বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৪

পিম্পল সার্জারী!!

এক আপুর স্টাটাস, “হসপিটালটা ভালই। আর অপারেশন ড্রেসটাও আরো জোস.. থ্রি কোয়াটার উইথ টপ। বাট এর পরো ফিলিং ভয় ভয়”


উদবিগ্ন ভাই বেরাদরদের কমেন্টঃ
“ক্যান হি হইছে?”
“কিসের অপারেশন?”
“হসপিটালে ক্যানো!!”

আপার রিপ্লাইঃ “নাকে পিম্পল সার্জারী ”
 


এই পৃথিবীতে আর বাইচ্চা থাকার কোন মানে দেখতাছিনা। মনডা কয় নেটের তারডা গলায় পেচায়া ফ্যানের লগে ঝুইল্লা পড়ি  

রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৪

ফলোয়ার

একটা নোটিফিকেশন আসলো “অমুক ফলো ইউ”।
কিছুক্ষন পরে মেসেজ “were you a student of adamjee. great entertainment keep it up”
ভাবছি ইনিও মনেহয় আমার মত আদমজীর কোন এক্স স্টুডেন্ট। প্রোফাইলে গিয়ে দেখি আরিইইইইইইইই ইনি আদমজী কলেজের একজন লেকচারার!!

ক্যায়া দিন আগেয়া, যখন আদমজী ক্যান্টনমেন্ট এ পড়তাম মনেহয় এমন কোন দিন নাই যেদিন টিচারগো থাপ্পর-বকা খাই নাই। কিছু কিছু টিচার তো আমারে দেখলে হুদ্দাও থাপড়াইতো (স্পেশালী বাতেন স্যার)

এমন কি একদিন প্রিন্সিপ্যাল স্যারেও (কর্নেল মোফাজ্জল মাওলা) মাঠের মাঝখানে নিয়া ঘন্টা খানেক রোদে দাড় করায়া রাখছিলো আর U শেপ এর আধা স্টেডিয়াম টাইপ কলেজ বিল্ডিংয়ের বারান্দায় পোলাপাইন+টিচারেরা যেমনে ভ্যাটকি মাইরা চাইয়া চাইয়া দেখতাছিলো মনেহয় যেন মাঠে আইপিএল খেলা চলতাছে আর তামিম ব্যাট করতাছে। বাট ডানো খাইয়াও রান করতে পারতাছে না

তো যাই হোক, দিন সবারই আসে। গোবরের মূল্য থুক্কু “মেধার” (!!!) মুল্য একদিন সবাই বুঝতে পারে, শুধু GPA দিয়াই মেধা গননা করা যায় না!! যেমন বিলগেটস, মার্ক জোকার বার্গার এডি সবাই পড়ালেখার মাঝখানে বাং মারা পোলাপাইন এখন তাগো টিচারেরাই তাদের ফলোয়ার।

তো আম্মারে যাইয়া খুব ভাবের সহিত কইলাম, আম্মা you know আগে তো গাইল্লাইতা ক্যান বার বার কলেজে আমার গার্জিয়ানকেই ডাকে। আব দেখো আমারে কলেজের লেকচারারই ফলো করে 
আম্মার উত্তর অনেকটা এমন,
“ক্যাআআআআআআআআ তোরে ফলো করে ক্যা??? ফলো তো মাইনষে চোর বাটপার গুলানেরে করে যাতে সুবিধা মত পাইলে ধরতে পারে। আবার কোন জায়গায় কোন কাহিনি ঘটাইছোস!!!”
  

শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৪

সত্য হজম হয় না

"আগে নিজের পায়ে দাঁড়াও........."
“আইচ্ছা মাইনষে কি ল্যাদা কাল থেকে হাতের উপ্রে দাঁড়ায় থাকে নি??? পায়ের উপ্রেই তো দাঁড়ায়, তাইলে আর নিজের পায়ে কি দাঁড়াবে??? সরাসরি কইলেই হয় আগে নিজের টাকার উপ্রে দাঁড়াও.... ”
“আরে নাহ আমি কি টাকার কথা বলছি নাকি?”
“তাইলে কি কইছো?”
“আমি তো বলছি.... মানে..আচ্ছা বাদ দেও.....”
.
.
“এই তোমার পা টা সরাও, আমি ঐ দিকে যাবো”
.
কিছুক্ষন পরে,
“এই তোমার ফিগারটা সরাও, আমি বেঞ্চে বসবো”
< “আচ্ছা তোমার বাপ মা কি তোমাকে ভদ্রতা শিখায় নাই?? মেয়েদের সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় জানো না?”
“এহানে আবার অভদ্রের কি করলাম? ”

< “ফিগারটা সরাও এটা কি ধরনের কথা??”
“পুরা শরীর দিয়া ব্যাঞ্চ দখল কইরা বইয়া রইছো, তাইলে কি কইতাম?”
< “বললেই পারো 'তুমি একটু সরো', ফিগারটা সরাও এটা কেমন অসভ্য কথা”

“তাইলে একটু আগে যে তুমি কইলা ‘তোমার হাতটা সরাও’... ‘তোমার হাতটা’যদি সভ্য হয় তাইলে ‘তোমার ফিগারটা’ অসভ্য হইতো ক্যরে?? হুদ্দা হাত দিয়া তো বেঞ্চের জায়গা মারো না, পুরা ফিগার দিয়াই তো দখল কইরা থুইছো এই কারনেই তো বললাম ”

< এবার মিনমিনা স্বরে “না তার পরো, কেমন শুনায় না”
.
.
“ আল্লাহয় দাড়ায়া থাকার জন্য পা দিছে, বইসা থাকার জন্যো কিছু না কিছু দিছে। তাইলে হুদ্দাই দাড়ায়া আছো ক্যানো?? বসো”
< “তোমার মুখে কি কিছু আটকায় না??”

“দাড়ায়া আছো, বইতে কইলাম। এইখানে মুখে আটকানির মত কি আছে??  উল্টা বইতে না কইলে তো কইবা ‘অভদ্র, একটু বসতেও বল্লো না’ ”

< “ তা ঠিক আছে বাট, বসার জন্য আল্লাহ কিছু না কিছু দিছে এটা কেমন বাজে কথা??”
“কও কি আল্লাহয় তোমারে বসার জন্য বডিতে কিছু ইন্সটল করে দেয় নাই!! ঠেং এর উপ্রেই দাঁড়াও ঠেং এর উপ্রেই বসো নাকি?? ”

< “ তরেরেরে    ”
.
.
আইচ্ছা মাইনষে সব সময় প্যাচগোচ বাদ দিয়া সরাসরি সত্য কথা শুনতে চায় কিন্তু শুনার পরে এমন করে ক্যা???

বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৪

সুন্দরী

দুনিয়াতে কোন মেয়েই সুন্দরী না।

অবাক হইলেন?? বিশ্বাস না হইলে এলাকার যে কোন মেয়ের কাছে যাইয়া ঐ এলাকার সেরা সুন্দরীর ছবি দেখায়া বলেন “এরে দেখতে কেমন লাগে?”

দেখবেন “সুন্দরী” বলা তো দূরের কথা উল্টা “সেরা সুন্দরীর” ১০১টা খুত বাহির কইরা ফালাইছে!!! 

স্যাড বাট ট্রু 

সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৪

এবাউট রেপ

লেখাটা একটু এডাল্ট টাইপের, কে কিভাবে নিবে জানি না।
নরমালি মেয়েদের ক্ষেত্রে বিবাহের পূর্বেই কোন ছেলের দ্বারা ভার্জিনিটি হারানোর তিনটা ওয়ে থাকে।
১. সবচেয়ে বেশি যেটা হয়, প্রেম ভালোবাসা করতে গিয়া লিটনে ফ্লাটে বিএফ কর্তৃক ভার্জিনিটি হারায়। একে ‘ষো ষুইট লাভ’ বা ‘ষো ক্যায়াড়িং’ ব্লা ব্লা এমন টাইপ কিছু বিশেষনে বিশেষায়িত করা হয়। 
.
২. টাকার বিনিময়ে কোন ছেলের শয্যাসঙ্গী হয়ে ভার্জিনিটি হারায়। একে পতিতাবৃত্তি বলে। এরা আবার দুই ক্যাটাগরীর।
এক. রাইতের বেলায় পার্কে, ওভারব্রিজের আন্ধারের পতিতা। এদের মানুষ দেখতে পারে না। আর আরেক পিস হচ্ছে ফাইভ স্টার লেভেলের। বাহিরের দুনিয়ায় এরা অনেক গ্লামারাস, অনেক হাক ডাক, অনেক সম্মানো এদের। এরা ফেম বা উচ্চকাংখা এইটাইপ কিছু অর্জনের জন্য বড় বড় হাইক্লাস আদমীদের সাথে বিসনায় যায়।
.
৩. রেপ এর মাধ্যমে।
এবং আমার জানা মতে ৯৯.৯৯% মানুষ ভিকটিমকেই দোষারপ করে। তাঁর ড্রেসের দোষ, তাঁর চলার দোষ আরো বহুত কিছু এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তাদের সামাজিক ভাবে বয়কট করা হয়!! আর রেপার উল্টা অনেক জায়গায় “একখান ব্যাটার মত কাম করছোস” টাইপ প্রশংসাও পায়!!
.
সল্প জ্ঞানে যদ্দুর জানি রেপ তারেই বলে যেটা মেয়েটার অনিচ্ছায় করা হয়। আর স্বাভাবিক ভাবেই একটা মেয়ে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় সম্বল রক্ষায় জন্য ঐ সময় অবশ্যই যতটা সম্ভব নিজের সর্বশক্তি দিয়ে প্রটেক্টের চেস্টা করে। মানে তাঁর কোন ইচ্ছাই নাই।
অন্য দিকে ১ এবং ২ নং এ কেউই নিজেকে প্রটেক্ট করা তো দূরের কথা উল্টা হাইদ্দা পুরুষটার সাথে বিসনায় যায়।
.
তাইলে এখন সম্মান অসম্মানের দিক দিয়া ঘটনা তো উল্টা হবার কথা আছিলো। ১ ও ২ নং এর গুলানেরে সমাজ বয়কট করার কথা আছিলো। কোন দোষারোপ করতে হইলে তাদের দোষারোপ করার কথা আছিলো। লজ্জা শরমে এক ঘরে হইয়া থাকতে হইলে তারা থাকবে কারন নিজের ইচ্ছায় আকাম বাধাইছে।
.
কিন্তু যে নিজের সম্মান পরপুরুষের কাছে বিলায়া দিতে চায় নাই, জোর জবরদস্তি করে রেপ করা হইছে এতে তাঁর কিছু করার ছিলো না সেখানে তাকে ক্যান সবাই দোষারোপ করবে বা তাকে ক্যান লজ্জার মধ্যে পড়ে একঘরে হয়ে থাকতে হবে বা সবাই কেন কলঙ্কিনী বলে তাঁর দিকে আঙ্গুল তুলবে??
.
এইডা সবাই বুঝে বাট সব জানার পরো তিন চাইর হাত ঘুইরা আসা কলেজের সেরা সুন্দরীরে গার্ল ফ্রেন্ড বানাইতে বেশিরভাগই আগ্রহী থাকে।
টপ প্রস্টিটিউট উরফে ভদ্র ভাষায় টপ মডেলেরে উঠতে বইতে সালাম দেয়ার মাইনষের অভাব হয় না মগর যে রেপ হইছে তারে রাস্তার কুত্তার সম্মান দেয়ার মতও মানুষ টোগায়া পাওয়া যায় না!!!
ফলাফল মহাপাপ জাইন্ননাও মেয়েটা সুইসাইড করে বসে!!
.
.
অফ টপিকঃ নাফি ভাই এর স্টাটাস দেখে জানলাম রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার জাদবপুর গ্রামে এক চৌদ্দ বছরের পিচ্চি বৃহস্পতিবার রাতে রেপ হয়। তাঁর চিৎকারে প্রতিবেশিরা এসে তাকে উদ্ধার করে। তাঁর বাবা লজ্জায় সুইসাইডো করতে চাইছে কিন্তু মেয়ে ঠিকি এতো কাহিনির পরো পরের দিন জেএসসি পরীক্ষা দিয়ে আসছে!!
এতো দিনে যাইয়া এই এক পিস হ্যাডময়ালা মেয়ে দেখলাম। রেপ হইছে তো কিছে?? দোষ কি ওর নাকি?? ১ ও ২ নং পাব্লিক গুলায় যদি স্বইচ্ছায় আকাম কইরাও মাথা উঁচু করে চলতে পারে তাইলে ৩নং মানে রেপড গুলার মাথা আরো উঁচু করে চলা উচিৎ বিকজ ও’ এতো কিছুর পরো ভেঙ্গে পড়ে নাই। ও’ জানে জীবনকে কিভাবে জয় করতে হয়।

শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৪

বিয়া নামক কমেডি শো...

পোলাপাইনে বিয়ার উপযুক্ত বয়সে আইলে একটা নতুন ধরনের আজগুবি সিচুয়েশনে পড়তে হয়। যদিও এখনকার বাপ মায় একটু আধুনিক হইছে। ছেলে/মেয়ের জন্য পাত্র পাত্রী টোগানীর আগে অনেকেই জিগায় “তোর কোন নিজস্ব পছন্দ আছে কিনা” মানে লাইন মারসনি কারো লগে 
.
কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় পুত্র বা কন্যা যাকে পছন্দ করে ক্যান জানি বাপমায় ঠিক ঐ পাত্র/পাত্রীটা ছাড়া তামাম দুনিয়ার যে কারো সাথে নিজের সন্তানের বিয়া দিতে রাজি!!! অনেকে রাগ, গোসসা, ঘরের ভিতরে হরতাল, অবরোধ, ইমশনাল ব্লাকমেইল কইরা পছন্দের মানুষকে ঠিকি আনুষ্ঠানিক ভাবে বিয়ে করে নেয় কিন্তু অনেক বাপ-মা মন থেকে মেনে নিতে পারে না। হয় বাপ না হয় মা অথবা দুইজনেই।
এইডার কাহিনি আমার এখনো মাথায় ধরে না। ঘর সংসার করবো পোলা মাইয়া মগর চয়েজ হইতে হইবো আরেকজনের!!! 
.
এইডা তো গেলো লাভ মেরিজের কাহিনি এবার আহেন এরেঞ্জ মেরিজে। ঐডাতো আরেক কমেডি শো। যখন জানবে তাঁর কোন রিলেশন নাই তখন প্রথমে কয়েকটা পাত্র/পাত্রীর বায়ডাটা দেখাবে। এর পরো ডাঙ্গর সন্তানের পছন্দ না হইলে জিগাস করবে ‘আইচ্ছা তোর কেমন ছেলে/মেয়ে পছন্দ বল??’
.
এইডা কোন প্রশ্ন হইলো?? পোলা/মাইয়ায় এইডার কি উত্তর দিবো? কইবো “আমার প্রিন্টের মানুষ পছন্দ না, এক কালার হলে ভালো, চেক চেকও চলে তবে স্ট্রেপের হলে মাচ বেটার। আমি ডার্ক তো তাই লাইট কালার বেশি প্রেফার করি। আর পাত্র/পাত্রীকে অবশ্যই ফ্রি সাইজ হতে হবে, বেশি বডি ফিটিংও আমার ভালো লাগে না আবার ডাবল এক্সেলো কেমন জানি মেক্সির মত লাগে!!! ”

প্রশ্নের ভাবে কয় পাত্র পাত্রী দর্জিবাড়ির মত ঘটকের দোকানে পাওন যায় খালি যাইয়া পছন্দ মত অর্ডার দিলেই পাত্র/পাত্রী ডেলিভারি পাইয়া যাবে!! 
.
আবার ধরেন বিয়ার পাত্রী দেখতে আইছে পাত্রীর বাড়িতে বা তাঁর মামা চাচার বাড়িতে। বিশাল আয়োজন, যেই আয়োজন তাতেও একটা ছোট খাটো বিয়ার অনুষ্ঠান করন যাইবো। অতঃপর পাত্র পাত্রী নামক গরু দর্শন শেষে যদি পছন্দ হয় তো কথা পাকাপাকির মত একটা কথা হতে পারে আইমিন এঙ্গেজমেন্ট নিয়ে অথবা ঐখানেই আংটি পরায়া দিয়া আসতে পারে।
.
আর যদি পছন্দ না হয় তাইলে পাত্রীর হাতে পাত্রের মা কিছু সেলামী টাইপ টাকা গুঞ্জায়া দিয়া মাথায় হাত বুলায়া দোয়া কইরা দিছি ভাব দেখায়া হেহে হিহি করতে করতে পরে জানাবো বলে পাত্রীর বাসা থেকে পাত্র পক্ষ বিদায় নেয়।
কত্ত রঙ্গের ভনিতামি যে দেখন লাগে একেক বিয়াতে!!! পুরাই এক একেকটা কমেডি শো। 

শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৪

পাব্লিক ভার্সিটির "K" ইউনিট!!

আইজ পর্যন্ত যেই কয় বার কোন পাব্লিক ভার্সিটিতে গেছি হোক সেটা ঢাকা ভার্সিটি, জাহাঙ্গীরনগর ভার্সিটি, জগন্নাথ‌ বা চিটাগাং ভার্সিটি যেই কয়বার গেছি কম বেশি প্রতিবারই দেখি কোন চিপায় চাপায় কেউনা কেউ কারো না কারো সাথে কিলা কিলি পিডা পিডি করতেছে!! 
.
প্রথম যখন চিটাগাং ভার্সিটিতে গেলাম পরীক্ষা দেয়ার জন্য শাটল ট্রেন থেকে নেমে দেখি ট্রেন লাইনের উপরে ৪-৫ জন মিলে একজনকে মারছে পাথর দিয়ে 
জাহাঙ্গীরনগরে এবার কজিন পরীক্ষা দিতে গেলো আর দেখে ঐখানেও এক জনকে কয়েকজনে মারতেছে। জগন্নাথ তো এক বিশ্যজিৎ দিয়াই বিখ্যাত হইয়া গেছে।
.
তো যাই হোক প্রতি বছর ভার্সিটি ভর্তি রেজাল্ট দেয়ার পরে অনেক স্টুডেন্টের হাহাকার শুনা যায়। ‘ডাবল গোল্ডেন পাইয়াও একটা পাব্লিক ভার্সিটিতে চান্স পাই নাই!!’ দুক্ষে অনেকে সুইসাইডো করে!!! 

তাদের জন্য ভার্সিটি কতৃপক্ষ ‘K’ ইউনিট নামে একটা “কিলাকিলি” ডিপার্টমেন্ট খুলতে পারে। এতে অনেক গুলান ভর্তি সিট বাড়বে তয় ক্লাস রুমে লাগেবে না। প্রেটিক্যাল সাবজেক্ট ক্যাম্পাসের রাস্তা ঘাটে মাঠেই ক্লাস নেয়া যাবে।
.
আর এই সাবজেক্টে শিখার অনেক কিছু আছে। 
যেমন সিঙ্গেল কিলাকিলি, গ্রুপ কিলিকিলি, মাইর খাওয়ার সময় কিভাবে প্রটেক্ট করবেন নিজেকে, কিভাবে প্রতিপক্ষ কে মারলে ভিতরে হাড্ডি ফাটবে বাট উপরে কিছু বুঝা যাবে না (যাতে কারো কাছে বিচার না দিতে পারে),আপনি কিভাবে মাইর দিবেন, কোন কোন জায়গায় মাইর দিলে কম শক্তি খরছে বেশি আঘাত করা যায়, কোন কোন জায়গায় মাইর দিবেনা (কারন বাটে পড়লে আপনেও এক দিন খাইবেন তাই আগেই ইনসাফ করে মারা উচিৎ), 
কিভাবে কাউকে ছলে বলে কৌশলে গুম করবেন (কারন দেশে যেমনে গুম হইতেছে কয়দিন পরে গুম করার পোস্টেও ভালো ভার্সিটির স্টুডেন্ডদের “গুম এক্সিকিউটিভ” হিসাবে নিয়োগ দিতে পারে অনেকে) 
এমন আরো অনেক কিছু আছে কিলাকিলি বিষয়ক। আর টিচারেরো অভাব নাই। যারা এখন কিলাকিলি করে তাদেরই কিলাকিলি ডিপার্টমেন্টের টিচার হিসাবে নিয়োগ দেয়া যাবে।
.
এতে এক দিকে যেমন দেশের অনেক ছেলেমেয়ে হা হুতাশ কমবে (কিছু কিছু ক্ষেত্রে সুইসাইডো কমে যাবে) সাথে এইসব ভার্সিটির মেধাবী স্টুডেন্টদের সুনাম বজায় থাকবে। কারন একটা ভার্সিটিতে কিছু পোলাপাইনের আকামের জন্য অন্য হাজার মেধাবীদের ব্লেম হজম করতে হয়। এই ধরনের “K” ইউনিট থাকলে অন্তত তাদের দিকে আঙ্গুল তুলে দিয়ে বাকি মেধাবীরা ব্লেমের হাত থেকে বাঁচতে পারবে। 
আর “k” ইউনিটের ডিকশনারিতে তো “ডর-ভয়” নামে কোন শব্দ নাই। তাদের না পারে ভার্সিটির পোলাপাইনে কিছু কইতে, না পারে টিচারেরা কিছু কইতে আর ভার্সিটিতে পুলিশ তো নিরব দর্শক।