সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৪

হিসু!!!


আমার লগে যে ইদানিং ইনবক্সে কি শুরু হইছে। আমার আর নয়া কোন স্টাটাস লেখন লাগবো না ইনবক্সের তামাসা দিয়া দিয়াই দিন পার হইয়া যাইবো।

এক আপায় আমার সুসান (Susan) নামটা শর্ট কাটে বলে সু (su). তো গতকালকে উনার মেসেজ, 
"hisu"
মেসেজ দেইখা তো আমি তব্দা!!! তোর হিসু ধরছে তো আমারে কস ক্যা?? বাথরুমে যা!!!

১৮ ঘন্টা পরে উনার উত্তর
"উপস!! সরি সু মাঝখানে একটা স্পেস হবে"
মানে উনি কইতে চাইছিলো "hi su"... একটা স্পেসের গালতির কারনে হইয়া গেল "হিসু!!!"  

আল্লাহ বাচাইছে আমি আইজ পর্যন্ত গুড পাওয়ার মত কোন কাজ করি নাই। তখন হয় তো জনগন আমারে মেসেজে "গু" সেন্ড করতো আর ১৫-২০ ঘন্টা পরে কইতো "উপস!! সরি 'গু' এর পরে 'ড' টাইপ করতে ভূলে গেছিলাম!!" 

রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৪

ভাব নেন না?

“হাই”
.
.
< “হ্যালো” (অনেক্ষন পর)
“ভাব নেন, না??”
< “কি ভাব লইলাম!!”

“এইযে এতো পরে রিপ্লাই দিলেন”
< “ ও আচ্ছা। অন্য রুমে আছিলাম তাই দেখি নাই”
“হুম এমন ভাব সবাই নেয়। একটা মেয়ের প্রথমে হাই দিছে, একটু ভাব তো নিবেনই”
< “মহাজ্বালা। যদি ভাবই নিতাম তাহলে এখন সাথে সাথে রিপ্লাই দিতেছি ক্যান??”
“আশে পাশে হয়তো ফ্রেন্ডদের সামনে ভাব মারতেছেন যে একটা মেয়ের সাথে চ্যাট করছেন!! ”

< “আচ্ছা তাহলে আর চ্যাট করবো না। বাই।”
“একটা মেয়ের মুখের উপরে চ্যাট করবো না বলে দিয়ে ভাব নেন??”
< “ও চ্যাট অফ করলেও ভাব!! আইচ্ছা তাইলে কথা কইতে থাকেন আমিও উত্তর দিতে থাকি”

“ইসস কি ভাব!!  একটা মেয়ে বলছে তাই তাঁকে এখন চ্যাট করতেইইইইইইই হবে ”
< “ তো অখন আমি কি করলে খুশি হইবেন??”
“একটা মেয়েকে খুশি করায়া ভাব নিবে না??”
< “তাইলে কি করলে গোসসা করবেন হেইডা কন”
“হুম সবই বুঝি। আগে গোসসা করায়া পরে আবার অভিমান ভাংগায়া হিরো সেজে ভাব নিবেন”
 
.
.
কিছুক্ষন পর
“কি হলো কথা বলেন না ক্যান?? আমি জানি আপনি অনলাইনে”
< “ইচ্ছা কইরাই কথা কইতাছিনা। যা কই তাতেই দেখি আপনার প্রবলেম”
“একটা মেয়ের উপরে রাগ দেখায়া ভাব নেন, না?? নাকি অন্য কারো সাথে চ্যাট করছেন?? অনলাইনে কয়জন আছে?”
.
< “জানি না, চ্যাট অফ করা”
“চ্যাট অফ করে রেখে ভাব নেন??”
< “চ্যাট অফ করাতে আবার ভাবের কি হইলো??”

“ভাব নেন??? মনেহয় যেন কিছুই বুঝেন না, ক্যামনে ভাব হয়  ”
.
.
আর কতক্ষন পর
“কি হইলো কথা বলেন না ক্যান?”
< “ভাত খাই।”
“ভাত খাইলে এখন টাইপ করতেছেন ক্যামনে??”
< “থ্যাংকস গড একটা লাইন অন্তত ‘ভাব নেন’ ওয়ার্ড টা বাদ দিয়া কইছেন। btw ভাত হাত দিয়া খাই না। চামুচ দিয়া খাই তাই টাইপে সমস্যা হয় না”
.
“ভাব নেন না?? চামুচ দিয়া ভাত খাই শুনায়া নিজেরে কি বড়লোক প্রমান করতে চান??”
< “ভাবের লাইজ্ঞা না, আমার হাতে সমস্যা তাই চামুচ দিয়া খাই”
“ভাব নেন?? একটা মেয়ের সামনে নিজের অসুস্থতার কথা বলে ইন্ডাইরেক্টলী সিম্প্যাথি নিতে চান না??”
.
< “আপা আমি হাত দিয়াই খাই। আমার হাতে কোন প্রবলেম নাই। এমনেই ভাব লইছিলাম, এলা মাফ করেন”
“সিনেমার শাহরুখের মত নিজের প্রবলেমের কথা বলে আবার তা লুকানোর চেষ্টা করেন!! ভাব নেন না??”
.
< “      ঐইইইইইইইইই তোর মায়রে .......................... .. ডাইক্কা ক তোর মাথায় এত ভাবের ভাবনা কিভাবে ঢুকছে তা ভালভাবে ভাইবা ভালো ডাক্তারের কাছে নিয়া ভাবের সমস্যা ভ্যানিশ করতে    ”
“ ছন্দ করে একটা মেয়ের সামনে ‘ভ’ দিয়া কয়টা ওয়ার্ড মিলায়া ভাব নেন না??”
<  
.
.
.
মোবাইল কোম্পানী আর এই আপার মধ্যে কোন পার্থক্য নাই। আপনি না চাইলেও এই দুই প্রজাতি ঘুরায়া প্যাচায়া একি টপিকে আপনাকে মেসেজ পাঠায়া ইনবক্স ভরায়া ফেলবে।
তাদের মেসেজের মত কথা মানলেও পাঠাবে, না মানলেও পাঠাবে!!  
.
(বিঃদ্রঃ ইহা সম্পূর্ন কাল্পনিক। কারো চরিত্রের সাথে মিলে গেলে "সুসাইন্না ভাব লস না?" এই ডায়ালগ শুনতে বাধ্য নহে  )

শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৪

পইতালের জীবন মরন খেলা

রুগীঃ “প্রচন্ড পেট ব্যাথা করতেছে”
পইতালঃ < “বুটাপেন খান ঠিক হইয়া যাবে”
“আচ্ছা ট্যাবলেট বের করে রাখেন বাথরুম থেকে আসি”
< “বুঝছি কাহিনি, পেট খারাপ। ফ্লাজিল খান”
.
বাথরুম থেকে আসার পর
রুগীঃ “কিছুই হয় নাই”
পইতালঃ < “বুঝছি তাইলে শরীর কষা, মিল্ক অফ ম্যাগ্নেশিয়া দুই তিন চামুচ খান”
“কিন্তু পেট ব্যাথা তো যাচ্ছে না বাড়ছে”
< “ব্যাথা বেশি??? এক কাম করে রোলাক একটা খেয়ে ঘুম দেন ঠিক হয়ে যাবে”
.
আরো কিছুক্ষন পর
রুগীঃ “এখন তো বুকে ব্যাথা করতেছে”
পইতালঃ < “বুঝছি এডি কিচ্ছু না প্রবলেম আসল জায়গায়। হার্টে। কারভিস্টা ১২.৫ খান”
.
“আরে ধূর এখন দেখি ব্যাথা বাম পাশে না ডান পাশে।”
< “ও হো হো হো, গ্যাস্টিক। এইডাই এতক্ষন জালাইতেছিলো। ভ্যাজাইল্লা জিনিস। এন্টাসিড খান”
“কেমন যেন জ্বর জ্বর মনেহচ্ছে”
< “নাপা খান, ঠিক হইয়া যাবে”
.
“মাথাও ব্যাথা করে”
< “ডিস্পিরিন খাইয়া একটা সাউন্ড স্লিপ দেন।”
“বলি কি ডাক্তার দেখাই। আন্দাজে আর কত ঔষুধ খাবো?”
< “টাকায় কি আপনাগোরে চাবায়?? দুনিয়াদারী আমরা চরায়া বেড়াই না?? ডাক্তার না হইলে কি হইছে, ডাক্তারের চেয়ে কি কম বুঝি? ডাক্তার এডিই দিবো মাঝখান দিয়া কয়েকশ তা ভিজিট সাথে কত্তডি টেস্ট”
.
ডাক্তার দেখায়া আসার পরে,
পইতালঃ “দেখি ডাক্তারে কি দিলো?? ও টেস্ট?? কইছিলাম না টেস্ট দিবো। এডি অগো একটা ব্যাবসা”
.
টেস্টের রিপর্টে টিউমার ধরা পড়ছে। এজ সুন এজ পসিবল অপারেশন করারনোর লাগবে
(মানে হার্ট, পের্ট খারাপ, গ্যাস্টিক, মাথা ব্যাথা, পেট ব্যাথার, জ্বরের জন্য যত ঐষুধ খাইছে সবই হুদ্দাই। আর দিনের পর দিন এতোগুলা আজাইরা ঐষুধের সাইড এফেক্ট যে কি তা ডাক্তারেরা ভালো বলতে পারবে আমার এইসব শুইনা হুদ্দাই গায়ের লোম কাটা বানায়া লাভ নাই)
.
পইতালঃ “পেটে টিউমার?? ও আইচ্ছা, রিপর্টে যা লিখলো তেমন বিরাট কিছু না।হুদ্দাই ডাক্তারের কথা মত বিরাট হসপিটালে যাইয়া আজাইরা টাকা খরছ কইরা লাভ নাই। ওরাও এইডা থেকে কমিশন পায় এই কারনেই ঐ হসপিটালে সাজেস্ট করছে। নরমাল একটা ক্লিনিকে অন্য ডাক্তার দিয়া কম খরছেই করা যাবে এইটা”
.
.
অপারেশনের মাঝে ডাক্তার অপারেশন রুম থেকে বের হয়ে জানায়, রিপর্টে একটু ভুল আসছে। টিউমার আছে তবে রিপর্টে যে সাইজ বলছে তার চেয়ে অনেক বড়+ যেই জায়গা দেখাইছে সেই জায়গায় না টিউমারটা। এই ক্লিনিকে অনেক রিস্কি এই অপারেশন। বড় কোন হসপিটালে নিয়ে যান।
.
পইতালঃ “আপনারা আগের ডাক্তারের রিপর্ট দেখেই অপারেশন করতে গেলেন ক্যান?? শিউর হওয়ার জন্য আবার টেস্ট দিতে পারনে নাই!!?? প্রত্যেক ডাক্তার এই সব ব্যাপারে আগের টেস্ট করা থাকলেও আবার সিউর হওয়ার নিজের পছন্দ মত ডায়গনস্টিক সেন্টারে টেস্ট দেয়, আপনারা দেন নাই ক্যান?? এখন অর্ধেক অপারেশন করে বলেন সম্ভব না!! ফাইজলামি পাইছেন!!!” 
.
.
উপরের কাহিনিটা ৩জনের গত ২০-৩০ বছরের কিচ্ছা মিলায়া একটা ‘বেসিক কাহিনি’ বানাইছি কিন্তু ঘটনা সত্য। তিনজনই আমার কাছের মানুষ।
এক জনকে আল্লাহ উদ্ধার কইরা সুস্থ জীবনে ফেরত আনছে, আরেক জন এখন ক্যান্সারে লাস্ট স্টেজে মৃত্যুর সাথে লড়তেছে আর অপর জন কবরে। মোটামুটি এই তিনজনের জীবনেই “পইতাল সমাজ” অতপ্রত ভাবে জড়িত ছিল।
.
হায়াত মৌত আল্লাহর হাতে কিন্তু ভূগে মানুষ নিজের দোষে। এক জন মানুষের পক্ষে ১০০% অলরাউন্ডার হওয়া সম্ভব না। সো যে যেই ব্যাপারে এক্সপার্ট তার উপর দিয়া নিজে নিজে পইতালি করতে যাইয়েন না।
জীবন মরন খেলা কি জিনিস যাগো উপর দিয়া যায় হেরাই টেরডা পায়, আগে বুঝন যায় না, পরে হারায়া বুঝবেন।

বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৪

Add meh ফয়িন্নি

স্টাটাসঃ
“একটিভরা লাইক দেও, আর কার কার লাইক লাগবে কমেন্ট করো। আমারে এড করো, ১০ সেকেন্ডে এক্সেপ্ট”
.
কমেন্টসঃ
১. আমি just now তে লাইক কমেন্ট করার চেষ্টা করি। আমি আপনার পাশে আছি আশা করি আপনি ও থাকবেন।একটিব লাইকার রা এ্যাড দিতে পারস।
২. ┣┫υммxx____মাম্মাহ_____✘____________!!! ツツপাসে আছি→→অলটাইম**লাইক-কমেন্ট** দুইটাই করলাম। আমার টাইমলাইনে একটু ঘুরে আসবেন
৩. вєѕт Ļιкєя αđđ мє σтнєя'ѕ ƒσĻĻσω мє
৪ like back! only active friends add me…
৫.  শুভ সকাল  মামা_________   ভাল থাকবেন আসাকরি # লাইক_কমেন্ট_করি_    ১৬ঘন্টা_একটিব_থাকি এড দেন একটিবরা এপসেট করব 
.
.
একটা টাইমে পেইজ এডিমিন গুলান আছিলো, কিছু একটা পোস্ট দিয়া লাইক ভিক্কা চায়!! মাইনষের পোস্টে আইসা লাইক চাইয়া লিঙ্ক দিয়া ভরায়া ফালায়। এখন শুরু হইছে এডমি ফয়িন্নিগো জ্বালা।
.
আপনি কিছু একটা লিখে ফেসবুকে পোস্ট দিলেন। হতে পারে ফানি/শিক্ষনীয়/ ইমশনাল/মনের সুখকর বা রাগ এর ভাব প্রকাশ/লুতুপুতু টাইপ/রক্ত বা কারো জন্য সাহায্য চেয়ে রিকুয়েস্ট এমন অনেক কিছুই যাকে মোটামুটি মিনিংফুল বলা যায়।
যা পড়ে বা দেখে কেউ হয়তো হাসে, কেউ কান্দে, কেউ কিছু শিখে, কেউ হয়তো আপনার অবস্থা সম্পর্কে জানে বা কেউ কারো সাহায্যে এগিয়ে আসে।
.
এবং ভালো লাগলে লাইক দেয়, আপনি বুঝেন আপনার পোষ্ট এতো এতো মানুষের ভালো লাগছে। আবার সাহায্যের পোষ্টে লাইক-শেয়ারের আরো অনেক মানুষের ওয়ালে তা শো করে। এতে তাড়াতাড়ি হেল্প পাওয়া যায়।
.
আবার একি জিনিস কারো কাছে ভালো লাগে কারো কাছে খারাপ লাগে। এটা জানানোর জন্য শপ/অফিসের “অভিযোগ/পরামর্শ” বক্সের মত কমেন্ট বক্স আছে।
অনেকে এই পোস্টের ভুল ত্রুটি কি তা জানায় কমেন্টে। আপনিও আপনার অপিনয়ন দেন। এভাবে অনেক কিছু শিক্ষা যায়। আর না শিক্ষার থাকলেও অনলাইনে একটা ভালো আড্ডা জমে।
.
অস্বীকার করার কিছু নাই, এইসব লাইক বা কমেন্টে লাখ খানেক ফলোয়ারয়ালা সেলিব্রেটি থেকে শুরু করে আজকে মাত্র ফেসবুক আইডি ওপেন করা নাদান পোলাপাইন সবাই খুশি হয়। এবং সবশেষে নিজের কস্ট করে লেখা (হোক সেটা দুই ওয়ার্ড বা দুইশ ওয়ার্ডের) বা পোস্ট করা ছবির ব্যাপারে একটা সেটিস্ফেকশন কাজ করে।
.
কিন্তু আমারে কন তো উপরের যেই “এডমি/লাইক মি” মার্কা যেই স্টাটাসের স্যাম্পলটা টা দিলাম, এমন একটা লাইক আর রিকু চাইয়া স্টাটাস যদি আপনে দেন আর আপনার ভিক্কাতে সাড়া দিয়া এইডাতে ২-৪শ লাইক বা এই টাইপের কমেন্ট পড়ে তাইলে আপনে কি মজাটা পাইবেন??
.
এগোরে আমার গে/ল্যাসবিয়ানদের মত লাগে। একটা পোলা একটা পোলারে দেইখা বা একটা মাইয়া আরেকটা মাইয়ারে দেইখা কেমনে আকর্ষিত হয় আমার মাথায় ধরেনা। এই এডমি পাব্লিকগো ক্ষেত্রেও ঠিক এমনই। কিছু না লেইক্ষা শুধু লাইক চাইয়া আবার ঐ পোস্টেই লাইক পাওয়া/দেয়া বা এড মি কইয়া আজাইরা ফ্রেন্ড এড কইরা নিজের ফ্রেন্ড লিস্ট ভরায়া ফালায় কি মজা আল্লাহ মালুম।
.
কিন্তু মজা তো অবশ্যই কিছু না কিছু আছে নাইলে তারা এমন মিনিংলেস জিনিস বার বার পোস্ট করেও বা ক্যান আর এই টাপের পোস্টে লাইক কমেন্ট দেয়ো বা ক্যান। যেমনেটা মজা সমকারিরাও তাদের কাজের মাধ্যমে পায় আর আমরা নাক কুচকাইয়া মাথা খাউজ্জাই ‘ক্যামনে সম্ভব!!’
.
এডিরে ব্লক দিতে দিতে ব্লক লিস্টের জায়গাও ফুরায়া গেছে মনেহয়। এখন উভয় প্রজাতির জন্য উপয়ালার কাছে একটাই চাওয়া,
“খোদা জন্মের সময় এগো মগজে ‘ফিলিংস সেন্সর’ টা ইনস্টলে কয়টা ডাটা মিসিং হইছিলো এই কারনে আউলা ঝাউলা কারবারে মজা পায়। কান্ডলি এগো ফিলিংসটা রিসেট কইরা দিয়া আপামর জনসাধারনেরে এই দুনিয়াবি আজাব থেকে উদ্ধার করো.. প্লিজ লাগে ”

বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৪

বালিকা পটানর টিপস

টিনেজ পোলাইনের কাছ থেকে কমন মেসেজ, ভাই বালিকা নিয়া স্টাটাস দেন বালিকা পটানীর টিপস দেন না ক্যা!!!!!!   (আইজ পর্যন্ত নিজেই একখান ভাও করতে পারলাম না আবার আমি দিমু এই বিষয়ে আরেকটারে টিপস!!!  )

যাই হোক, কি করলে বালিকা পটবে তা বালকের চেয়ে বালিকারার ভালো বলতে পারবে। তিনটা প্রশ্নের ভিত্তিতে আলিম ভাইয়ের ব্লগ হতে প্রাপ্ত আইডিয়া+ আমার ফ্রেন্ড সার্কেলের কিছু বালিকাদের মতামত অনূয়াযী নিচে বালিকা পটার কিছু ব্যাপার দেয়া হলো। 

বালিকাদের প্রতি প্রশ্ন তিনটা ছিলোঃ ১. ছেলেদের কি কি পছন্দ? ২. ছেলেদের কি কি অপছন্দ? ৩. কিভাবে অফার করলে আপনি পটে যাবেন?

ফার্স্ট, বালকের কি কি বালিকাদের পছন্দঃ
১. রিক্সা খুজে দেয়া
২. একাগ্রচিত্তে ঘন্টার পর ঘন্টা বালিকার প্যান প্যান শুনার ক্ষমতা
৩. সকাল বিকাল রাতে গুড মর্নিং/ইভিনিং/গুড নাইট বলার জন্য হইলেও কল দিয়ে খোজখবর নেয়া!!
৪. বালিকার বিপদে ঝাপিয়ে পড়ার মানসিকতা
৫. নিয়মিত গিফট দেয়া (আগেই জানি দিবে তারপরো আমি ভাব ধরবো এটা সারপ্রাইজ যাতে
খুশি হয়ে পরে আরো একটা দেয় )

৬. DSLR থাকা জুরুরী তাড়াতাড়ি পটবো!!
৭. বাইক থাকলে আরো ভালো। আরো তাড়াতাড়ি পটবো!!!
৮. নিয়মিত খামচি, মাইর খাওয়ার অভ্যাস থাকতে হবে
৯. মশারী টাঙ্গানো ও ফিল্টারে পানি ঢালার ব্যাপারে দায়িত্বশীল হতে হবে (এটা বিয়া করার পূর্ব শর্ত নাইলে আগেই ব্রেকাপ)

১০. বালিকার সাথে তর্কাতর্কির শেষে রেজাল্ট যাইহোক বালিকার কথাতেই I agree বলতে হবে
১১. বালিকার বান্ধুবীদের বিএফ থেকে এক ডিগ্রী বেশি স্মার্ট হতে হবে
১২. বালিকাকে খোঁচা মেরে কথা বলতে পারবে না তবে নিজে খোঁচা খেয়ে হাসি মুখে হজম করার ক্ষমতা থাকতে হবে
১৩. বালিকা ডাকা মাত্র যেকোন জায়গায় হাজির হওয়া
১৪. ডেটে বাদাম বা ঝলমুড়ি খাওয়ানোর অফার করা যাবে না। (যাবে তবে kfc/ উইম্পি থেকে খেয়ে আসার পরে  )
(২নম্বরটা ছাড়া বাকি একটাও উপরয়ালায় আমার ভিত্রে ইন্সটল কইরা দেয় নাই)

সেকেন্ড, কি কি পছন্দ নাঃ
১. উপরের গুন গুলা না থাকা
২. বেশি কথা বলা
৩. কোন ব্যাপারে সিরিয়াস না হওয়া
৪. কতক্ষন পর পর নাক খোচানো, কান খোচানো
৫. ডেটিং এ আগে আসতে না পারা
৬. ঘাড় ত্যাড়ামি করা
৭. মেয়েটার দোষ নিয়ে কোন কথা বলা

৮. নিজেকে হালকা ভাবে প্রেজেন্ট করা
৯. চাপা মারা
১০. শপিং এ অনিহা
(আপনাদের দোয়ায় ৪নং বাদে বাকি সবকয়ডা দোষই আমার ভিত্রে বিল্টইন আছে 3)

থার্ড+ ইম্পর্টেন্ট প্রশ্ন ছিলো “কিভাবে অফার করলে আপনি পটে যাবেন?”
কমন উত্তর ছিলোঃ “ওরে হারামজাদা এইটা তোরে কমু ক্যা???”


আসল টাই কয় নাই মানে রেজাল্ট জিরো। কস্ট করে অতি আগ্রহের সহিত উপন্যাসটা পড়ে লাস্টে এসে আসল উত্তরই না পেয়ে বেকুব হবার জন্য ধন্যবাদ 

(এইসব টপিক আগ্রহের সহিত যেডি পরে হেরা বেকুবই হয়। এই কারনেই প্রিয় ডট কমের মত ফালতু সাইটেও এতো হিট পড়ে। চালাক পোলাপাইন আগেই নিজের টা ভাও কইরা ফালায়, টিপস টুপস এর দরকার পড়ে না)

মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৪

তিল থেকে তাল

আমি টু আম্মা কথোপকথনঃ
আম্মাঃ “কিরে প্রতিদিন সন্ধ্যার দিকে কই যাছ?? রাত কইরা ফিরছ?”
আমিঃ “একটা দোকানে বসি। সন্ধ্যার পরে রাশ বেশি থাকে তাই। আমার নেট বিলো উঠে, টাইমো পাস হয়, কাজের টাইম কম তাই অন্য টাইমে জবের জন্য পড়াও যায়”
আমাঃ “অকে ভালো, কর”
.
আম্মা টু ফ্রেন্ডের আম্মাঃ
আন্টিঃ “কিরে ভইন তোর পোলার কি অবস্থা?? কোন গতি হইলো?”
আম্মাঃ “সুসান তো একটা ছোট খাটো জব করে। দুপুরে খাইয়া বিকালের দিকে বাহির হয়, রাত কইরা ফিরে”
.
ফ্রেন্ডের আম্মা টু ফ্রেন্ডঃ
আন্টিঃ “কিরে সুসানের আম্মায় কইলো সুসান বলে একটা জব পাইছে। দুপুরের দিকে বাহির হয়, জব শেষ রাত কইরা ফিরে”
.
ফ্রেন্ড টু আমিঃ
ফ্রেন্ডঃ “কিরে তুই বলে জব পাইছোস, তোর আম্মায় কইলো সকালে যাছ রাতে ফিরস। কইলিয়োতো না!!”
.
.
কইছিলাম তিল বানায়া ফালাইলো তাল!! 

সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৪

এইডস ডে

মাদার্স/ফাদার্স ডে তে বলি “হ্যাপি মাদার্স/ফাদার্স ডে”, বার্থডে তে বলি “হ্যাপি বার্থ ডে”, ভ্যালেন্টাইস ডে তে বলি “হ্যাপি ভ্যালেন্টাইস ডে”
কিন্তু আইজগা যে এইডস দিবস, আইজগা কি কমু?? হ্যাপি এইডস ডে!!!?? 
.
যাই হোক একটা পুরান জোকস বলি।
ভ্যালেন্টাইন্স ডে তে ভালবাসার মানুষ না থাকায় অনেকেই হা হুতাশ করেন। এটা নিয়ে এতো হা হুতাশের কিছু নাই। ভালবাসা দিবসে যে সাথে ভালবাসার কেউ থাকতেই হবে এমন কোন কথা নাই কারন এইডস দিবসেও সব মানুষের এইডস থাকে না 
.
কিন্তু ঝাতি যেমনে একেক ভ্যালেনটাইনে একেক “ভালোবাসার” মানুষের সাথে ডেটিং মারে, এমনে চলতে থাকলে উপরের জোকস উল্টাইয়া যাইতে কইলাম আর বেশি দিন লাগবো না। তখন ভ্যালেন্টাইনে সাথে কেউ থাকুক আর না থাকুক এইড দিবসে বেশির ভাগের এইডস থাকাটা অস্বাভাবিক কিছু হবে না। 
অতএব সাধু সাবধান