মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

BA pass

গ্রামের রাস্তায় হাটতে হাটতে এক চাচার সাথে দেখা।

"ভালা আছত্তি"

> "এইতো চাচা আছি ভালই, আপনি কেমন আছেন?"

< "রাইখছে আল্লায় ভালাই। তো ফড়ালেখা কিছু করছনি না ভাদাইম্মার নানি হারা দিন ইমুই তুন হিমুই ঘুরছ???"

> "পড়ালেখা তো কবেই শেষ করে ফেলছি, আর কি পড়বো।"

< "ওরে বাবা, ফড়ালেখা বেক শেষ করি ফেইলছত!!!! আর ফড়ার কিছু নাই??? আইএ ফাশ কইচ্চত্তি??"

> "কিযে বলেন চাচা, B.A পাশ করে ফেললাম আপনে আইএ নিয়ে পড়ে আছেন!!!"

< "হুম কি যে পইড়ছোত তা তো বুইজছি, কইলি মোডে দুগা অক্ষর B,A হেও কইছোত উল্টা!!! ওডা B, A না আগে A ফরে B............ ভালা করি ফড়, এই পড়া দি কিছু হইতো নো..... "

(লনির আইডিয়া এডিট করা)
 — feeling মখা.

সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

ভবিষ্যত ক্যানভাসারঃ

এখন গুলিস্তানের গলির ক্যানভাসারঃ 

আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি একটি মহা মূল্যবান বই “ডাক্তারী শিখুন মাত্র ৩০ দিনে!!”
এই বই পড়লে জানতে পারবেন কিভাবে এইডস, ক্যান্সার, ম্যালেরিয়া, যক্ষা, প্লেগ রোগ হয়, জানতে পারবেন কি করলে এসব রোগ থেকে দূরে থাকা যায়, আরো জানতে পারবেন কি ঔষুধ খেলে এসব রোগ নিরাময় হয়। 

এই বই এর মেডিসিন অধ্যায়ের সাথে হাতুড়ে ডাক্তারী অধ্যায় ফ্রি দেয়া আছে যা পড়লে জানতে পারবেন হরতালে ককটেল স্প্লিন্টার গায়ে বিধলে কিভাবে তা ঘরে বসেই বের করতে পারবেন, পুলিশের ডান্ডার বাড়ি খেয়ে হাত পাও এর হাড্ডি পাউডার হলে তা কিভাবে জোড়া দিবেন..... তবে রিমান্ডের সিদ্ধ ডিম থেরাপী থেকে বাঁচার উপায় জানতে হলে আপনাদের কে আমাদের “১৫ দিনে মেডিটেশন এক্সপার্ট” বইটি কিনতে হবে।

বইটি লিখেছেন বিশিষ্ট হাতুড়ে ডাক্তার ডাঃ আইনেস্টাইন, মনরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ সেক্সপিয়ার, মেডিসিন কন্সালটেন্ট ডাঃ রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর!!
ডাক্তারী শিখতে লাখ লাখ টাকা লাগে কিন্তু আমরা লাখ না, হাজার না, শত না। বইটির হাদিয়া নিচ্ছি মাত্র ৫০টাকা, ৫০টাকা ৫০টাকা ৫০টাকা। কেউ নিতে চাইলে জায়গায় দাঁড়িয়ে আওয়াজ দিবেন, বান্দা বই নিয়ে হাজির হয়ে যাবে।

ভবিষ্যত ক্যানভাসারঃ

আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি একটি মহা মূল্যবান বই “ফেসবুক সেলেব্রেটি হউন মাত্র ৩০ দিনে!!"
এই বইটি পড়লে জানতে পারবেন কিভাবে আকর্ষনীয় স্ট্যাটাস দেয়া যায়, কিভাবে ফটো ভেরিফিকেয়েশন থেকে রেহাই পাওয়া যায়, কিভাবে ব্লক না খেয়ে টিকে থাকা যায়, কিভাবে দ্রুত গতিতে ফ্রেন্ডরিকু ঝুলিয়ে রেখে ফলোয়ার বাড়ানো যায়, কিভাবে “এড মি আ’ম বলদ” বলে কমেন্ট করা যায়, সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট কথা লাইক বাড়ানোর মেশিন কিভাবে ইন্সটল করা যায় তবে এক্ষেত্রে আইডি হ্যাক হলে বা পার্মানেট ব্লক হলে ওয়ারেন্টি প্রযোজ্য হবে না।

এই বই এর সাথে আপু সমাজের জন্য ফ্রি দেয়া আছে “প্রোফাইল চেহারা কনভার্টার টিউটিরিয়াল”
এই টিউটরিয়াল থেকে আপনারা জানতে পারবেন কিভাবে আপনার পেত্নি চেহারাটা ক্যাটরিনায় কনভার্ট করা যায়। কিভাবে বাথরুমের আয়নায় আইফোন লোগো ফোকাস করে রাজ হাঁসের মত পোজ দেয় যায়, কিভাবে DSLR ফটোগ্রাফার ফ্রেন্ড/কলিগকে পটিয়ে ফটোশুট করা যায়, কিভাবে ভাব ধরে মেসেজ রিপ্লাই না দিয়ে থাকা যায়।

আর ভাইয়া সমাজের জন্য আছে “সীমেল আইডি ডিটেক্টর” এ থেকে আপনারা জানতে পারবেন কোনটা আসলেই ফিমেল আইডি, আর কোনটা সীমেইল আইডি, কোন আপুর প্রোফাইল পিকচার একদম ন্যাচারাল আর কোন আপুর পিকচারে ২ কেজি ময়দা+ ফটশপ মিশানো আছে। কোন পিকে কত তেল মেরে কমেন্ট করা যায় তারও সেম্পল দেয়া আছে আমাদের বইটিতে।

শুনে খুশি হবেন আমাদের বইটি লিখেছেন গড়ে ৩,০০০ থেকে ১৩,০০০ লাইক প্রাপ্ত আরিফ আর হোসাইন, জাভেদ কায়সার, রাজিব ভাই ও লৌকিক দা এর মত বিখ্যাত ফেসবুক সেলিব্রেটিবৃন্দ।

ভাওতাবাজির ভিড়ে খাঁটি মানের নিশ্চয়তা দিতে আমরা এখনই বইটির জন্য টাকা নিচ্ছি না, শুধু ব্যাংক একাউন্ট নাম্বারটা নিচ্ছি। আপনারা সেলিব্রেটি হবার পর টাকা অনলাইনে আমাদের একাউন্টে পাঠিয়ে দিবেন নাহলে আপনারা দুই দিনেই পারমানেন্ট ব্লকের শিকার হবেন। কেউ নিতে চাইলে জায়গায় দাঁড়িয়ে আওয়াজ দিবেন, ব্লুটুথে ই বুক সেন্ড হয়ে যাবে 

শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

"কলিকাতা হারবাল" দিবস

৭ই ফেব্রুয়ারী রোজ ডে 
৮ই ফেব্রুয়ারী প্রপোজ ডে 
৯ই ফেব্রুয়ারী চকলেট ডে 
১০ই ফেব্রুয়ারী টেডিবিয়ার ডে 
১১ই ফেব্রুয়ারী প্রমিস ডে 
১২ই ফেব্রুয়ারী হাগ ডে 
১৩ই ফেব্রুয়ারী কিস ডে 
১৪ই ফেব্রুয়ারী ভ্যালেন্টাইনস ডে

.........

.........

২০শে নভেম্বর চ্রিল্ড্রেনস ডে!!!!!!!!!!!

হোয়াট এ টাইমিং!!!!!!!!!!!

ফ্রেব্রুয়ারীর সিরিয়ালি ৮টা আকাইম্মা দিবস পালন করার পরো যারা ২০শে নভেম্বরে চ্রিল্ড্রেন'স ডে পালন করতে ব্যার্থ হবেন তাদের জন্য ২১শে নভেম্বরকে "কলিকাতা হারবাল" দিবস ঘোষনা করার জোর দাবি জানাচ্ছি  

বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

আমাকে একটু রেপ করে দিতে পারবা!!!

“সুসান কেমন আছো??? শরীর সাস্থ কেমন?”

> “এইতো আছি ভালই, শরীরো ভালো। তুমি কেমন আছো”

< “চলছে ভালই”

>"তো আজ হঠাত এই গরীবের ঘরে আগমন”

< “একি এপার্টমেন্ট এ থকি, আসতেই পারি। নাকি নিষেধাজ্ঞা আছে?”

>“না তা পারো, কিন্তু একি এপার্টমেন্টে থাইকাও তো দেখা হয়না বিল্ডিং এর কারো সাথে কারো, তাই জিজ্ঞাস করলাম আরকি। মানে কোন দরকার কিনা”

< “হুম তা একটু দরকার। তুমি নাকি ভালো রেপ করতে পারো!!! ফ্রি থাকলে আমাকে একটু রেপ করে দিতে পারবা!!!”

>“কিইইইইইই করে দিবো!!!!????”  

< “এখানে এমন অবাক হবার কি আছে!!!???? আজব!! ফ্রি থাকলে একটু রেপ করে দিতে বললাম। বিজি থাকলে বলো, দেখি আমাদের দারয়ান পারে কিনা রেপ করতে। নাকি তোমাকে এটার জন্য পে করতে হবে  ”

কি দিন আইলোরে ভাই, মাইয়া ঘরে আইসাই শরীর সাস্থের খোঁজ লয় শরীর ভালো আছে কিনা। আবার এখন কয় ফ্রি থাকলে একটু রেপ করে দিতে!!! ফ্রি না থাকলে দারোয়ান দিয়া রেপ করাবে!!!! আবার রেপের জন্য টাকা নেই কিনা তাও জিগায়!! এতো ইমার্জেন্সি রেপ করানো!!! নিজে টাকা খরছ কইরাও রেপ কইরাইতে রাজি!!! কেয়ামতের ডেট কি আইজগাই নাকি??

“আরে বাপ একটা গিফট বক্সই তো রেপ করে দিবা, এইটার জন্য এতো আকাশের চাঁন তারার দিকে তাকায়া ভাবার কি আছে? সব নিয়ে আসছি, শুধু ভালো করে এটা রেপ করে দিবা, আমি গেলাম। রেডি হতে হবে, ফ্রেন্ডের বার্থডে, যাওয়ার সময় নিয়ে যাবো।  ”

শেষ কথাটা শুইনা বাঁচলাম। গিফট বক্সটা পেপার রেপিং করতে কইছিলো। আমি তো ভাবছি........... 

যাক কেয়ামত আইতে তাইলে এখনো দেরি আছে... ডরায়াই গেছিলাম 

মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০১৪

মাইয়া বিয়া দেয়া

ল্যাদা কালে মাইয়া বিয়া দেয়ার পর এক দাদীকে বলতে শুনছিলাম, “দোয়া করি কারো ঘরে যাতে মাইয়া পয়দা না হয়!!!”

ব্যাপারটা তখন বুঝি নাই তবে এখন পাড়াপড়শী, আত্মীয় স্বজন বন্ধুবান্ধবের ভিতরে যারা বা যাদের ঘরে মাইয়া বিয়া দিছে বা দিবে তাদের বিবাহ পূর্ববর্তী কান্ডকাহিনী দেখে মনেহয় একটু আধটু বুঝতাছি।

মেয়ের যদি এফেয়ার থাকে তো মাইয়ারে বিয়া দিতে কোন প্রবলেম থাকার কথা না মেয়ে রাজি কিন্তু ফ্যামেলি রাজি করতে ঘরের ভিতরে মাশাল্লা অনেক দিন অশান্তি বিরাজ করাইতে হয়।
আর আশেপাশের মাইনষের কাছে এই এফেয়ারে খবর ফাঁস হইয়া গেলে কাম সারা।

এই মেয়ে প্রেম করে সো মাইয়া ভালা না/চরিত্র খারাপ/ফ্যামেলি উদাশীন, পোলাপাইনেরে গাইড দেয় না/ এইসব ফ্যামেলি থেকে শিখে তার মানে ফ্যামেলিও ভালো না!!!!!!!! এইবার ছেলে পক্ষ মেয়ের এলাকায় খোঁজ খবর নিতে আইলে এই সব কথা শুনে লাগে একখান মহা পেজগী!! সাথে এলাকায় মানসম্মান নিয়া টানা টানি, হাজারটা কথা শুনতে হয় পরিবারকে।

আবার মেয়ের যদি এফেয়ার না থাকে তো সেটা খুব ভালো, লক্ষ্মী মেয়ে, স্বভাব চরিত্রও চালো। মেয়ে ভালো তো ফ্যামেলিও ভালো। সবই যখন ভালো তো আসেও ভালো সমন্ধ মগর মাইয়া বিয়ার কথা হুনলেই ফ্যাছ ফ্যাছাইয়া কান্ধন শুরু করে সাথে ইমশোনাল ব্লেক মেইল “আমারে তোমগো বোঝা মনে হয়? দাও যার সাথে মন চায় বিয়া দেও। আমারে কোন ছেলের ছবি টবি দখানোর দরকার নাই। জামাইর বাড়ি যাইয়া আর আসমু না, থাইকো শান্তিতে!!!!!!”

বাপ মাও চিন্তায় পইড়া যায়, মাইয়ার কথার পাল্লায় পইড়া ভালো পাত্রডারে হাত ছাড়া করুম? পরে যদি ভালো পাত্র না পাই? আবার মাইয়া কথায় বেশি দেরী করে ফেললে দেখা যায় তখন আবার ভালো বিয়ার প্রস্তাব আসার অফ হইয়া যায়। বিয়েতেও দেরি হয়ে যায়।

এর ভিতিরে যদি বড়ডারে থুইয়া মাইজ্ঝাটা পইতালি কইরা BF রে বিয়া কইরা ফালায় তাইলেতো আরেক কেয়ামত!! এবার আবার পাড়া পড়শীর খোঁচা শুরু!!! মেয়ের নিশ্চই কোন সমস্যা আছে, বা কোন কাহিনী আছে নাহলে এখনো বিয়ে হয় না ক্যান!!! বড়ডার আগে ছোটটার বিয়া হইলো ক্যান!! ব্লা ব্লা ব্লা!!

শেষ পর্যন্ত অবশ্য এরেঞ্জ মেরিজ/ লাভ মেরিজ/ ভাইজ্ঞা মেরিজ সব মেরিজই হয় তয় ঐ ফ্যামেলির জান ত্যাজপাতা হইয়া যাওয়ার পরে। (২-৪টা এক্সেপসনাল থাকতে পারে সেটা এক্সাম্পল না)

সত্যি না মিথ্যা জানি না কার কাছে জানি শুনছিলাম, যেই বাপ-মা তিন মেয়েকে কোন কস্ট না দিয়ে ঠিক ভাবে ভরণ পোষন করে বিয়ে দিতে পারে সে নাকি চ্যালচ্যালাইয়া জান্নাত যাবে।

আসলেই জান্নাত পাওয়া এতো হস্তা না, কস্ট আছে 

(চিন্তা করতাছি বিয়ার পর মাইয়া পয়দা না হইলে কয়ডা মাইয়া এডপ্ট লমু  ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানীতে এ কাজের কিছু অভিজ্ঞতা আছে, ভ্যাজাল সামলানি ম্যাটার না, জান্নাত বুকিং দেওয়াটা ম্যাটার   )

সোনালীব্যাংক এ টাকা চুর

সোনালীব্যাংক এ টাকা চুর সোহেল সাব, "ধুম-৩" মাত্র কয়দিন আগে বাহির হইছে। তাছাড়া "গোলমাল-৩", "কৃশ-৩", "রাজ-৩", "ধুম-৩" এমন কি স্যামসং ও তাদের লেটেস্ট সেট এর নাম থুইছে "গ্যালাক্সি নোট-৩"..... মানে সব থ্রি এর ফ্লো যাচ্ছিলো, সো আপনার এখনি "ধুম-৪" করা উচিৎ হয় নাই তাই ফ্লপ খাইছেন। 

এখনো "ডন-৩" এর আসন টা খালি আছিলো। তাছাড়া ডন এর ডায়ালগটাও আপনার জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে সুইটেবল ছিলো,
"গারা মুলকো কি পুলিশ তো ম্যারা পিছা কাররাহি হে লেকিন এক বাত সামাঝ লো, ডন কো পাকাড়না মুশকিলই নেহি না মুমকিন হ্য"

ডিম থেরাপি খাইয়া থানা থেকে বাহির হইলে আগামীবার "ধুম" বাদ দিয়া "ডন" মুভি ফলো কইরেন, আশা করি ভালো ফল পাইবেন। বেস্ট অফ লাক

রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৪

চোরের মন পুলিশ পুলিশ

এক আফার সাথে চ্যাট হচ্ছিলো। আফায় কইতাছে, “আমি কয়দিন ধরে খালি সিনেমা দেখি”

আমিঃ “একদিন তোমার কাছ থেকে মুভিগুলান নিমু টাইম পাস হয় না”

> “hmm নিও, পার মুভি ৫টাকা তার আগে ZNMD দেখে শেষ করবা (বিঃদ্রঃ এই মুভিটা দেখলে আমার ঘুম আসে)”

< “৫টাকা দিতে সমস্যা নাই মগর ZNMD দেখতে পারুম না”

> “ঐটা দেখতেই হবে,তুমার গান্ধা চোখ কে উন্নত করার জন্য”

< “লাগবো না তোর মুভি এর থে ঘুম যাওয়া ভালা”

> “এহ !! জানি তো কি তুমার পছন্দ !! কিত্না গান্ধা !!”

< “গান্ধার কি আছে!!! তুমি মনেহয় দেহো না? এহ আইছে সাধু”

> “আমি দেখি না আমার পিসি তে কুনো পর্ন নাই !!”

< “আমি পর্ন এর কথা কখন কইলাম   ”

এইবার দেখছেন নি কারবার? চোরের মন পুলিশ পুলিশ কারে কয়? গান্ধা মুভি বলতে আমি বুঝছি অতি খোলামেলা ড্রেসাপের বা ইমরান হাসমীর টাইপ মুভির কথা বলতেছে আর আফায় দেখি আরো ২ডিগ্রী আগানো, ডাইরেক্ট পর্ণ এ গেছেগা!!!!!!
 — feeling পুরাই মখা কাম এরশাদ.