শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০১৪

"যাত্রাবাড়ি টু মিরপুর-১০" এর দূরত্ব বেশি

ফেনী থেকে সকাল ৯:৩০ এ বাসে উঠে ঢাকায় যাত্রাবাড়ি এসে নামলাম ১২:৩০ এ। টোটাল সময় লাগলো ৩ঘন্টা।

যাত্রাবাড়ি থেকে ১২:৩০ এ রওনা দিয়ে মিরপুর-১০ আসলাম ৪:০০টায়!!! টোটাল সময় লাগলো ৩.৫ ঘন্টা!!!

সুতারাং "ঢাকা(যাত্রাবাড়ি) টু ফেনী" এর চেয়ে "যাত্রাবাড়ি টু মিরপুর-১০" এর দূরত্ব বেশি... (প্রমাণিত) 
 — feeling angry.

শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০১৪

“দোস্ত আমি মনে হয় আর বাচুম নারে”

“দোস্ত আমি মনে হয় আর বাচুম নারে”

< “ক্যা? আজরাঈল কি তোরে SMS এ শুভেচ্ছা বার্তা পাঠাছে নি?”

“ঐ ফাইজলামি রাখ। ‘ওর’ বিয়া হইয়া যাইতাছে, আর আমার বুকে ব্যাথা বাড়তাছে আর তুই মজা লস!!!  ”

< “বুকের যে খানে হাত দিয়া রাখছোস, ব্যাথা কি ঐখানে?”

“হুম, প্রচন্ড ব্যাথা.... আর বাচুম নারে দোস্ত।”

< “আরে বাঁচবি। ট্যাবলেট খা, ঠিক হইয়া যাবে”

“কস কি?? এই সবের আবার ট্যাবলেট আছে নাকি!!!?”

< “আছে না?? অবশ্যই আছে। নাইলে সাইক্রেটিস্টেরা পাগল ঠিক করে ক্যামনে। ৮-১০ দিন সকাল-রাত ট্যাবলেট খা। ঠিক হইয়া যাবে। ”

“তাড়াতাড়ি ট্যাবলেটের নাম ক। আর পারতেছি না।”

< “এন্টাসিড খা!!”

“ঐ সবসময় তোর এই সব ফাইজলামি ভাল্লাগেনা........ ‘ও’ আরেক জনের হইয়া যাইতাছে আর হেই ব্যাথা সারাইতে তুই আমারে কস গ্যাস্টিকের ট্যাবলেট খাইতে!!!”

< “ ঠিকি তো আছে। বুকের ডাইন পাশে কি কখনো ‘ওর’ জন্য ব্যাথা করে নাকি?? ঐডা তো বাম পাশের কাম। ডাইন পাশ গ্যাস্টিকের জন্য বরাদ্ধ। তাছাড়া হারামীরা এতো তাড়াতাড়ি মরে না টেনশিত হইছ না   ”

সোমবার, ৩ মার্চ, ২০১৪

T20 ওয়ার্ল্ড কাপ উপলক্ষে

T20 ওয়ার্ল্ড কাপ উপলক্ষে বাসায় সামনের রাস্তার ম্যানহোল/ড্রেন গুলার ঢাকনা খুলে কয়দিন অনেক পয় পরিস্কার আভিযান চলেছে। কাজ শেষে রাস্তার ম্যানহোল গুলার উপরে গ্রিলের ঢাকনা লাগায় দেয়া হইছে যাতে বৃষ্টি হবার সাথে সাথেই পানি নেমে যেতে পারে, কোন প্রকার জলাবদ্ধতার সৃস্টি না হয়। 

এরপর কয়দিন হাইফাই হেভি যন্ত্রপাতি আইনা হাইওয়ের লাহান স্মুথ রাস্তাটার উপরে আবার কার্পেটিং করে পুরা মাক্ষন মার্কা রাস্তা বানায়া ফেলা হইছে। অনেকটা মোজাইক ভাইঙ্গা টাইলস লাগানোর মত অবস্থা।


গত কয়দিন দেখি মাক্ষন মার্কা রাস্তার মাঝখানে ভাঙ্গা হচ্ছে!!! গ্রিলের ম্যানহোলের ঢাকনা গুলান এর উপর পিচ ঢালাই দেয়াতে ম্যানহোলের ভিতরে ঢালাই এর মসলা পড়ে ম্যানহোল বন্ধ হয়ে যাবার অবস্থা!! রাস্তা ভেঙ্গে ঢাকনা খুলে তা আবার পরিস্কার করে আবার................

আসলে হেরা করতে চায়টা কি? ট্যাকা কি আজকাল গাছে ধরে নি??? 

রবিবার, ২ মার্চ, ২০১৪

নীলক্ষেতে বই কিনতে গেছিলাম। সাথে আরেক ফ্রেন্ড Kaniz Iffat Toma যাওয়ার কথা আছিলো কিন্তু অনিবার্য কারন বসত তার যাওয়া হয় নাই তাই তার টাও লগে কইরা কিন্না আনতে গেছি।

তো প্রায় সব দোকানেই “প্রফেসর্স” এর বই এর দাম চায় ৪০০-৪২০ (এটা আরেক জনে কিনছিলো ৪৬৮ টাকা দিয়ে সো দাম কমই মনে হইলো তাও আরো কয় দোকানে দাম দেখলাম) আরেকটা বই “ওরাকল” দাম চায় ২৮০-৩০০।

কিছুক্ষেন পরে একটা দোকানে “প্রফেসর্স” চাইলো একদাম ৩০০ আর “ওরাকলের” টা ২৫০!! বই গুলান একটু ঘাইটা দেইক্ষা সাথে আরো একটা বই সহ দামাদামি করে ৫৯০ এ কিনে নিলাম ৩টা বই।

ফুঠপাতে এক দোকানে দেখি ঐ দুইটা বই, দোকানদার এক পিচ্চি। সম্ভবত নোয়াখাইল্লা। জিগাইলাম,

“ঐ বই এইটা কত রে?”

< আমার ব্যাগের দিকে তাকায়া “আন্নে তো একবার ইগা কিনছেন, আবার দাম জিগাই কিরবেন?”

“ক্যা একবার কিনলে কি দাম আর জিগান যায় না নাকি?”

< “তা জায়। তো কত দি কিনছেন “ফ্রফেসর্সের” ইগা?”

“৩০০ টাকা”

< “   ওরে কিয়া গো কন ইগিন!!! তিনশওওওওও!!! ফাগল নি কোনো আন্নে?? এগুন তো আন্ডা (আমরা) দুইশ হত্তুর (২৭০) করি বেঁচি!! আর হিগা(ওরাকল) কত দি কিনছেন?”

“এইটা ২৪০/- ”

< “ও মারে মাআআআআআআ দেখিছো নি কারবার!! আন্নেতো দেইয়ের হুরা বেক্কলেয়েনা!! ইগা আন্ডা ১৮০ করি কিনি। ২৪০ বাড়ীড় কাছের কথা!! আহাইরে আন্নেরে তো হুরা খাই দিছে!! এইচ্চা বেক্কলামি মাইনষে করে?? আহাইরেহ তু তু তু তু... বহুত ট্যায়া লই গেছ!!”

“আইচ্ছা বাদ দেও, ঐ ৮-১০ পেইজ এর শিটটা কত?”

< “এন্নে ৪০ টেয়া করি বেচি, আন্নে তো বহুত ঠকি আইছেন। যান আন্নের লাই ৩০ টেয়া।”

“ব্যাটা এইটা ফটোকপি করলে লাগবোনা ১০টাকা তুই দাম চাছ ৩০টাকা!! ”

< “আইচ্ছা ১০টেয়া দিয়েন, লই যান!!!”

“১০টাকায় যখন দিবি তো একটু আগে এতো দরদ দেখায়া ৩০টাকা চাইলি যে??”

< “আরে এইচ্চা বেকুফ ফাঁইলে কনে ছাইড়বো, তাই আঁইও এক্কানা বাজাই চাইলাম আঁরি। অন তো দেইয়ের বুদ্ধি খুলি গেছে, আন্নেরে বুদ্ধি দিও ভুল কইচ্চি!!”
 
 — feeling ফিউর ইনষাল্টিত.

মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

পার্লার!

১. আগে সেলুনে নাপিত চুল কাটতো। চুল কাটতে না হইলেও ২০-২৫ মিনিট লাগতো, টাকা লাগতো ১৫-২০ টাকা। আর এখন ঢাকা শহরে আপনি কোন সেলুন টোগায়া পাবেন না নাপিত তো নাই ই। এখন সব জেন্টস পার্লার!! আর যারা চুল কাটে তারা নাপিত না, তারা Barber or Hair Expert!! 

চুল এক্কারে ছোট কইরা দিতে কইলে, হালারা দেখি মাথায় পানি স্প্রে কইরা সামনের পিছে দিয়া চুল কয়টার আগা কাইট্টা চুল সবডিরে জেল দিয়া খাড়া করায়া দিয়া ৫ মিনিটের ভিতরে কয় চুল কাটা শেষ!! ২০টাকার চুল কাটিং এর সার্ভিস চার্জ জায়গা ভেদে ১৫০-৪০০টাকা!!!

আপনে কিছু কইতেও পারবেন না, কারন চুল কাটা শেষে আপনাকে যেই পাম মারা হবে সেই খুশিতেই টাকা দিয়া বাহির হইয়া আসবেন, কিন্তু ঘরে আইসা চুল ধোয়ার পরে দেখি আগে যা আছিলো এখনো তাই!!!!!!!! কিন্তু এই পার্থক্য না বুঝাটারে বলে লেয়ার কাট কয়!!!!!!!!

২. আগে আইসক্রিময়ালার কাছ থেকে আইসক্রিম কিনতাম, নাহয় কনফেকশনারী থেকে কিনতাম। বিভিন্ন আইস্ক্রিম ভেদে দাম উঠা নামা করতো। কোন, চকবার ২০-৪০টাকা আবার হাপ লিটার/লিটার ১৫০-৩০০ টাকা।

এখন বাহির হইছে আইস্ক্রিমেরো পার্লার!!! ঐ চিরাচরিত ৫-৬ টা ফ্লেভারেরে এইটার লগে ঐটা লাগায়া ৫০-৬০ টা আইটেম বানায়। ভ্যানিলা উইথ স্ট্রবেরী, স্ট্রবেরী উইথ ম্যাঙ্গো, ম্যাঙ্গো উইথ চকলেট, চকলেট উইথ হানি এন্ড আমন্ড.............. আর বহুত। এক চামিচ থুক্কু এক স্কুপের দাম ৩০০-৪০০ টাকা + ১৫% ভ্যাট + ১০% সার্ভিস চার্জ + টিপস!!! এক চামিচ আইস্ক্রিম খাইয়া ৫০০ টাকা দিয়া আইয়া পড় বিকজ আপনে পার্লারে আইস্ক্রিম খাইছেন!!

পার্লার নাম দিলেই যখন এতো দাম তো কয়দিন পর দেখা যাইবো “ঝাল মুড়ি পার্লার” থুক্কু “হট স্পাইসি পাফেট রাইস পার্লার” কেউ খুইল্লা বসতে পারে।

সেখানে থাকবে লাইট ঝালমুড়ি, ফ্যাট লেস ঝালমুড়ি, মার্স্টার্ড ওয়েল উইথ ঝালমুডি, ঝালমুডি উইথ লেমন, ঝালমুড়ি উইথ চানাচুর, ঝালমুড়ি উইথ লেমন্ড ডাবলি, ঝালমুড়ি উইথ টোমাটো, ঝাল উইথ মুড়ি, মুড়ি উইথ ঝাল, মুড়ি উইথ মুড়ি, ঝালমুড়ি উইথ উইদাউট ঝাল.......... এন্ড মেনি মোর (মানে ঐ ঝালমুড়িয়ালার ডিবায় যা থাকে তাই এইডার লগে ঐডা মিলায়া ৫০-৬০টা আইটেম)

৫টাকার ঝালমুড়ির প্রাইস স্টার্ট হবে টাকা ৫০/- +১৫% ভ্যাট+ ১০% সার্ভিস চার্জ!!!

আসলে ঢাকাবাসীর পকেট থে টাকা বাহির করা বেশি একটা কঠিন না খালি লাম রে ছাম কইয়া প্রেজেন্ট করতে পারলেই হয় ..........

আমি ২ সাপ্তাহ ধইরা বিক্রয় ডট কমে খুব কম দামে পাখির এড দিয়া কাস্টমার পাই না। যাও ২-১ জনে কল করে তাও তাদের মনে ডাউট, “এতো কম দাম কেন ভাই!!!” “পাখি কি অসুস্থ নাকি!!!” “পাখির কোন সমস্যা আছে তাই কম দামে ছেড়ে দিচ্ছেন!!!”

মাইনষের এই ধরনের কমেন্ট দেখে ঐ পাখিগুলার দাম আমি প্রায় দিগুন বাড়ায়া দিছি, সাথে এড টাইটেল দিছি “ এ আনকমন ভ্যালেন্টাইন গিফট!!”..........

প্রথম বায়ার পাই নাই, দাম বাড়ানোর পরে এতো ফোন কার কাছে বেচুম হেইডা নিয়াই কনফিউসড হইয়া গেছি!!!!!!

শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

আওয়াড় মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ ড্যায়

হেল্লোওওওওও লিসেনার্স, হোয়ার্স্ট আপ??? ঠুড্যায়ি আ’ম জাড়া আছি থোমাদের সাথে। ইউ নো আজ টুয়েন্টি ফার্স্ট ফেব্রুয়ারী আওয়াড় মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ ড্যায়। ইনফ্যাট নট ওনলি আওয়াড়র্স, ইট’স ফর হোল ওয়ার্ল্ডস। এই দিনে অনেক ফ্রেন্ডস যুদ্ধে মাড়া গিয়েছিলো ফ আওয়াড় ল্যাঙ্গুয়েজ। ঠুড্যাই উই সেলিব্রেট ইট উইথ আওয়াড়স ফ্রেন্ডস এন্ড সাম রকিং সংগস। আমাদের সাথে যোগ দিতে তোমড়া আমাকে টেক্সট করতে পাড়ো। এজন্য তোমাড় মোবাইলের মেসেজ অপশনের গিয়ে তোমাড় নাম স্পেস লোক্যাশন স্পেস তোমার মেসেজ আর পাঠিয়ে দাও ৪২০ এই নম্বড়ে।

আড় জানো ফ্রেন্ডস আমি আজ কোথা থেকে সেজেছি?? উইমেন্স ওয়ার্ল্ড থেকে ফার্নাজ আপ্পির সেই মাথায় হেটয়ালা সাজটা, ইট লুকস সোওওওও ডিফ্রেন্ট এন্ড আ’ম সো এক্সাইটেট!! চাইলে তোমড়াও ট্রাই করতে পাড়ো।

এনিওয়েজ কিছু টেক্সট পড়ে নেই। হেমায়েত পুর থেকে সমদ আলী লিখেছে, “আপ্পি জানো আজ আমি আর আমাড় জিএফ ফার্স্ট দেখা কড়বো, কিন্তু একটু একটু নার্ভাস লাগছে”....... হাউ সুইইইইইইইইইইট, হোয়াট এ রোমেন্টিক!!! ক্যায়া বাত হ্যা। আরে নাড়ভার্স কিসের জন্য??? পাতা নেহি তুনে বো ডায়ালগ, পেয়ার কিয়া তো ডাড়না কেয়া। সো নো ফিয়ার ম্যাআআআআআআন। ল্যাটস চিল।

ভূতেড় গলি থেলে খুলসুম লিখেছে, “ আপ্পি জানো ঠুডে আ’ম সো আপসেট।”
হোয়াই ব্যায়বি, আমাদের খুলসুম আপ্পি কেনো আপসেট এমন এক উৎসব মুখর দিনে? হোয়াই? ফ্রেন্ড’সড়া সবাই জানতে চায়। তুমি খেন আপসেট তা জানিয়ে আবাড় আমাদের মেসেজ কড়ো ৪২০ এই নম্বড়ে আড় চলো ফ্রেন্ডস আমড়া এই ফাকে শুনে আসি ঠুড্যাইস থিম সং উইমেন্স ওয়ার্ল্ড প্রেজেন্ট ফার্নাজ ফিচাড়িং অ্যালম “আমাড় ব্রোড় ড়ক্তে ড়াগানো টুয়েন্টি ফার্স্ট ফেব্রুয়াড়ী, আমি কি ফগেট কড়তে পাড়ি”
স্টে টিউন উইথ ফরটি টু পয়েন্ট ও ও এফেম............ সো হিয়াড় উই গো...

[এলাকায় শহীদ মিনার বানাইতে বানাইতে দেখি পোলাপাইনে “ লুঙ্গি ড্যান্স”/ “কিউ কি তুম হি হো” গান ছাইড়া নাচে!!!!!! অফিসের বসেরা গাইল্লানির সময় খাটি বাংলায় গাইল্লায় কিন্তু ইন্টারভিউতে ভদ্র কথাডি কওয়ার সময় কয় ইংলিশে(মনেহয় বাংলায় কোন ভদ্র কথা নাই, খালি গালিই আছে)!!! বিউটি এক্সপাটেরা শোকের দিনে আধা নাঙ্গা মডেল দিয়া শহীদ দিবসের সাজ বাহির করে!!! কপত কপতিতা শোক দিবসেরে ভ্যালেন্টাইস ডে বানায়া পার্কে চুম্মা চাটি করে!!! ইয়ো ম্যান ডিজে-আরজেরা কিযে করে তা তো উপরে বল্লামই।

মাননীয় ভাষা শহীদেরা, তোমগো জানা নাই যে তোমরা কত বড় হাই লেভেলের বেকুব আছিলা (২৬শে মার্চের দিন একি কথা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের কমু আইজগা ছাইড়া দিলাম).... হুদাও অপাত্রে রক্ত দান না কইরা এর থে বউ পোলাপাইন নিয়া সুখে দিন কাটাইতা হেইয়াই ভালো আছিলো। এই জাতি মানির মান দিতে জানে না....
উই আর এক্সট্রেমলি সরি...

উপস.... আন্তরিক ভাবে দুঃখিত....  ]

বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

এক লোক প্রাইভেট গোয়েন্দা নিয়োগ করার আগে

এক লোক প্রাইভেট গোয়েন্দা নিয়োগ করার আগে গোয়েন্দার ইন্টার ভিউ নিচ্ছে।

ক্লায়েন্টঃ “আচ্ছা কোন খুন এর তদন্তের ক্ষেত্রে আপনি সর্ব প্রথম কি কাজ করেন?”

গোয়েন্দাঃ “খুন বেশির ভাগ সময় হয় ছুরি অথবা পিস্তল এর মাধ্যমে। আমি প্রথমে ঐ ছুরি বা পিস্তলটা খুজে বের করে তা থেকে ফিঙ্গার প্রিন্ট বের করি।”

ক্লায়েন্টঃ “গুড এর পর কি করেন?”

গোয়েন্দাঃ “এর পর আমি ঐ ফিঙ্গার প্রিন্ট নিয়ে জ্যোতিষীর কাছে যাই। জ্যোতিষী যদি হাতের ছাপ দেখে বলে যে ঐ খুনির ভাগ্য রেখায় জেল লেখা আছে তাহলে বাকি তদন্ত করি নাহলে তদন্ত এখানেই পেকআপ। যার ভাগ্যে জেলই নাই শুধু শুধু তার পিছে সময় নস্ট করে লাভ নাই!!!!!!!”

বাংলাদেশের ক্রিকেট বলেন আর ফুটবল বলেন, গত কয়দিনের খেলা দেখে যা বুঝলাম খেলোয়াড়েরা তাদের সাধ্যের সব টুকু দিয়েই চেস্টা করেন কিন্তু বাংলার কপালে জয় লেখা নাই 

তাই এখন চিন্তা করতাছি জ্যোতিষীরে জিগায়া খেলা দেখতে বসমু। যদি কয় আইজগা জয় আছে তাইলে দেখুম নাইলে হুদাও সারাদিন টাইম ওয়েস্ট কইরা শেষ মূহুর্তে হার্ট এটাক এর রিক্স নিয়া কাম নাই