শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১৪

শো অফ

স্টাটাসঃ 
“মানুষ ক্যান যে এত শো অফ করে বুঝি না। আরে ভাই তোর ২৫হাজার টাকা দামের গ্যালাক্সি ফোন আছে ভালো এইডা এতো দেখানির কি আছে?? আমি কি কখনো বলছি যে আমার আই ফোন আছে?? ওইটার দাম দিয়া তোর দুইটা সেট কিনা যাবে, বাট আমি কখনো এইটা নিয়া শো অফ করছি?? যত্তসব”
.
কমেন্টঃ 
“ভাই চামে তো ঠিকি বুঝায়া দিলেন আপনার আইফোন আছে। এটাও কিন্তু শোঅফ। আমাকে দেখেন, আমি কিন্তু কখনো বলি নাই যে আমার মার্ক থ্রি ক্যামেরা আছে। ওইটা দিয়ে তো আইফোন আই প্যাড কিনেও আরো টাকা বাকি থাকবে  ”
.
রিপ্লাই কমেন্টঃ “ ভাই আপনে মার্ক থ্রি দিয়াই আমারে এক হাত নিলেন। আমি ঐ হিসাবে স্টাটাস দেইনি যাই হোক বলে রাখি আমার ৫লাখ টাকা দামের রোলেক্স ঘড়ি দিয়ে আপনার দুইটা মার্ক থ্রি কিনা যাবে :3”
.
কমেন্টঃ “৫লাখ ঘড়ি নিয়াই এত হ্যাডম!! ঘড়ি তো নিজের, অন্যের জন্য কিছু করেন। আমার বিয়েতে আমি আমার ওয়াইফ কে ২০ ভরি স্বর্ন দিয়ে সাজিয়ে ঘরে আনছি। ২০ ভরি। আমার বিয়ের এলবাম দেখেন, কোথাও কিন্তু এটা লেখি নাই।  ”
.
রিপ্লাই কমেন্টঃ “ ওয়াইফ তো নিজের ঘরেই আসে, সো তারে যা দিবেন তা আবার ঘুইরা নিজের কাছেই আসে। অন্যকে দেয়ার কথা যখন বললেন তাহলে বলি আমি আমার বান্ধবীকে বিয়েতে ১২লাখ টাকা দামের ডায়মন্ড সেট গিফট করছি। এটা শো অফ করবো কি কাউকে বলি নাই, এমনকি আমার ওয়াইফো জানে না হুহ.....”
.
ওয়াইফের কমেন্টঃ “আইচ্ছা   ”
.
.
সবাই স্মার্টলি বুঝাইতে চায় তার কি কি আছে বাট সে শো অফ করে না।  কিন্তু ওভারস্মার্ট হইলে আবার ঝামেলা, তখন এমন এক ওয়ার্ডের “আইচ্ছা” কমেন্ট শুইন্নাই সব “শো” পুরাপুরি “অফ” হইয়া যাইবো। সো সাধু সাবধান।
.
বাই দ্যা ওয়ে, আমার যে একটা মোবাইল আছে যেটায় ছবি তোলা যায়, ভিডিও করা যায়, গান শুনা যায়, ভিডিও দেখা যায়, টর্চ জ্বালানো যায়, গেম খেলা যায়, ক্যাল্কুলেটারে হিসাব করা যায়, এলার্ম বাজানো যায়, ঘড়ি দেখা যায়, নেট চালানো যায়, গাছের আম পাড়া যায়। আমি কি কখনো এইসব বলছিলাম?? আর দাম তো বলিই নাই। এক লাখ ঊনষাট হাজার পয়সা (১,৫৯,০০০পয়সা)!!
.
একটা আইফোনের দাম কত?? ৭০-৮০ হাজার টাকা। ঐ টাকা তো আমি ৫ মিনিটে তিন বার গইন্না ফেরত দিতে পারমু। কিন্তু ওয় পারবে ১,৫৯,০০০পয়সা ৫ক্যান ২৫ মিনিটেও গনতে??
আমি কি কখনো এতো দামি (!!) সেট নিয়া শো অফ করছি?? করছি বলেন?? যত্তসব  

বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৪

ফয়িন্নিগোরে ফেসবুক আইডি খুইল্লা দেছে কেডা

“ভাই আমি সেলিব্রেটি ছিলাম, রিকুটা এক্সেপ্ট করেন”
- “সেলিব্রেটি ছিলেন!!?? কোন চ্যানেলে দেখায়, দেখছি বইলা তো মনে পড়ে না’
“আরে টিভিতে না, ফেসবুক সেলিব্রেটি ছিলাম। ঐ আইডিটা নষ্ট হইয়া গেছে। এইটা নতুন। এইটাতেও কয়দিনের মধ্যে সেলিব্রেটি হইয়া যাবে”

- “বুঝলাম না কাহিনি। সেলিব্রেটি ছিলেন এখন নাই, আবার কয় দিনের মধ্যে হইয়া যাইবেন!! সেলিব্রেটি হইয়া থাকলে তো সবাই চিনবে, নতুন কইরা হওয়ার কি আছে??”

“আরে বুঝেন নাই? আমার ঐ আইডিতে ৫০০০ ফ্রেন্ড ছিলো। এইটায় তো এখনো ৫০০০ ফ্রেন্ড হয় নাই, তয় হইয়া যাবে কয়দিনেই। এক্সেপ্ট করেন, কয়দিন পরে আমিও আপনার মত হইয়া যাবো, সমান সমান”

- “আমার মত হইয়া যাবেন মানে?? ”
"মানে আমার কিছু সেলিব্রেটি ফ্রেন্ড দরকার যারা আমার পোস্টে লাইক কমেন্ট করলে অনেক ফ্রেন্ড রিকু আসবে আর আপনের মত সেলিব্রেটি হইয়া যাবো। আপনার ৫০০০ ফ্রেন্ড হইছে না??”
.
- “আমার তো ৫০০০ ফ্রেন্ড হয় নাই, হবেও না কোনদিন।”
“ওহো, ৫০০০ ফ্রেন্ড নাই!! তাইলে তো আপনে সেলিব্রেটি না। আচ্ছা থাক”
 
.
.
.
এই ফয়িন্নিগোরে ফেসবুক আইডি খুইল্লা দেছে কেডা!!

বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৪

ছবি দেইখা বদজম

এক আফার সাথে কয়েক দিনের কথোপকথনঃ (হুবহু এমন না শুধু সারমর্ম দিছি)
একদিনঃ
“ফেসবুকে তোমার ছবি দাও না ক্যান?? ”
< “চেহারা ভালা না  ”
.
পরেরদিনঃ
“ঐ তোমার ছবি দেও প্রোফাইলে দেখি, কি এক পিচ্চির ছবি দিয়া রাখছো”
< “আমার ছবি দিলে আর ভূলেও চাইবা না প্রোফাইলের দিকে, এরচেয়ে পিচ্চিরেই দেখো  ”
.
আরেক দিনঃ
“তুমি কি মাইয়া যে পর্দা করতাছো। প্রতিদিন যার স্টাটাস পড়ি তার চেহারাই দেখুম না এইডা ক্যামন। আজকে আপলোড করো ”
< “ বাহিরে যাইতাছি, পরে আইসা চিন্তা করুম আমি পোলা না মাইয়া  ”
.
অন্য একদিনঃ
“ওকে তোমারে প্রো পিক দিতে হবে না, ইনবক্স করো একটা ছবি”
< “চেহারা জাতে উঠুক এর পরে করুম, নাইলে বদ হজম হইবো  ”
“ঐ ছ্যামড়া আমি কি তোর লগে প্রেম করুম নাকি যে চেহারা জাতে উঠতে হবে?? এতো ভাব লস ক্যান, ছবি পাঠা”
.
.
আসলেই ভাব বেশি হইয়া যাইতাছে, একটা ছবি পাঠাইলাম।
.
.
অতঃপর আপা আর কোনদিন আমারে নক করে নাই 
আগেই কইছিলাম, খোমা দেখবার চাইছ না বদহজম হইবো 

সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৪

Everything is fair in Love &……….

(রাফ ওয়ার্ড ইউজ করার জন্য আগের দুঃখিত)
আমার এক স্কুল ফ্রেন্ড কি একটা ব্যাপারে জানি একবার কইছিলো
“একটা জিনিস খেয়াল করে দেখিস যারা রাস্তার পাশে দাঁড়াইয়া মুতে তাদের শরম পাওয়া উচিৎ বাট তারা শরম পায়না কিন্তু যারা রাস্তা দিয়া হাইটা যায় তারাই বরং শরমে তাকায় না!!”

ইদানিং ব্যাপারটা উপলব্ধি করতাছি একটু অন্য ভাবে। যারা রিক্সায়/পার্কে চুম্মা চুম্মি বা স্পর্শকারতর জায়গায় হাত চালাচালি করে তাদের কোন শরম নাই কিন্তু যারা গুড়াগাড়া পোলাইন বা ময়মুরুবির সাথে রাস্তায় বের হয় উল্টা তাদেরই ইমব্রেসিং অবস্থায় পড়তে হয়!!

আগেতো তাও রিক্সায় হুড উঠায়া আন্ধার এলাকায় গেলে এর পরে করতো। এখনতো দেখি কপত কপতিরা দিনে দুপুরে হুড নামাইয়াই করে!! আর পার্কে তো আমার মনেহয় একমাত্র ভোরবেলা জগিং করা ছাড়া অন্য টাইমে ফুল ফ্যামেলি নিয়া যাওয়া পসিবল না।

তো এই চুম্মাচাটিয়ালা লাভলুগোরে কই, এডি যদি শুধুই “জাস্ট ফান” হইয়া থাকে তাইলে বাপ হোটেলে যা। প্রস্টিটিউটডিও মনেহয় তোগো চেয়ে অন্তত ভালা আছে। আকাম কুকাম যাই করে হোটেলে করে, কার্তিক মাসের কুত্তার মত রাস্তায় না।

আর যদি এডি ‘শো ষুইট ভালোবাসা’ হয়ে থাকে তাইলে কই, স্কুল কলেজ ভার্সিটি লাইফে এমন শো ষুইট ভালোবাসায় বহুত দেখছি। নিজের চোক্ষে দেখা ইতিহাস বলে কুত্তার যেমন জোড়ার ঠিক নাই।
মানে কোন কুত্তা কোন কুত্তির লগে কখন কোন জায়গায় কি যে করে তার যেমন কোন ঠিক ঠিকানা নাই তেমন এইসব “শো ষুইট ভালোবাসাও” শেষ পর্যন্ত জোড়া ঠিক থাকে না। টুনা টুনির ভালোবাসা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ‘ভালো’ একটা ‘বাসায়’ যাইয়া বাসা বাধার আগেই ক্যান জানি শেষ হইয়া যায়।

আর যদি “ইভরি থিং ইস ফেয়ার ইন লাভ এন্ড ওয়্যার” এই নীতিতে বিশ্বাসী হন, তাইলে সুযোগ বুইঝা খাইয়া দাইয়া আখের ছোবড়া বানায়া ডাস্টবিনে কেউ ছুইড়া ফালায়া দিয়া গেলে তখন আবার আকাশ বাতাস কাঁপায়া হা হুতাশ করতে করতে গলায় দড়ি প্যাচায়া ফ্যানের লগে ঝুইল্লা পইড়েন না।
Because you know, Everything is fair in Love &………..  

শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৪

ডাইরেক্ট মা!!!

“পায়ে কি হইছে?”
< “স্টাটাস পড়ে দেখ”
“স্টাটাশে তো লেখা ঠেং এর হাড্ডি ডিস্প্লেস। ডিস্প্লেস কা মতলব ক্যায়া?? কাইন্না আঙ্গুল বুইড়া আঙ্গুলে চইলা আসছে নি ”

< “থাপ্পর খাবি, ব্যাথায় মইরা যায় আর ওয় ফাইজলামি করে ”

“ও তাইলে তো দেখি ভালই ডিস্প্লেস হইছে। ব্যাথা পায়ে বাট এফেক্ট মাথায়। মাথা গরম!!”

< “থাপ্পর খাবি, হাজার হইলেও তোর not be would be teacher”

“ইয়াহ আই নো। হেই কালে ফেসবুক থাকলে আমারে প্রতিদিন রইদে শুকানির টিচারেগো প্রত্যেক্টা মোমেন্ট ফেসবুকে চিপ্পা চিপ্পা উসুল করতাম  এনি ওয়ে ফেবুক বাদ দিয়া রেস্ট নেন”
< “ hum shuyecshyye” (পুরা কনভার্সেশনই বাংলিশে, আপনাদের সুবিধায় বাংলায় দিছি শুধু এই দুই লাইন বাদে)

“shuyecshyye এর বাংলা কি?? আমি চাইনিজ ভাষা পারি না”

< “are gadha shuye shcyee ”
“মাফ করেন। সামনে দেখা হইলে থুক্কু কথা হইলে পরে বুঝুমনে এইডা কি জিনিস. প্রো পিক কি আজকে তুলছেন?”

< “আরে বললাম বাসায় শুয়েই আছি”
“আমি তো দেখতাছি ছবিতে দাড়ায়া আছেন!! ”

< “ঐ ছাগল ছবি ঠেং ভাঙ্গার আগে তোলা, আমি এখনের কথা বলছি  ’
“নো চেঞ্জ!! আগেও টিচারেরা আমারে গাধা/ ছাগল কইতো!! এখনো কয়!! ”

< “ফেসবুকে ছবি দাও না ক্যান? তোমাকে দেখতে চাই”
“হায়লা!! তুই থেকে ডাইরেক্ট তুমি!! আবার ‘দেখতে চাই!!’ শাহরুখ-সুস্মিতার ম্যা হুনা ছবির গন্ধ পাই  ”

< “থাপ্পর খাবি ফাজিল ছ্যামড়া। আমি তোর চেয়ে দুই বছরের বড়, আর তর মায়ের মত...’
.
.
.
আগে তোও ফাইজলামি করবার চাইলে কেউ কেউ ভইন বানায়া দিতো। তাও ভালা। ভইন মানেই কি আপন ভইন নাকি? ভইন খালতো হয় মামতো হয় সো চালায় দেওন যায়।
এইবার কি হুনলাম!! “তর মায়ের মত!!” কিন্তু মা তো খালাম্মাও হয় চাচিআম্মাও হয় বাট................
এবার তো জবান পুরান বন্ধ কইরা দিছে 

বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৪

৭১ এ ফেসবুক থাকলে যা হইতে পারতো

আজকে Arif R Hossain এর স্টাটাসে “ভাগ্যিস ৭১ এ ফেসবুক ছিল না..” এই লাইনটা দেখে নয়া চিন্তা মাথায় ঢুকছে। ১৯৭১ এ ফেসবুক থাকলে কি হইতো?
ভালো খারাপ অনেক কিছুই হইতো। দেখি তার কিছু কাল্পনিক নমুনা।
.
১. ২৫শে মার্চ কালো রাতে পাক হানাদার বাহিনী বাংলার নিরিহ মানুষ উপর হামলা করছে। একটি লাইক একটি থাপ্পর, একটি শেয়ার একটি লাথি।
২. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। তার জন্য কয়টি লাইক??
.
৩. স্বাধীনতার ঘোষণা মেজর জিয়াউর রহমান দিয়েছেন, কিন্তু কিছু মিথ্যুক সেলিব্রেটি সেটা শেখ মুজিবের নামে প্রচার চালাচ্ছে। শুধু লাইক বেশি হলেই সত্য ঢেকে দেয়া যায় না...

৪. ফ্রেন্দ, আমি ফোর জি একতিভ গুবায়ের(জুবায়েরের টাক্লিশ ভার্সন) তোমারা সবাই গানো(জানো) দেশে গুদ্ধ শুরু হয়েছে। গুদ্ধ শুধু অফলাইনে না অনলাইনেও করতে হবে তাই আমার অনেক একটিভ ফ্রেন্দ দরকার। সো প্লিজ এদ মেহ।

৫. এই যুদ্ধের ময়দানে এক ভাই নামাজ আদায় করছেন। সোবাহানাল্লাহ। তার জন্য কয়টা লাইক?

৬. উফফফ কিছু ভালো লাগেনা। দেশে যে কি গ্যাঞ্জাম শুড়ু হলো Frendzzz দেড় সাথে KFC তে হ্যাং আউট কড়তে পাড়ছিনা, বাহিড়ে কোথাও ঘুড়তে যেতে পাড়ছিনা, আমার বাবুটার সাথে মিট কড়তে পাড়ছি না... আড় ভাল্লাগে না!!

৭. আপনারা যারা যুদ্ধে যেতে পারছেন না তারা চাইলে অনলাইনে বসেও যুদ্ধ করতে পারেন। আমাদের অস্র কেনার জন্য প্রচুর অর্থ দরকার। আপনারা নিচের ইভেন্টে যোগ দিয়ে বিকাশ নম্বরে অর্থ সাহায্য করেও যুদ্ধে পরোক্ষ ভাবে অংশগ্রহন করতে পারেন।
.
৮. নিচের এই লিং টা এক পাকিস্তানী মেজরের। সবাই রিপোর্ট করুন। ফেসবুকে কোন পাকিস্তানির আইডি রাখতে দেয়া যাবে না। (ততক্ষনে তার বাসার দড়জায় আরেক পাকিস্তানী মেজরে খট খটানি শুরু কইরা দিছে)

৯. আধুনিকতার এই যুগে সবার হাতেই একটা করে মোববাইল থাকা স্বাভাবিক। আবার দেশে যুদ্ধের কারনে অনেকের আয় ইনকাম বন্ধ। কিন্তু এই টাইমটা আপনি মোবাইল দিয়ে ঘরে বসেই দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম করতে পারেন। আপনি শুধু নিচের লিঙ্কটিতে ঢুকুন। ওখানে কাজগুলো যথাযথভাবে করলেই আপনি পাবেন ৫০০ টার ফ্লেক্সিলোড!

১০. মসজিদ নামাজ পড়ার জায়গা, আর দেখুন কিছু মানুষ মসজিদে আশ্রয় নিয়ে এটাকে বেডরুম বানায়া ফেলছে। মুসলিম হয়ে আরেক মুসলিম ভাই কে ভয় পাওয়ার তো কিছু নাই, ভয় পেলে আল্লাহকে পেতে হবে। সুতারাং এরা কেউ মুসলমান না, সব নাস্তেক। এদের পুশি চাই। 
.
১১. যুদ্ধ নিয়ে একটা গল্পের প্লট মাথায় ঘুরছে, যে কোন সময় লিখে ফেলতে পারি। পর্ব আকারে প্রকাশ করা হবে। যে যে ট্যাগ পেতে চান কমেন্ট করুন।

১২. যশোরে কিছু মুক্তিযোদ্ধা ভাইয়ের জন্য প্রচুর রক্ত প্রয়োজন। A+, b+ O- … যোগাযোগের নম্বর ০১৯১***** (যদি ফেবুক থাকতো তাইলে ভালোর মধ্যে মনেহয় এই একটাই হইতো)
.
১৩. পাক হানাদার বাহিনির ভয়ে সবাই সব কিছু ফেলে পালাচ্ছে, কিন্তু এক জন দেখেন তার গরুটি কে এই দূর্দিনে ফেলে না রেখে সাথে করে নিয়ে যাচ্ছে। তার জন্য একটি লাইক= একটি সেলুট!!
.
১৪. দেশে যুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছে। শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন। এমন আরো লেটেস্ট নিউজ পেতে আমাদের “রেডিও যুদ্ধ” পেইজে লাইক করুন।

১৫. যে ৯টি গুন থাকলে আপনি ঘরে বসেই দেশ স্বাধীন করতে পারবেন তা জানতে ক্লিক করুন ‘প্রিয় যুদ্ধ ডট কম’ এ।
.
১৬. "ধর্ষনের জন্য মেয়েরা দায়ী, তারা হানাদার বাহিনীর সামনে দিয়ে এভাবে বেপর্দায় চলাফেলা করলে ধর্ষন তো হবেই" 

১৭. আর সবচেয়ে বেশি যেটা থাকতো, "মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে সেলফি"/ "নিহত পাক সদস্যের লাশের পাশে সেলফি"/" ট্যাংক এর কামানের আগায় বসে সেলফি "সেলফি ইন যুদ্ধের ময়দান উইথ ফরটি আদার্স পিপল ফিলিং এক্সাইটেড" 
.
.
আসলেই ভাগ্যিস তখন ফেসবুক ছিলো না 

বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৪

পিম্পল সার্জারী!!

এক আপুর স্টাটাস, “হসপিটালটা ভালই। আর অপারেশন ড্রেসটাও আরো জোস.. থ্রি কোয়াটার উইথ টপ। বাট এর পরো ফিলিং ভয় ভয়”


উদবিগ্ন ভাই বেরাদরদের কমেন্টঃ
“ক্যান হি হইছে?”
“কিসের অপারেশন?”
“হসপিটালে ক্যানো!!”

আপার রিপ্লাইঃ “নাকে পিম্পল সার্জারী ”
 


এই পৃথিবীতে আর বাইচ্চা থাকার কোন মানে দেখতাছিনা। মনডা কয় নেটের তারডা গলায় পেচায়া ফ্যানের লগে ঝুইল্লা পড়ি