মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০১৫

BMW

একদিন দুটো আইডির চ্যাট বক্সেঃ
.
মেয়েঃ আমার বয়ফ্রেন্ড আছে squint emoticon
ছেলেঃ আমার BMW আছে sunglasses emoticon
.
মেয়েঃ Ex* boyfriend, (সরি 'Ex' টা মিস্টেইক ছিলো, একটু কারেকশন হবে )
.
.
.
ছেলেঃ *খেলনার- BMW (সরি আমারো 'খেলনা' টা মিস্টেইক ছিলো, একটু কারেকশন হবে) 

সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০১৫

একমাত্র সন্তান

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাপ মায়ের একমাত্র সন্তান গুলারে কিছু না জিগাইলেও একটা কমন ঝাড়ি লইতে দেখা যায়,
“জানস আমি আমার বাপ মায়ের একমাত্র সন্তান”
.
তা তুই তোর বাপ মায়ের একমাত্র সন্তান এইডা কি আমার দোষ? এইডা তো হেগো প্রবলেম, যাইয়া তোর বাপ মারে জিগা তুই দুই-দিন মাত্র সন্তান না ক্যা? ওগো প্রবলেম লইয়া আমার উপ্রে ত্যাজ দেখাস ক্যা??
.
হুদ্দাই ফাপড়..... হুররর 

রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০১৫

আপু মনির স্টাটাসঃ
“একটা মানুষ কালো হয়ে জন্মালো, এটা কি তার দোষ?? সে কি জন্মের আগে তার কালার কাস্টমাইজ করে এর পর জন্মেছে? তাহলে কেন তাকে এতো অবহেলা? কেন তাঁকে এতো বঞ্চনা সইতে হবে? একবার ঐ কালো মানুষ্টার জায়গায় নিজেকে নিয়ে ভাবুন তো কেমন লাগে? দৃস্টিভঙ্গি বদলান এবার।
.
আর মেয়ে তোমাকেই বলছি, কালো ড্রেস, কালো ঘড়ি, কালো গাড়ী, কালো জুতা সব কালো যদি আভিজাত্যের প্রতিক হয় তাহলে কেন তুমি তোমার কালো রং কে ক্রিম মেখে ফর্সা করার পেছনে পড়? কেন কালো চামড়াকে কৃত্রিম মেকাপ দিয়া সাদা করার পাল্লায় যাও?
.
নিজের গায়ে রং লুকিয়ে নিজেকে ফর্সা করার পিছনে পড়া মানে নিজেকেই ছোট করা। সব কিছুতে কালো যদি আভিজাত্য প্রকাশ পায় তাহলে গায়ের কালো রঙ এও আভিজাত্য প্রকাশ করা যাবে। নিজেদেরই দৃস্টিভিঙ্গি বদলানো উচিত তাহলে একদিন অন্যের টাও বদলাবে।”
.
.
.
কিছুক্ষণ পরে ফোনঃ
“ডোস্ট আজকে আমাদের ফ্রেন্ডসদের হ্যাং আউটের দুটো ছবি মেইল করছি। সুন্ডর কড়ে এডিট কড়বি যাতে আমাকে সবচেয়ে সুন্দর দেখায়”
.
< “তুই ত এমনেই সুন্দ্রী আর কি সুন্দর করুম”
.
“নাআআআ আমার ছবি কালো আসছে, আমাকে ফর্সা করবি। অন্যরা যাতে আমার চেয়ে বেশি ফর্সা না দেখায়। এটার কভার পিকে দিব তো kiki emoticon ”
.
.
confused emoticon
ঝাতি নির্বাক
.
(কাহিনি নিজের মত করে বানাইন্না হইলেও ঘটনা সত্য)

শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০১৫

ফুডিস্ট

মাইনসে নরমালী কাপড় চোপড় নিয়া ফ্যাশন করে। এইডার পাশাপাশি একটা টাইমে শুরু হইছে খাওন নিয়া ফ্যাশন। কে কত কম খাইতে পারে বা না খাইতে পারে তার কম্পিটিশন!! 
তখনকার ডায়ালগ ছিলো এমন,
.
“ও মাই গাআআআআড কোক!! নো নো আ’ম ইন ডায়েট” 
.
“দোস্ত আমি কেক খাইনা তাড়পড়ো তোড় বার্থডে, তাই লিল বিট পোড়শোন খাচ্ছি বাট উপড়ের ক্রীম টা খেতে পাড়বো না, ইট’স ফুল অফ মাখন” 
.
“আমি তো ভাত খাইইইইইইইই না, সাড়া দিনে জাস্ট একটা রুটি আর স্যালাড খাই!!”
.
কিন্তু যারা এডি কইতো হেগো কোমর মাপতে গেলে দেখা যায় ফিতা শেষ হইয়া গেছে তাও হের কোমর শেষ হয় না!! colonthree emoticon 
ওইটা আছিলো “ডায়েট কন্ট্রল যুগ”
.
এখন আবার যুগ চেঞ্জ হইছে। এখন উল্টাটা। এখন কে কত্ত বেশি খাইতে পারে, কত বেশি ফ্যাট/রিচ ফুড খাইতে পারে, কে কত জায়গায় খাইসে সেইটা শো অফ করতে পারাটা ফ্যাশন!!
এখনকার ডায়ালগুলা অনেকটা এমন,
.
“ডোস্ট তুই ফাজিতাসের সাবওয়েটা খেয়েছিস? ড়াইফেলস স্কোয়াড়ের টা না, উত্তড়ারটা। ইচ্ছা মত চিজ মেয়োনিজ আর মাস্টার্ড সস দিয়ে খেতে যা ইয়াম্মি নাআআআআ” 
(বুঝাইলো ওয় ধানমন্ডি টু উত্তরা পুরাডা ভাইজ্জা খাইছে) 
.
“কি তোরা নান্না ফান্না খাছ। ঐখানে একটা দোকান আছে ‘কলিকাতা কাচ্চি’। জোওওওস” 
বুঝাইলো উনি এতোটাই ফুডি যে চিপা চাপা সব দোকানই খুইজ্জা খুইজ্জা খায়। (বাট সিরিয়াসলি এই কাচ্চি এক্কারে ফালতু)
.
“ডোস্ট এনজেলস এন্ড জিপসির চিকেন টারিয়াকি খেয়েছিস, আমি তো আমাড় হাব্বিড় সাথে প্রায়ইইইইইইইইই খাই” 
(টাকায় তো চাবায়?? ৬০ টাকার মুরগীর পিস ৬০০ টাকা দিয়া খাইতে যামু)
.
“আই জাস্ট লাভ ফুড ম্যাআআআন। আমি তো একবেলাতে ৮-১০ বার খাই আর ডাবল চিজ এন্ড মেয়োনিজ দিয়ে বাড়র্গাড় ছাড়া লাইফ ইম্পসিবল”
(কয় বছর আগেও ঢাকার পোলাপাইনেরে ধইরা বাইন্ধাও বার্গার খাওয়ান যাইতো না। বছর দুয়েক ধইরা TLC আর ফক্স ট্রাভেলার চ্যানেলের এফেক্টে বার্গার এখন ‘জাতীয়’ খাবার হইয়া গেছে!!)
.
এইডারে কয় “ফুডিষ্ট ফ্যাশনের যুগ”। নিজে কিছু খাইতে পারুক আর না পারুক অন্তত ফেসবুকে নিজেরে ফুডি হইসাবে শো অফে জন্য হইলেও টাকা কত্তডি খরচ কইরা খাওন কিন্না তার বিভিন্ন এঙ্গেলে ছবি তুইল্লা ফুডব্যাংক এর গ্রুপে বিরাআআআআআআট বড় জাজ এর লাহান রিভিউ না মারলে ফ্যাশনে গ্লামার থাকে না colonthree emoticon
.
.
ভাই এলা থাম। যেডি আসলেই খানেয়ালা পাব্লিক হেরা ক্যাম্রা নিয়া এই-হেই রেস্ট্রুরেন্টে দৌড়ায় না। খিদা লাগলে যে কোন জায়গায় নিজেই নিজের পেটের ব্যাবস্থা কইরা ফালায়, ছবি তুলার কথা সব সময় হেগো মনেও থাকে না squint emoticon

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০১৫

২০১৭ এর হরতাল এমনও হইতে পারে

২০১৭ সালের কোন এক শনিবার বিএনপির প্রেস ব্রিফিং সকল টিভিতে দেখাচ্ছে, 
“আগামী রবিবার সকাল ৬টা থেকে টানা ৭২ ঘন্টা হরতাল অবরোধ থাকবে না। দেশবাসীকে এই ফ্যাসিবাদি সরকার এর বিরুদ্ধে হরতাল/অবরোধ করা থেকে বিরত থাকার জন্য বিএনপির পক্ষ থেকে অনুরোধ করা যাচ্ছে”
.
কিছুক্ষন পর জাতির রিএকশনঃ
কয় কি হরতাল অবরোধ নাই!!! তাইলে দেশ চলবে ক্যামনে। gasp emoticon 
আল্লায় জানে কিনা কি হয় সুতারাং
১. রবিবার থেকে পরবর্তী ৭২ ঘন্টা সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা।
২. সকল পরীক্ষা স্থগিত ঘোষনা।
৩. হরতাল না দেয়ায় আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন।
.
৪. হরতাল নাই, সো বাস নাও চলতে পারে আবার ভার্সিটিও বন্ধ এই চান্সে শনিবার রাতেই বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা দেও। ফলাফল শনিবার রাতে বাসস্যান্ড/ লঞ্চ টার্মিনালে মানুষের ভিড়।
৫. হরতাল নাই তিন দিন সো পার্সনাল গাড়ি বের করা যাবে না, কি না কি হবে আল্লায় জানে। ড্রাইভারের ছুটি।
.
৬. গার্মেন্টস মালিকেরা হতাশ। এক দিন হরতাল না থাকা মানে হাজার কোটি টাকা লস। এমনে তিন দিন হরতাল বিহীন দেশ চললে তো ব্যাবসায়ীরা পথে বসবে।
৭.অতি জুরুরী কাজ না থাকলে অফিস বন্ধ থাকবে।
.
৮.হরতাল নাই সুতারাং এই ভয়ে গাড়ি বন্ধ থাকতে পারে সো তরি তরকারী যা কিনার আগেই কিন্না ফালাও, নাহলে দাম বাইড়া যাইতে পারে।
.
.
যেমনে প্রতি শনিবার আইলে ৭২ ঘন্টা হরতাল ঘোষনা আর ৭২ ঘন্টা শেষ হইলে আবার ৩৬ ঘন্টার হরতাল ঘোষনা রুটিন হইয়া দাড়াইছে, এমনে চললে দুই বছর পরে উপরে ঘটনা ঘটা অস্বাভাবিক কিছু না squint emoticon

নারী ছলনাময়ী, নারী মমতাময়ী

যদিও অনেকের খোঁচা লাগতে পারে তারপরো বলি, প্রেম করছে বাট চুম্মাচুমি ডলাডলি এমনকি পার্টনারের সাথে সুযোগ পাইয়া বিছনা পর্যন্ত যান নাই এমন কয় জন দুধে ধোয়া তুলসি পাতা আছে দুইন্নাইতে?
.
আমি বলতেছিনা এইটা ভালা কাম বাট হয় তো? রুবেল-হ্যাপিও সেইম কাম করছে। অন্য দেশের ক্রিকেটারেরাও এরুম করার ইতিহাস আছে, পাকিস্তানী গো তো আরো বেশি আছে। 
.
তো যদ্দুর জানি এরে নাকি রেপ বলে না। বলে 'হাউ রোমান্টিক' বা "শো শুইট লাভ"। আর অন্য কোন নারীর সাথে এডি কইরা ধরা খাইলে হয় 'নারী কেলেংকারী' (যা পাকিস্তানী ক্রিকেটারেদেরই বেশি) তাও এরে ধর্ষন কয় না।
.
তো রুবেলে যেই কাম করছে তা কাজটা খারাপ হইলেও আধুনিক জেনারেশনের হিসাবে এইটাও 'শো শুইট লাভ' বা 'হাউ রোমান্টিং' ই তো হওয়ার কথা বাট হইলো ধর্ষন!!!
কারন হ্যাপি রুবেলের বিরুদ্ধে রেপ কেইস করছে, তার ওয়ার্ল্ড কাপে যাওয়া আটকাইতে অনেক কিচ্ছা কাহিনি করছে। এই নেটের যুগে তামাম দুনিয়া জানছে বাংলাদেশের রুবেল নামের একজন ক্রিকেটার 'ধর্ষক'!! (যা ও' করে নাই বাট আই রিপিট যেইটা করছে ওইটাও ভালো কাজ করে নাই) আর সেই চান্সটাই এখন পাকিস্তানিডি নিতেছে!! (নিজেদের দোষ আটকাইতে হইলে অন্যের দোষ তো খুজবেই এইটাই স্বাভাবিক)
.
এখন ওরে ধর্ষক বানাইলো কেডা? হ্যাপি আপা। এলা হ্যাপি আপার টাইম লাইনে একটু যাইয়া ওনার স্টাটাস সমগ্র একটু দেখেন ওইখানে তার ধর্ষন হওয়ার কোন আলামত আছে না উল্টা রুবেলের জন্য ভালোবাসা ডিব্বা উপচাইয়া পড়তাছে??
.
আবার আইজগা টিভি স্ক্রোলে দেখলাম রুবেলের বিরুদ্ধে মামলা চালাবে না হ্যাপি!! তুই যদি রেপ হইয়া থাকস তাইলে চালাবি না ক্যা মামলা? তোর কি মান সম্মান এর কোন দাম নাই?
আর যদি রেপ না হইয়া থাকস তাইলে হুদ্দাই পোয়াল্ডারে দুইন্নাই মাইনসের সামনে রেপার হিসাবে পরিচয় করাইলি ক্যা??? মামলা না হয় সরায়া নিবি বাট গায়ে যে ধর্ষকের একতা সিল পইড়া গেছে এইটা কে সরাবে??
.
ওয়ার্ল্ডকাপের আগে হ্যাপি আপারে নিয়া অনেকেই বহুত সিম্প্যাথি দেখাইছেন এলা খ্যান্ত দেন।
নারী দুই প্রকার। এক ছলনাময়ী এক মমতাময়ী।
.
ঘুইরাফিরা ক্যান জানি 'ছলনাময়ীডিই' মাইনষের সাপর্ট বেশি পায়। এর পর উল্টা পাল্টা কিছু হইলে মমতাময়ীগুলা গাইল খায়!!!
আজিব এক দুইন্নাই।

সুন্দরেরে অসুন্দর করা আমাদের কাজ

প্রথম যখন হলুদ ব্যাবি ট্যাক্সির বদলে সবুজ সিএনজি রাস্তায় নামলো দেখতে ভালই লাগতো। সাউন্ড কম, সবুজ কালার দেখেতেও প্রাকৃতিক প্রাকৃতিক লাগে, চইড়াও আরাম ঝাকি ঝুকি কম লাগে। সব মিলায়া চক্ষের দেখায় বা চলাফেরায় সুন্দরই বলা যায়।
.
কিন্তু এটা বাংলাদেশ। দুনিয়ার সব দেশে অসৌন্দর্য্যকে ঘইষা মাইজা সুন্দর করে আর আমগো এই দেশে সুন্দরকে উল্টা ঘইষা মাইজা অসুন্দর করে। কখনো এইডা অসচেতনতায় আবার কখনো বাধ্য হইয়া।
.
সিনজি ট্যাক্সি নামার পরে হঠাৎ সিনজি ছিনতাই বাইড়া যায়। চালকরে মাইরা ট্যাক্সি নিয়া যায়।তখন এর সলিউশন হিসাবে চালকের দুই পাশে গ্রিলের দরজা দেয়া হলো। দেখতে কেমন যেন উদ্ভট লাগে।
এর পরে শুরু হইলো সিনজির যাত্রীদের কাছ থেকে মাল পত্র ছিনতাই। সো সলিউশন হিসাবে এবার পুরো সিনজি ট্যাক্সিই সামনে পিছনে গ্রিলের দরজা দিয়া প্যাকেট কইরা দেয়া হলো!!
.
দেখতে আরো উদ্ভট লাগলেও ছিনতাই কিছুটা কমলো। সিনজি ট্যাক্সি তার সৌন্দর্য্য হারাইলো। ড্রাইভার সাবো তার চেম্বারটা বেড রুম মনে কইরা তাতে ব্রাস,পেস্ট,তয়লা,গামসা,গেঞ্জি,ত্যানা সব গ্রিলে সুবিধামত ঝুলানি শুরু করলো। প্রথম প্রথম দেখতে মনে হইতো একটা ভ্রাম্যমান বস্তি ঘর!!
.
এখন আমগো চোখ সওয়া হইয়া গেছে। উল্টা রাস্তায় কোন গ্রীল ছাড়া ট্যাক্সি কালে ভদ্রে চোখে পড়লে ঐটারেই ক্যামন উইয়ার্ড লাগে! confused emoticon
.
তো হাল ফ্যাশনের রাজনীতি এখন প্রেট্রোল বোমা নির্ভর। কিন্তু তাই বইলা তো আর মানুষের চলা ফেরা বন্ধ থাকবো না। একটা সলিউশন তো করন লাগবো। বরাবরের মত আমাগো দেশে সন্ত্রসীদেরই জয় হয় আর সাধারন মানুষদের জেলে থুক্কু খাঁচায় ঢুকন লাগে। এখনো হয়তো শেষ পর্যন্ত সলিউসন ঐ গ্রিলের খাঁচাতেই হইবো।
.
কয়দিন পরে হয়তো দেখমু বাস, ট্রাক, মাইক্রো, জিপ, কার পারলে রিক্সতেও চার পাশে লোহার গ্রীল দেয়া মনেহইবো যেন কয়েদিদের গাড়ি আর আমজনতা হইবো ভ্রাম্যমান কয়েদি!!
.
প্রথম প্রথম উইয়ার্ড লাগবে। দামী দামি গাড়ীর মালিকদের কস্ট লাগবে এত সুন্দর গাড়ি গ্রীল দিয়ে গাড়িটা প্যাকেট করতে। পরে চোখ সওয়া হইয়া যাইবো সিনজি ট্যাক্সির মত।
.
এরপরে হয়তো গাড়িতে বোম মারা হবে না। গনত্রন্ত হয়তো পথচারী মানুষদের উপরেই প্রতিষ্ঠার চেস্টা করা হবে। হাটাচলা করলেও হয়তো বোমে ঝলসাতে হবে কয় জনকে।
.
আবার সন্ত্রসীদের জয় হবে আর আম জনতা এসির গ্রীলের মত নিজের ফিগারের সাইজের গ্রীল বানায়া সেটা পইড়া রাস্তায় বাহির হইবো। প্রথমে উইয়ার্ড লাগবে, এর পরে চোখ সওয়া হয়ে যাবে সিনজি ট্যাক্সির মত। এভাবে চলতেই থাকবে........
.
কারন এটা বাংলাদেশ। যেইদেশে বসে বিদেশীদের মুখে তাদের দেশের বড় বড় দোকান বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গেটে “স্টিলের শাটার নাই শুধু গ্লাসের দরজা” শুনলে রূপকথা মনেহয় squint emoticon