা করা ভালো।’
-‘হিজাব এযুগের ইশাটাইল। ক্যান আমাকে শুইট লাগছে না??’
.
৯। ‘কিরে তুই খাইতে বইলেও ছবি তুলছ ক্যা?’
-‘খাওয়ার আগে খাওনের ছবি তুলা ইস্টাইল’
.
১০। ‘তুই তো মোবাইল দিয়াই ঠিক মত ছবি তুলতে পারছ না, গলায় ডিস্লার ঝুলায় কই যাস?’
-‘ছবি তুলতে পারি আর না পারি গলায় ডিস্লার ঝুলানিও একটা ইস্টাইল’
.
১১। ‘কিরে আরেকটা কার জুতা পিন্দা আইছোস। দুই জুতা দুই কালার ক্যা?’
-‘দুইডাই আমার জুতা। দুই কালারের জুতা এখনের ইস্টাইল’
.
১২। ‘দোকানদারেরে তোর বাপও মামা ডাকে তুইও মামা ডাকছ!! কাহিনি কি?’
-‘সবাইরে মাম্মা ডাকা এখনকার ইস্টাইল’
.
১৩। ‘তোর চুল বড় ক্যা’
-‘এইডা ঝাকানাকা ইস্টাইল’
.
১৪। ‘হঠাত টাকলা হইলি ক্যা?’
-‘এইডা ভিন ডিজেল ইস্টাইল’
.
১৫। ‘কিরে তুই মাইয়াগো মত কানে দুল পিন্দছ ক্যা?’
-‘এইডা ইস্টাইল’
.
১৬। “কিরে দেয়াল ঘড়িতে বেল্ট লাগায় হাতে পিন্দলি ক্যা ”
- ‘দেয়াল ঘড়ি না, বড় ডায়ালের ঘড়িই এখন ইস্টাইল’
.
১৭। ‘ছেরীগো লাহান হাতে পার্স লইয়া ঘুরছ ক্যা’
-‘এইডা পার্স না, এইটা ট্যাব। হাতে লইয়া ঘুরাটা একটা ইস্টাইল’
১৮।। ‘তোর চুলে জং ধরলো ক্যামনে? তেল দেস না??’
- ‘জং ধরেনাই, কালার করছি। এইডা ইস্টাইল’
.
১৯. 'ঐ বেশরম, প্যান্ট উপ্রে উডা। জাইংগা দেহা যায় ক্যা'
-'দেহা যায় না, দেহাই। এইডা ইস্টাইল' squint emoticon
.
.
যা বুঝলাম যে কোন আজগুবি ব্যাপারে ‘ক্যা’ জাতীয় প্রশ্নের সবচেয়ে সোজা উত্তর ‘এইডা ইস্টাইল’।
ব্যাস কিচ্ছা, খতম আপনে ফ্যাশনেবল colonthree emoticon

বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০১৫

Window ac vs Split ac

হাজবেন্ড হচ্ছে Split AC এর মত।
.
ঘর ঠান্ডা করার জন্য বাহিরে সে রোদে পুড়ে বা বৃষ্টিতে ভিজে কেমন লোড নিচ্ছে তা দেইক্ষা কারো কাম নাই। 
ওর ডিজাইনটাই এমন যা ঘরের ক্ষয়ক্ষতি কম করবে (জাস্ট ছুট্ট একটা ফুডা করতে হয় দেয়ালে ) যে ঘরকে Silent, Cool রাখতে বাধ্য থাকবে এবং সবসময় রিমোট দ্বারা অন্যের হাতে নিয়ন্ত্রিত হবে tongue emoticon
.
.
আর ওয়াইফ হচ্ছে উইন্ডো এসির মত।
.
ঘর ঠান্ডা রাখার জন্য এমন সাউন্ড করে যা ঘরে বাহিরে দুই জায়গাই কাপায়া ফালায়।
তারে রিমোট দারা কন্ট্রোল করা গেলেও অনেকেই সরাসরি হাত দিয়াও ক্রন্ট্রোল করে (বহুত খ্রাফ কাম)।
তারে ঘরে আনতে হইলে দেয়ালের বড় একটা অংশ ত্যাগ করার লাগে (যদিও সে থাকা অবস্থায় তা বুঝা যায় না ) আর হঠাত চলে গেলে দেয়ালে বড় রকম দাগ থেকে যায়।
.
তয় কাম যদি ঠিক মত করে তাইলে একি মানের Split AC এর চেয়ে উইন্ডো এসি ঘর তাড়াতাড়ি এন্ড বেশি ঠান্ডা রাখে।
(হাদে কি কয় Home is not home without mom kiki emoticon )
.
.
(প্রথম অংশটা একটা বিদেশী পেইজের ছায়া অবলম্বনে লেখা)