বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৪

কনফিউসড রিলেশন

১. “বয়স তো কম হয় নাই বিয়া করবা কবে??”
< “আরে অচেনা কারো সাথে ঘর করার ইচ্ছা নাই। চিনি না জানিনা শুধু কবুল বলেই একি সাথে বিসনা শেয়ার করো!! উউউহ ডিসগাস্টিং!!”
“ অচেনা মানে!!!?? তোমার বিএফ কই?? ”

< “আরে ওয় কোন জব করে না, অর লগে কি আমার বাপ মায় বিয়া দিবে নাকি”
“জব করবে ক্যান??? ওরতো ব্যাবসাই আছে”
< “আরে এইডা তো ওইডা না। সেকেন্ড টা এটা। কবেই ব্রেকাপ হয়ে গেছে। আমি পরের টার কথা বলতেছি”
“ সেকেন্ড টা!! মানে এর আগে আরো একটা আছিলো!! ”

< “হ, নাইলে সেকেন্ড টা হইলো ক্যামনে  ”
.
.
২. ক্রিং ক্রিং (এক ছেলে ফ্রেন্ডের কল)
“হ মাম্মা কও”
- “মাম্মা না মামী” (মেয়ে কন্ঠ!!)
“মানে কি, আপনে কেডা? ”

< “আরে ব্যাডা ওয় আমার গার্লফ্রেন্ড। কনফারেন্স কল ”
- “ কেমন আছো সুসান??”
“হুম ভালো। তোমার কি অবস্থা??”
-“এইতো চলে খারাপ না, ক্লাস এক্সাম নিয়াই তো বিজি”
“পরীক্ষা কবে শেষ হবে?? দেশে আইবা কবে??”
.
লাইন কাইট্টা গেছে.. একটু পরে আবার ফ্রেন্ডের কল
.
“ঐ হারামজাদা দিছিলো তো প্যাজগী বাধায়া!!”
< “এঁ আমি কি করলাম??”

“দেশে আইবা কবে মানে??”
< “আরে ওয় লন্ডন থাকে না?? তাই তো জিগাইলাম কবে আইবা??”
“ধামড়া লন্ডনীডার লগে বহুত আগেই ব্রেকাপ হইয়া গেছে। এইটা দেশেই থাকে  ”
.
পোলাপাইনে এখন এতো তাড়াতাড়ি রিলেশন চেঞ্জ করে কখন যে কে কার লগে আছে হেইডা ঠাওর করাই মুশকিল 

শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৪

ষাইন্টিষ্ট সুসান

সুত্রঃ
১. প্রত্যেক উপকারের একটি সমান ও বিপরীতমুখী বাঁশ আছে।
২. আবার প্রত্যেক বাঁশের একটি সমান ও বিপরীতমুখী উপকার আছে।
.
বিশ্লেষনঃ ‘আপনে’ সরল মনে উদার হৃদয়ে কাউরে উপকার করবেন দেখবেন উনি আপনার সরলতারে দূর্বলতা ভাইব্বা সুবিধা নিয়াই যাচ্ছে আই মিন বাঁশের পর বাঁশ দিয়াই যাচ্ছে।
আবার উল্টা ভাবে আপনে যদি কাউরে বাঁশ দিয়া যান এবং তাঁর পিছে তারে নিয়া হাসাসাসি করেন, দেখবেন ‘উনি’ কেন জানি সরল মনে আপনের উপকার কইরাই যাচ্ছে!!!
স্যাড বাট ট্রু, অবস্থাভেদে কখনো এই “উনি” চরিত্র টা “আপনি” আবার কখনো “আপনি” চরিত্রটা “উনি”...
আমরা প্রায় সবাই এক গোয়ালের গরু শুধু চান্স পাইলেই হয় 
.
অফ টপিকঃ এই টাইপ সিম্পল সূত্র আবিষ্কার করতে মাথার উপরে আপেল পড়ন লাগে নি??? তাও আবার “টনের” মাথায় কয়েক “গ্রামের” আপেল!! হুররররর
.
আফসোস টপিকঃ কফাল খ্রাফ ঐ কালে আমি পয়দা হয় নাই তাই নামটা ফুটে নাই 
— feeling ষাইন্টিষ্ট.

সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৪

pasa ki??

ফ্রেন্ড লিস্টে নতুন এক ফ্রেন্ড চ্যাটে নক করে কুশল বিনিময় শেষে বাংলিশে ওরফে টাকলা ভাষায় জিজ্ঞাস করলো,
“ পাছা কি?” (pasa ki?)
> “মানে!!!!????”
< “মানে আপনার পাছা কি?” (mane apnar pasa ki?)
> “কি সব বলতেছেন এইসব!!!!!!? আজিব!!!”
< “ আরে আপনার মূল পাছা কি?” (are apnar mul pasa ki?)
> “আপনি কি আমার পেশা কি তা জানন্তে চাচ্ছেন?”
< “হম সেইটাই তো এতক্ষন জিজ্ঞাস করছি, আপনার পাছা কি!!!!!”
এই টাকলা গুলানরে লইয়া যে কই যাইতাম।  

শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৪

সুসান-স্নিগ্ধা

“হেল্লোওওওওও লিসেনার্স, আমি আড়জে অমুক আছি আপনাদেড় সাথে দুপুড়ের আড্ডায়। আজকেড় টপিক ‘আপনাড় কোন ফ্রেন্ড এড় সাথে ফাড়স্ট মিট সবচেয়ে মজাদার ফানি ছিল বলে মনে কড়েন’... আপনাড় মোবাইলেড় মেসেজ অপশনে গিয়ে আপনাড় নাম স্পেস লোক্যায়শন স্পেস আপনাড় মেসেজ এবং সেন্ড কড়ুন ঠু জিড়ো ফাইভ জিড়ো এই নম্বড়ে....”
.
.
কিছুক্ষন পরে, 
“ওখ্যায় আমাড় কাছে কিছু টেক্সট এসেছে। স্নিগ্ধা লিখেছে ‘আমাড় এক ফ্রেন্ড সুসান এড় সাথে ফাড়স্ট যেদিন পড়িচয় হয় সেদিন টা এখনো মনেপড়ে। অনেক ফানি ছিল দিনটা, অনেক মজা কড়েছিলাম বাট এখন আমাদেড় রিলেশন টা ব্রেকাপ হয়ে গেছে’.......... ওউ নোউউউউউ কেনোওওও ফেড়ন্স? হোয়াই ব্রেকাপ। এটা একদম ঠিক না। কেন ব্রেকাপ হয়েছিলো তা আমড়া ফ্রেন্ডরা জানতে চাই। আমাদের জানিয়ে আবাড় মেসেজ কড়ুন ততক্ষনে আমড়া একটা গান শুনে আসি অমুক ফিচারিং তমুক ডিস্কো ব্যান্দড়... স্টে টিউন উইথ আছ.....”
.
.
আমার ফ্রেন্ড গো রিএকশনঃ
“মাম্মাআআআআআআআআ তলে তলে তাইলে এদ্দুর??? আমি লাভ মেরিজ দেখতেইইইইইইই পারিনা নাআআআআ!! হারামজাদা প্রেম পিরিত কইরা আবার ব্রেকাপো কইরা লাইছোস আবার সাধু সাজো!! > ”
.
“কিরে বাপ তুই বলে কোন রিলেশন ফিলেশনের ভিত্রে নাই এখন তো দেখি তোর ব্রেকাপের খবর রেডিও তে প্রচার হয়!!! সত্য কখনো চাপা থাকে না চৌধুরীইইইইই ”
.
“হালার্পো আইজগা তুই আইডিবিতে আইয়। তর আইজগা ব্যান্ড বাজামু। তলে তলে পিরিত মারাও আর আমগোরে প্রেম পিরিত নিয়া সারা দিন খোঁচাও > ”
.
.
(ব্যাকগ্রাউন্ড কাহিনি বলিঃ এটা আরো ৫-৬ বছর আগের কাহিনি তখন ফেসবুক খুব একটা জনপ্রিয় না হইলেও এফ এম রেডিও অনেক জনপ্রিয়। স্নিগ্ধা নামের এক ফ্রেন্ড আছে ওইটার সাথে মাঝখান দিয়ে কথা কাটাকাটি বা মিস আন্ডার্স্টেডিং এর কারনে পুরা এক বছর যোগাযোগই বন্ধ আছিলো।
তো ঐ রেডিওতেও মেসেজ আসলে কে পাঠাইছে বা কারে উদ্দেশ্য কইরা পাঠাইছে আল্লাহ মালুম তয় স্নিগ্ধার নাম আমার সব ফ্রেন্ড্রা জানে আবার সুসান নামে এই দেশে খুব বেশি মানুষ নাই সো সুসান নাম শুনলেই আমার পরিচিত সবাই ধইরা নেয় এইটা আমিই)



আইচ্ছা ব্রেকাপ আর রিলেশন এর বাংলা কি?? আর হাদে কি কই বাঙ্গালীরে ইংলিশ কম কইতে। ‘আমাদের রিলেশন টা ব্রেকাপ হয়ে গেছে’ না কইয়া ‘আমগো ভিত্রে ঠুয়াঠুয়ি লাগছে, এটা আরেকটারে দেখতারিনা। সামনে পাইলে মাডিত পুইত্তালামু’ এইডা কইলেই তো হয়।

হাজার হইলেও বাঙ্গালী ইংলিশ কমবুঝলেও এডভান্স ডিজুস ইংলিশ আরো এডভান্স ভাবে বুঝে। আল্লাহ বাচাইছে এইডা কোন এক মাইয়াই কইছে, কোন ছেলে যদি কইতো “আমাড় আড় সুসানের রিল্যাশন টা ব্রেকাপ হয়ে গেছে” মুখ আর সমাজে দেখাইতে পারতাম না 

শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৪

"মেন্টালিটি গ্রো” করে নাই

১. “ঐ তোর ক্যামেরা টা কয় দিনের জন্য দেছ না। ঢাকার বাহিরে যামু”
< “তা নাহয় দিলাম। বাট কবে যাবি, আর কে কে যাবে?”
“গার্লফ্রেন্ডের সাথে ”

< “ওরে খাইচ্ছে। গার্লফ্রেন্ডের লগে ঢাকার বাহিরে!! দোকলা ফেরত আইবি না এক লগে তেকলা হইয়াই আইবি”

“শুন এই সব ফালতু নেগেটিভ মেন্টালিটি বাদ দে। প্রেম মানেই ঐসব না। এটা অনেক পবিত্র একটা বন্ধন। এডি তুই বুঝবিনা, বুঝলে এতো দিনে তোরো একটা থাকতো। রিলেশনকে রিস্পেক্ট করতে শিখ। তোদের মত যারা রিলেশন কে রিস্পেক্ট করে না তারাই এইসব করে আর নাম ডুবে আমাদের।  ”
.
ঢাকায় আসার পরে।
“নে তোর ক্যাম্রা। আমাদের ছবি ও’ ডিলিট করে দিছে, কিছু ছবি রাখছি ক্যামেরায়। তর তো আবার প্রাকৃতিক ছবি পছন্দ। সুন্দর উঠছে, বাসায় নিয়া দেখিস।”
.
বাসায় নিয়া এক টিকেটে দুই ছবি মানে প্রাকৃতিক ছবির সাথে বিবাহ বহির্ভূত সোহাগ রাইতে কপত কপতির হোটেলে প্রাকৃতিক থ্রি এক্সো যে ফ্রি আইবো জানা ছিলো না!!! 
.
(গুপন ভিডিও কেমনে বাহির করছি তা গুপনোই থাক। গুরুজনে বলেছেন, মাইনষেরে কুবুদ্ধি দিতে নাই, পরে নিজের দেয়া বুদ্ধিতেই নিজেই কড খাইতে হইতে পারে  )
.
.
২. “আজকাল রিলেশন ফিলেশন সব শারীরিক হইয়া গেছে”
< “নাআআআআআহ কে বলছে?? আমি বা আমার ফ্রেন্ড সবাইতো কারো না কারো সাথে রিলেশন আছে। কাউউউউউউরে আমি দেখি নাই এমন করতে। কোটিতে ২-৪ জনের জন্য অন্যদের নাম খারাপ হয়। আড় আমাদের ক্ষেত্রে তো এইসব মাথাই আসে না। ট্রু লাভ থাকলে কখনো এসব কেউ মাথায় আনে না।”

“আরে হয় হয়, ২-৪ টা এক্সেপশনাল বাদে কারো আগে হয় কারো পরে হয়। কেউ সেমি ফাইনালে যায় কেউ ফাইনালে যায়, কয় না আরকি ”

< “শুন তোদের মত এইসব বাজে ম্যান্টালিটির মানূষদের জন্য আজকে ভালবাসা নামক কত্ত ষুইট শব্দ টা অপবিত্র হয়ে যাচ্ছে। মেন্টালিটি গ্রো কর। যদিও এগুলা পরিবারের থেকেই মানুষ পায়, তারপরো না পেয়ে থাকলেও চেঞ্জ করা যায়  ”
.
মাস খানেক পরে,
“কিরে ঐ আতকা গায়েব হইয়া গেছোস ক্যা”
< “এমনেই”
“এমনেই তো না, কাহিনি কি??”
অনেক প্যাচানির পরে....
“আমি এবশন করাইছি!!!!!!!! আমাদের ব্রেকাপ হয়ে গেছে। মেন্টালি খুব পেইনে আছি। ছোটলোক একটা। আমার কোন ইম্পটেন্সই ছিলো না ওর কাছে জাস্ট ইউজ করার জন্য রিলেশন করছে.... ব্লা ব্লা ব্লা........”
:3:3 
.
.
মন্তব্যঃ নো কমেন্টস  বিকজ এখনো আমার ঠিকমত “মেন্টালিটি গ্রো” করে নাই, “বাজে মেন্টালিটি” ই রইয়া গেছে। আগে গ্রো করুক হের পরে কিছু কমু 

বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৪

দুই দিনের বৈরাগী ভাতেরে কস অন্ন

১. “ওয়ার্টসসসসস উপ”..........
২. “চিললললললল ম্যাআআআআআআন জাস্ট চিইইইইইইইইল”.....
৩. “হেই ডুড”.......... “সড়ি ব্রো”.......
৪. “আল্লাআআআআআ আপ্পিইইইইইইইইইই তোমাকে যা লাগছে নাআআআআআআ”.........
“ও....এম...জিইইই.. ও এম জি”.....
৫. “হাউ ষুইইইইইট.. শোওও ষুইইইইইইইইইট... ”....
৬. “ হাব্বির সাথে একটু ল্যাং ড্রাইভে গিয়েছিলাম”
৭. “গাইজ্জজ্জজ্জ চেক আউট দিস উ’ন”.....
৮. “ফ্রড়েন্ডস লেস্ট ফিক্স এ ডেট ফ এ জোওওসসস হ্যাং আউট”....
৯. কথার প্রতি লাইনেঃ “ইউ নো.....”
.
.
এই কথাডি বাস্তব লাইফে যারা কয় এগো দেখলে একটা কথাই মনে পড়ে
“দুই দিনের বৈরাগী ভাতেরে কস অন্ন” 

সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৪

ইরানী রমনী পার্ট টু

মনে আছে একবার এক ইরানী লুক রমনীকে নিয়ে স্টাটাস দিছিলাম?? আগে তো জানতাম সুন্দরীগো খালি চেহারাই থাকে মাথায় কিচ্ছু থাকে না। কিন্তু আপায় দেখি ভালই স্মার্ট। আমি যে উনারে নিয়াই স্টাটাস দিছি এইডা ঠিকি ধরে ফেলছে!! একদিন ইনবক্সে মেসেজ,
“আপনি তো আপনার স্টাটাসে আমার ফুল ডিটেইলস লিখলেন, কিন্তু আমি যে এক সন্তানের জননী সেটা ক্যান লিখেন নি???”
< “কন কি!! আপনের বাচ্চাও আছে!!  ”
.
মরার ফাডা কপাআআআআআল, তিনি বিবাহিত জানার পরে ঠাডাহত মর্মাহত হইলেও পুরাপুরি আশাহত হই নাই। কারনে যেই জামানা পড়ছে, বিয়া হইতেও যেমন টাইম লাগে না ডিভোর্স হইতেও তেমন টাইম লাগে না সো চান্স তো কিছু ছিলো।

কিন্তু এইডা কি হুনলাম!! ছাও ফুডায়া ফালাইছে!! মুরুবিরা কয় বাচ্চা কাচ্চা থাকলে ফ্যামেলি বন্ডিং ফেবিকলের মত মজবুত হয়, মানে চান্স আমার পুরাই গেছে।
.
একটু পরে মিস ইরানী বাচ্চার ছবি পাঠাইলো!! মার্সিডিজের ফ্যাক্টরী থেকে তো আর মারুতী বাহির হবে না। বাইচ্চাও মাশাল্লাহ, লেটেস্ট ভার্সন মার্সিডিজ বলা যায়।

আমি ল্যাদা কাল থেকেই একটা জিনিস খেয়াল করছি, আমি ন্যাদা প্যাদা বাইচ্চা দেখলে ফার্স্ট টাইম বুঝতে পারি না এইডা ছেলে না মেয়ে!! তো যাই হোক, পিচ্চিডারে দেইক্ষাই দিল জুড়ায়া গেলো।
সাথে সাথে আবার মিস ইরানীর প্রতিও কেমন জানি এক প্রকার শ্রদ্ধাবোধও ফিলিং হইতে থাকলো যেমনটা কোন মা কে দেখলে হয় (বিশেষ করে ঘরে ১৮-২০ বছরের উপরের পোলা-মাইয়া আছে এমন মুরুব্বি মা কে দেখলে যেমন মন থেকে শ্রদ্ধা-ভক্তি আসে তেমন আরকি।)
.
“মাশাল্লাহ বাবু তো ওনেক সুন্দর, একেবারে আপনের মত।”
< “হুম সবাই বলে আমার ছেলে নাকি আমারই কার্বন কপি”
.
আবারো মাথায় ঠাডা পড়ছে!! এইডা ছেলে!!!!

আমি বুঝি না সুন্দরীগো ওলোয়েজ পোলা হয় ক্যাআআআআআআআ.... বউ না হইলে যে শাশুড়ি বানামু না এইডা কি কখনো কইছিলাম নাকি??

আমার ক্লাসমেট যেই কয়ডা সুন্দ্রী আছিলো এখন পর্যন্ত সব কয়ডারই পোলা হইছে!! কয় দিন আগে আমগো ব্যাচের হটিয়ে একখান ছাও ফুটাইছে (ফলস নেইম হটি ডাকতে ডাকতে ওর আসল নামই ভূইল্লা গেছি) এইডাও পোলা!! আরো দুই জনের পেডে “অন গোয়িং” প্রজেক্ট আছে কয় এডিও নাকি পোলা হবে!!!
.
আরি মোর জ্বালা, আবিয়াইত্তা যেইডার দিকে চাই হেইডাই থাকে বুকিং আবার বিয়াইত্তাডি পয়দা করলেও করে পোলা। তাইলে আমগো লাহান নাদান বেকুব এভার সিঙ্গেল গুলানের লাইজ্ঞা থাকবো টা কি!! ভবিষ্যতে পোলা-পোলায় সংসার করুম নি!!??
.
কে জানি আমারে কইছিলো “তর কপালে দেখিস কাকের ঠেং বকের ঠেং এর বেশি কিছু জুটবো না”
অবস্থা যা দেখতাছি ঘটনা তো হেই দিকেই আগাইতাছে। কয়দিন পরে হয়তো তিশা আপায় সান্তনার বাণী একটু রিমিক্স করে এভাবে বলতে হবে,
“সুন্দর মানে কি শুধুই টিয়া পাখি??
সুন্দর কাকের ঠেংও হয়, সুন্দর বকের ঠেংও হয়  ”
.
(যারা ঐ ইরানী আপারে নিয়া স্টাটাস দেখেন নাই তাদের জন্য লিঙ্কhttps://www.facebook.com/sm.susan/posts/10202316210608770 )
— feeling আঙ্গুর ফল মানে কি শুধুই মিষ্টি? আঙ্গুর টকো হয়, আঙ্গুর তিতাও হয়.