রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

বুঝলাম না, শীত যাইয়া বসন্ত আইলো না বসন্ত শেষে

বুঝলাম না, শীত যাইয়া বসন্ত আইলো না বসন্ত শেষে শীত আইলো, নাকি শীত ঘুইরা শীত আইলো, না শীত শেষে বর্ষা আইলো, না বর্ষা ফ্লেভারে শীত আইলো?? আবার হালকা গরমো তো লাগে... নাকি গরম গরম ভেজা শীত আইলো........ ??  

নাকি নতুন সার্ভিস চালু হইলো "শীত টু বর্ষা ভায়া গ্রীষ্ম"
সার্ভিস নেইম "বসন্ত"....!!!!!!!!!!!!
 — feeling মাথায় গিট্টু খাইয়া গেল.

শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

ভ্যালেন্টাইন I LOVE U

২দিন আগের পোষ্টে বলছিলাম আমি যত মেয়েকেই প্রপোজ করি কেউ সহজে রিফিউজ করে না (অবশ্য কেউ সিরিয়াসলিও নেয় না  )

তো গত কালকের ভ্যালেন্টাইনেও এর ব্যাতিক্রম তেমন হয় নাই..... ফ্রেন্ড লিস্টের সবাইকে অনলাইনে পাই নাই, তাও যা পাইছি ফালায়া ছরাইরা ৫০০ হবে.. এবং বরাবরের মত “I LOVE U” এর Answer “I LOVE U Too” ই দিছে 

তবে এর মধ্যে ৫-১০টা ব্যাতিক্রম নাই তা না.. এইবার চলেন ব্যাতিক্রম আফাদের কনভার্সেশন এর হাইলাইটস দেখাই 

১. “I LOVE U   ”

< “WTF!!!!!!! Are you mad?? আমি তোড় ফ্রেন্ড এন্ড ইউ নো আমাড় বিএফো আছে এন্ড উই খান্টিনিউ আওয়াড় রিল্যায়শন এবাউট ফো অ ফাইব ইয়াড়স... সব জেনেও তুই আমাকে...!!! আই খানন্ট বিলিভ ম্যাআআআন!!!!! অখে.. ওখে.. আ’ম নট ইন্টারেস্টেট থু ঠক এবাউট দিছ ঠপিক... আ’ম জাস্ট ইম্বারেসড, প্লিজ লিভ মি এ’ লোন ”

২. “I LOVE U   ”

< “:O তোর মাথা ঠিক আছে??? তুই আমাকে.... আমাকে.. অহ নো.. এসব ফাইজলামি আমার একদম পছন্দ না সুসান...”

৩. “I LOVE U   ”

< “তাই না জাআআআআআআআআআআন.... কিন্তু আমার ভ্যালেন্টাইন গিফট কই?? গিফট ছাড়া তো কোন প্রপোজাল একসেপ্ট হবে না সোনা :D”

> “আফা ভূলে আবেগে মুখ পিসলাইয়া বাইরাইয়া গেছে... বুঝছি রং নম্বরে ডায়াল করছিলাম  ”

৪. “I LOVE U   ”

< “ok but im not love u, I like u!!!!!” (এইডার মানে কি বা দুইডার ভিতরে পার্থক্যই বা কি আল্লাই জানে আর আফায় জানে)

৫.“I LOVE U   ”

< “আরেকবা এসব ফালতু কথা বললে কেটে দিবো”
(কি কাইট্টা দিবো তা জানতে চাইয়া আর রিপ্লাই দেই নাই। থাক পরে কি না কি শুনি  )

৬. “I LOVE U   ”

< “খা** পো* চো**নি পো* মাইয়া দেখলেই তোগো খালি প্রপোজ করতে মনে চায়... হারামজাদা টু টু টু টু টু.......টুউউউউউউউউ....টু....... ব্লক”

বুঝলাম না এগো কাহিনী.. আইলাবুই তো কইছি, উঠায়া লইয়া বিয়া কইরালমু তো আর কই নাই 
আল্লাহ বাচাইছে বিশ্ব ভালবাসা দিবস আছে, বিশ্ব বিয়া দিবস নাই। আইলাবু কওয়াতেই এই অবস্থা, উইল ইউ মেরি মি কইলি না জানি কি হইতো।

(বিঃদ্রঃ ইহা কাল্পনিক হাইলাইটস। কারো মেসেজের সাথে মিল্লা গেল সুসান ঝাড়ি খাইতে বাধ্য নহে।  )
 — feeling লাগতো না তোর টু টু টু, ফেরত দে আমার আইলাবু.

বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

আজ পর্যন্ত কেউ সিরিয়াসলিও নেয় নাই

পোলাপাইনে চাপা পিডায়া দুনিয়া পুরাডা ভাইজ্জা খাইতে পারে কিন্তু কোন মেয়েকে I LOVE U কইতে গেলেই দেখি জিব্বায় ওগো গিট্টু লাইজ্ঞা যায়!!!!!! আজিব কারবার!! আরে এইডা কইতে এতো ডর কিয়ের??? 

না পারলে আমারে দেইক্ষা শিখ।  আমি যেই টিকটিকির কইলজায়ালা পোলা হেই আমি ল্যাদা কাল থে আইজ পর্যন্ত কত মেয়েকে I LOVE U কইছি তার হিসাব আমিও দিতে পারুম কিনা সন্দেহ 

এবং আজ পর্যন্ত কোন মেয়ে তা রিফিউজ করে নাই  

……….

……..

.......

অবশ্য আজ পর্যন্ত কেউ সিরিয়াসলিও নেয় নাই  

মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

BA pass

গ্রামের রাস্তায় হাটতে হাটতে এক চাচার সাথে দেখা।

"ভালা আছত্তি"

> "এইতো চাচা আছি ভালই, আপনি কেমন আছেন?"

< "রাইখছে আল্লায় ভালাই। তো ফড়ালেখা কিছু করছনি না ভাদাইম্মার নানি হারা দিন ইমুই তুন হিমুই ঘুরছ???"

> "পড়ালেখা তো কবেই শেষ করে ফেলছি, আর কি পড়বো।"

< "ওরে বাবা, ফড়ালেখা বেক শেষ করি ফেইলছত!!!! আর ফড়ার কিছু নাই??? আইএ ফাশ কইচ্চত্তি??"

> "কিযে বলেন চাচা, B.A পাশ করে ফেললাম আপনে আইএ নিয়ে পড়ে আছেন!!!"

< "হুম কি যে পইড়ছোত তা তো বুইজছি, কইলি মোডে দুগা অক্ষর B,A হেও কইছোত উল্টা!!! ওডা B, A না আগে A ফরে B............ ভালা করি ফড়, এই পড়া দি কিছু হইতো নো..... "

(লনির আইডিয়া এডিট করা)
 — feeling মখা.

সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

ভবিষ্যত ক্যানভাসারঃ

এখন গুলিস্তানের গলির ক্যানভাসারঃ 

আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি একটি মহা মূল্যবান বই “ডাক্তারী শিখুন মাত্র ৩০ দিনে!!”
এই বই পড়লে জানতে পারবেন কিভাবে এইডস, ক্যান্সার, ম্যালেরিয়া, যক্ষা, প্লেগ রোগ হয়, জানতে পারবেন কি করলে এসব রোগ থেকে দূরে থাকা যায়, আরো জানতে পারবেন কি ঔষুধ খেলে এসব রোগ নিরাময় হয়। 

এই বই এর মেডিসিন অধ্যায়ের সাথে হাতুড়ে ডাক্তারী অধ্যায় ফ্রি দেয়া আছে যা পড়লে জানতে পারবেন হরতালে ককটেল স্প্লিন্টার গায়ে বিধলে কিভাবে তা ঘরে বসেই বের করতে পারবেন, পুলিশের ডান্ডার বাড়ি খেয়ে হাত পাও এর হাড্ডি পাউডার হলে তা কিভাবে জোড়া দিবেন..... তবে রিমান্ডের সিদ্ধ ডিম থেরাপী থেকে বাঁচার উপায় জানতে হলে আপনাদের কে আমাদের “১৫ দিনে মেডিটেশন এক্সপার্ট” বইটি কিনতে হবে।

বইটি লিখেছেন বিশিষ্ট হাতুড়ে ডাক্তার ডাঃ আইনেস্টাইন, মনরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ সেক্সপিয়ার, মেডিসিন কন্সালটেন্ট ডাঃ রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর!!
ডাক্তারী শিখতে লাখ লাখ টাকা লাগে কিন্তু আমরা লাখ না, হাজার না, শত না। বইটির হাদিয়া নিচ্ছি মাত্র ৫০টাকা, ৫০টাকা ৫০টাকা ৫০টাকা। কেউ নিতে চাইলে জায়গায় দাঁড়িয়ে আওয়াজ দিবেন, বান্দা বই নিয়ে হাজির হয়ে যাবে।

ভবিষ্যত ক্যানভাসারঃ

আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি একটি মহা মূল্যবান বই “ফেসবুক সেলেব্রেটি হউন মাত্র ৩০ দিনে!!"
এই বইটি পড়লে জানতে পারবেন কিভাবে আকর্ষনীয় স্ট্যাটাস দেয়া যায়, কিভাবে ফটো ভেরিফিকেয়েশন থেকে রেহাই পাওয়া যায়, কিভাবে ব্লক না খেয়ে টিকে থাকা যায়, কিভাবে দ্রুত গতিতে ফ্রেন্ডরিকু ঝুলিয়ে রেখে ফলোয়ার বাড়ানো যায়, কিভাবে “এড মি আ’ম বলদ” বলে কমেন্ট করা যায়, সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট কথা লাইক বাড়ানোর মেশিন কিভাবে ইন্সটল করা যায় তবে এক্ষেত্রে আইডি হ্যাক হলে বা পার্মানেট ব্লক হলে ওয়ারেন্টি প্রযোজ্য হবে না।

এই বই এর সাথে আপু সমাজের জন্য ফ্রি দেয়া আছে “প্রোফাইল চেহারা কনভার্টার টিউটিরিয়াল”
এই টিউটরিয়াল থেকে আপনারা জানতে পারবেন কিভাবে আপনার পেত্নি চেহারাটা ক্যাটরিনায় কনভার্ট করা যায়। কিভাবে বাথরুমের আয়নায় আইফোন লোগো ফোকাস করে রাজ হাঁসের মত পোজ দেয় যায়, কিভাবে DSLR ফটোগ্রাফার ফ্রেন্ড/কলিগকে পটিয়ে ফটোশুট করা যায়, কিভাবে ভাব ধরে মেসেজ রিপ্লাই না দিয়ে থাকা যায়।

আর ভাইয়া সমাজের জন্য আছে “সীমেল আইডি ডিটেক্টর” এ থেকে আপনারা জানতে পারবেন কোনটা আসলেই ফিমেল আইডি, আর কোনটা সীমেইল আইডি, কোন আপুর প্রোফাইল পিকচার একদম ন্যাচারাল আর কোন আপুর পিকচারে ২ কেজি ময়দা+ ফটশপ মিশানো আছে। কোন পিকে কত তেল মেরে কমেন্ট করা যায় তারও সেম্পল দেয়া আছে আমাদের বইটিতে।

শুনে খুশি হবেন আমাদের বইটি লিখেছেন গড়ে ৩,০০০ থেকে ১৩,০০০ লাইক প্রাপ্ত আরিফ আর হোসাইন, জাভেদ কায়সার, রাজিব ভাই ও লৌকিক দা এর মত বিখ্যাত ফেসবুক সেলিব্রেটিবৃন্দ।

ভাওতাবাজির ভিড়ে খাঁটি মানের নিশ্চয়তা দিতে আমরা এখনই বইটির জন্য টাকা নিচ্ছি না, শুধু ব্যাংক একাউন্ট নাম্বারটা নিচ্ছি। আপনারা সেলিব্রেটি হবার পর টাকা অনলাইনে আমাদের একাউন্টে পাঠিয়ে দিবেন নাহলে আপনারা দুই দিনেই পারমানেন্ট ব্লকের শিকার হবেন। কেউ নিতে চাইলে জায়গায় দাঁড়িয়ে আওয়াজ দিবেন, ব্লুটুথে ই বুক সেন্ড হয়ে যাবে 

শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

"কলিকাতা হারবাল" দিবস

৭ই ফেব্রুয়ারী রোজ ডে 
৮ই ফেব্রুয়ারী প্রপোজ ডে 
৯ই ফেব্রুয়ারী চকলেট ডে 
১০ই ফেব্রুয়ারী টেডিবিয়ার ডে 
১১ই ফেব্রুয়ারী প্রমিস ডে 
১২ই ফেব্রুয়ারী হাগ ডে 
১৩ই ফেব্রুয়ারী কিস ডে 
১৪ই ফেব্রুয়ারী ভ্যালেন্টাইনস ডে

.........

.........

২০শে নভেম্বর চ্রিল্ড্রেনস ডে!!!!!!!!!!!

হোয়াট এ টাইমিং!!!!!!!!!!!

ফ্রেব্রুয়ারীর সিরিয়ালি ৮টা আকাইম্মা দিবস পালন করার পরো যারা ২০শে নভেম্বরে চ্রিল্ড্রেন'স ডে পালন করতে ব্যার্থ হবেন তাদের জন্য ২১শে নভেম্বরকে "কলিকাতা হারবাল" দিবস ঘোষনা করার জোর দাবি জানাচ্ছি  

বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

আমাকে একটু রেপ করে দিতে পারবা!!!

“সুসান কেমন আছো??? শরীর সাস্থ কেমন?”

> “এইতো আছি ভালই, শরীরো ভালো। তুমি কেমন আছো”

< “চলছে ভালই”

>"তো আজ হঠাত এই গরীবের ঘরে আগমন”

< “একি এপার্টমেন্ট এ থকি, আসতেই পারি। নাকি নিষেধাজ্ঞা আছে?”

>“না তা পারো, কিন্তু একি এপার্টমেন্টে থাইকাও তো দেখা হয়না বিল্ডিং এর কারো সাথে কারো, তাই জিজ্ঞাস করলাম আরকি। মানে কোন দরকার কিনা”

< “হুম তা একটু দরকার। তুমি নাকি ভালো রেপ করতে পারো!!! ফ্রি থাকলে আমাকে একটু রেপ করে দিতে পারবা!!!”

>“কিইইইইইই করে দিবো!!!!????”  

< “এখানে এমন অবাক হবার কি আছে!!!???? আজব!! ফ্রি থাকলে একটু রেপ করে দিতে বললাম। বিজি থাকলে বলো, দেখি আমাদের দারয়ান পারে কিনা রেপ করতে। নাকি তোমাকে এটার জন্য পে করতে হবে  ”

কি দিন আইলোরে ভাই, মাইয়া ঘরে আইসাই শরীর সাস্থের খোঁজ লয় শরীর ভালো আছে কিনা। আবার এখন কয় ফ্রি থাকলে একটু রেপ করে দিতে!!! ফ্রি না থাকলে দারোয়ান দিয়া রেপ করাবে!!!! আবার রেপের জন্য টাকা নেই কিনা তাও জিগায়!! এতো ইমার্জেন্সি রেপ করানো!!! নিজে টাকা খরছ কইরাও রেপ কইরাইতে রাজি!!! কেয়ামতের ডেট কি আইজগাই নাকি??

“আরে বাপ একটা গিফট বক্সই তো রেপ করে দিবা, এইটার জন্য এতো আকাশের চাঁন তারার দিকে তাকায়া ভাবার কি আছে? সব নিয়ে আসছি, শুধু ভালো করে এটা রেপ করে দিবা, আমি গেলাম। রেডি হতে হবে, ফ্রেন্ডের বার্থডে, যাওয়ার সময় নিয়ে যাবো।  ”

শেষ কথাটা শুইনা বাঁচলাম। গিফট বক্সটা পেপার রেপিং করতে কইছিলো। আমি তো ভাবছি........... 

যাক কেয়ামত আইতে তাইলে এখনো দেরি আছে... ডরায়াই গেছিলাম