অভিজ্ঞতা নাই তাই চাকরী দেয় না, চাকরী দেয়না তাই অভিজ্ঞতা হয় না। অভিজ্ঞতা হয় না তাই................... —
listening to এই পথ যদি না শেষ হয় তবে বিয়া করুম কেমনে বলতো.
এই প্রফাইল মালিকের লেখা সমূহ ৯৯% চাপা মিশ্রিত। বিশ্বাস করলে নিজ দায়িত্বে কইরেন। মরার পরে আল্লার সামনে যাইয়া আবার কইয়েন না সুসানের কথা বিশ্বাস কইরা ঠকছি!! মাইর কইলাম একটাও মাডিত পড়তো না
সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
নারী আসলেই বড় রহস্যময়ী
Once upon a time ফেসবুক চ্যাটিং এ এক রমনী আমাকে আরেক রমনীর ছবি দিয়া কহিলো, দেখতো মেয়ে টা কেমন?
আমি কইলাম, হু সুন্দর আছে। আমার লাইজ্ঞা পাত্রী হিসাবে দেখছো নাকি?
রমনীর উত্তর,
ফাজিল পোলা, কোন সুন্দরী মেয়ে দেখলেই খালি বিয়া করতে মনেচায়? নিজের চেহারা আয়নায় দেখছো? এই ছবিটা দেখায়া একটু টেস্ট করে দেখলাম তোমার স্বভাব কেমন। বুঝা হইয়াগেছে। হালা লুইচ্চা কোনহাঙ্কার.....!!!
এমন রিয়েক্ট করলো মনেহয় আমি কোন পোলার সামনে তার গার্ল ফ্রেন্ডরে বিয়ার প্রস্তাব দিছি!!!! হইতেও পারে, আজকাল তো পোলা পোলা, মাইয়া মাইয়া প্রেম চলে। so মাইয়ার gf এর দিকে নজর দিলে তো চেতবই। পুরাই তব্দা গেছিলাম....
আইজগা লগইন করতেই আরেক রমনীর মেসেজ। ওপেন করে দেখি একটা মেয়ের ছবি নিচে লেখা একে কেমন লাগে?
আমার সেই once upon a time এর অভিজ্ঞতার কথা মনে পইরা গেল। এইবার আর গাইল খাওনের রিক্স লমুনা, যুগতো বহুত পাল্টাইছে।
কইলাম, “তোমার জন্য? অবস্থা তাইলে এই?”
রমনীর উত্তর এর সারমর্ম এমন, “ছিঃ আমিতো মেয়েটার ছবিটা দিয়ে একটু টেস্ট করে দেখছিলাম আপনি কি, মেয়েদের প্রতি আকর্ষন কাজ করে কিনা,আজকাল তো ছেলে-ছেলেও অনেক কিছু হয়। যা ভাবছিলাম। ব্যাটা ফাজিল, গে কোনহানকার... এই জন্যই কোন মেয়ের কাছে মেয়ের ছবি দেখলেই মাথায় খালি এইসব ঘুরে? পজেটিভ কিছু মাথায় কাজ করে না। ছিঃ শালা গে.. কু*** টু... টু.. টু.. টু.. টু.......... ওয়াক থু....” —
feeling নারী আসলেই বড় রহস্যময়ী... কখন যে কি কইতে চায় আর কি যে বুঝাইতে চায় আল্লাহ মালুম.
আমি কইলাম, হু সুন্দর আছে। আমার লাইজ্ঞা পাত্রী হিসাবে দেখছো নাকি?
রমনীর উত্তর,
ফাজিল পোলা, কোন সুন্দরী মেয়ে দেখলেই খালি বিয়া করতে মনেচায়? নিজের চেহারা আয়নায় দেখছো? এই ছবিটা দেখায়া একটু টেস্ট করে দেখলাম তোমার স্বভাব কেমন। বুঝা হইয়াগেছে। হালা লুইচ্চা কোনহাঙ্কার.....!!!
এমন রিয়েক্ট করলো মনেহয় আমি কোন পোলার সামনে তার গার্ল ফ্রেন্ডরে বিয়ার প্রস্তাব দিছি!!!! হইতেও পারে, আজকাল তো পোলা পোলা, মাইয়া মাইয়া প্রেম চলে। so মাইয়ার gf এর দিকে নজর দিলে তো চেতবই। পুরাই তব্দা গেছিলাম....
আইজগা লগইন করতেই আরেক রমনীর মেসেজ। ওপেন করে দেখি একটা মেয়ের ছবি নিচে লেখা একে কেমন লাগে?
আমার সেই once upon a time এর অভিজ্ঞতার কথা মনে পইরা গেল। এইবার আর গাইল খাওনের রিক্স লমুনা, যুগতো বহুত পাল্টাইছে।
কইলাম, “তোমার জন্য? অবস্থা তাইলে এই?”
রমনীর উত্তর এর সারমর্ম এমন, “ছিঃ আমিতো মেয়েটার ছবিটা দিয়ে একটু টেস্ট করে দেখছিলাম আপনি কি, মেয়েদের প্রতি আকর্ষন কাজ করে কিনা,আজকাল তো ছেলে-ছেলেও অনেক কিছু হয়। যা ভাবছিলাম। ব্যাটা ফাজিল, গে কোনহানকার... এই জন্যই কোন মেয়ের কাছে মেয়ের ছবি দেখলেই মাথায় খালি এইসব ঘুরে? পজেটিভ কিছু মাথায় কাজ করে না। ছিঃ শালা গে.. কু*** টু... টু.. টু.. টু.. টু.......... ওয়াক থু....” —
শনিবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৩
শয়তান তো শয়তানই
বাংলা ছিনেমার একটা কমন ডায়ালগ
"ছেড়ে দে শয়তান, তুই আমার দেহ পাবি কিন্তু মন পাবি না"
পুরাই লজিক ছাড়া একটা ডায়ালগ।
...
...
শয়তান তো শয়তানই, ডিরেক্টর সাবের কি মনে হয় শয়তান কখনো নায়িকার মন পাওয়ার জন্য নায়িকাকে তুলে নিয়ে আসবে?
শয়তানের তো দেহই দরকার। দেহ পাইলে শয়তানে মন ধুইয়া কি পানি খাইবো?
"ছেড়ে দে শয়তান, তুই আমার দেহ পাবি কিন্তু মন পাবি না"
পুরাই লজিক ছাড়া একটা ডায়ালগ।
...
...
শয়তান তো শয়তানই, ডিরেক্টর সাবের কি মনে হয় শয়তান কখনো নায়িকার মন পাওয়ার জন্য নায়িকাকে তুলে নিয়ে আসবে?
শয়তানের তো দেহই দরকার। দেহ পাইলে শয়তানে মন ধুইয়া কি পানি খাইবো?
মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৩
ভারত খ্যাত.............
ব্রাজিল বিখ্যাত ফুটবলের জন্য
জাপান বিখ্যাত প্রজুক্তির জন্য
মালদ্বীপ বিখ্যাত সুন্দর সুন্দর দ্বীপের জন্য
আফগানিস্তান বিখ্যাত তালেবানের জন্য
সোমালিয়া বিখ্যাত জলদস্যু দের জন্য
বাংলাদেশ বিখ্যাত দুই বুড়ীর কামড়া-কামড়ির জন্য
আর ভারত বিখ্যাত.........?
নিশ্চই ভাবতাছেন ধর্ষনের জন্য? ভুল...
.....
.....
....
গনধর্ষনের জন্য!!!!!!!!!!!!!
ওপারের দাদারা ভালো আছে, যা করে মিলেমিশেই করে
জাপান বিখ্যাত প্রজুক্তির জন্য
মালদ্বীপ বিখ্যাত সুন্দর সুন্দর দ্বীপের জন্য
আফগানিস্তান বিখ্যাত তালেবানের জন্য
সোমালিয়া বিখ্যাত জলদস্যু দের জন্য
বাংলাদেশ বিখ্যাত দুই বুড়ীর কামড়া-কামড়ির জন্য
আর ভারত বিখ্যাত.........?
নিশ্চই ভাবতাছেন ধর্ষনের জন্য? ভুল...
.....
.....
....
গনধর্ষনের জন্য!!!!!!!!!!!!!
ওপারের দাদারা ভালো আছে, যা করে মিলেমিশেই করে
ফটোগ্রাফার হবার রিসিপি
আপু সমাজের কাছে জনপ্রিয় হবার ভালো উপায় ফটোগ্রাফার হওয়া। চলুন ফটোগ্রাফার হবার রিসিপিটা বলে দেই।
যেন তেন মোবাইল বা ডিজিটাল ক্যামেরা নিয়ে ফটোগ্রাফার হতে পারবেন না তা আপনি যত ভালই ছবি তুলুন না কেন বা ফ্রেম লাইটিং সম্পর্কে যত ভালোই জ্ঞান রাখুন না কেন...!!
আর আপুদের ছবি এসব ছোট খাটো ক্যামেরা ভূলেও তুলবেন না, আপনাকে ইভ টিজার হিসাবে চিহ্নিত করতে পারেন।
প্রথমেই বাপের গলায় পাড়া দিয়ে ৬০ হাজার থেকে এক লাখ বা পারলে তার চেয়ে বেশি টাকা বের করে নিন।
এরপর শোরুম থেকে রকেট লাঞ্চারের মত একটা লেন্স সহ DSLR ক্যামেরা কিনে নিন। ( আপনি যদি ছবি তুলা ঠিক মত নাও জানেন তাও DSLR এর ছুতায় আপনি অলরেডি ৮০% ফটোগ্রাফার হয়ে গেছেন)
এবার রাস্তার টোকাই, ডাস্টবিনের ময়লা খাওয়া কুত্তা, ল্যাম্পপোস্টে বসে নিশানা ঠিক করা কাউয়া, বুড়া রিক্সা চালক, মনিটরের পাশ দিয়ে হেটে যাওয়া পিপড়া আর অবশ্যই আয়নার সামনে ক্যামেরায় চোখ রেখে আপনার ক্যাবলা মার্কা চেহারার একটা ফটো তুলুন। এবং সব ছবিরই সাবজেক্ট ছাড়া পিছনে বাকি সব ঘোলা হতে হবে।
কিছু ছবি সাদা কালো করে দিন। এতে একটা শৈল্পিক শৈল্পিক ভাব আসে। ছবির নিচে লোগো লাগিয়ে দিন যেমন 'ছমদ আলী ফুডুগ্রাফি'
এবার তাড়াতাড়ি ফেসবুকে আপলোড দিয়ে সব বন্ধুকে ট্যাগ করে দিন (এটা লাইক বাড়ানোর একটা পলিসি)
আর কমেন্ট বাড়ানোর জন্য ছবির সাথে লিখে দিন "ফ্রেন্ডস, ছবিটা কেমন হয়েছে"/ "ছবিতে কি কি ভূল হয়েছে একটু বলবা"
কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন। দেখবেন টপাটপ লাইক পড়া শুরু হয়ে গেছে সাথে কমেন্টও "অস্থির"... "উছাম" ... "উয়াআআউ"...
ব্যাস হয়ে গেলেন আপনি 'সিরাম ফুডুগ্রাফার'.... এবার ছবি তুলে দেবার জন্য আপনার পিছে আপুদের লাইন লেগে যাবে।
যেন তেন মোবাইল বা ডিজিটাল ক্যামেরা নিয়ে ফটোগ্রাফার হতে পারবেন না তা আপনি যত ভালই ছবি তুলুন না কেন বা ফ্রেম লাইটিং সম্পর্কে যত ভালোই জ্ঞান রাখুন না কেন...!!
আর আপুদের ছবি এসব ছোট খাটো ক্যামেরা ভূলেও তুলবেন না, আপনাকে ইভ টিজার হিসাবে চিহ্নিত করতে পারেন।
প্রথমেই বাপের গলায় পাড়া দিয়ে ৬০ হাজার থেকে এক লাখ বা পারলে তার চেয়ে বেশি টাকা বের করে নিন।
এরপর শোরুম থেকে রকেট লাঞ্চারের মত একটা লেন্স সহ DSLR ক্যামেরা কিনে নিন। ( আপনি যদি ছবি তুলা ঠিক মত নাও জানেন তাও DSLR এর ছুতায় আপনি অলরেডি ৮০% ফটোগ্রাফার হয়ে গেছেন)
এবার রাস্তার টোকাই, ডাস্টবিনের ময়লা খাওয়া কুত্তা, ল্যাম্পপোস্টে বসে নিশানা ঠিক করা কাউয়া, বুড়া রিক্সা চালক, মনিটরের পাশ দিয়ে হেটে যাওয়া পিপড়া আর অবশ্যই আয়নার সামনে ক্যামেরায় চোখ রেখে আপনার ক্যাবলা মার্কা চেহারার একটা ফটো তুলুন। এবং সব ছবিরই সাবজেক্ট ছাড়া পিছনে বাকি সব ঘোলা হতে হবে।
কিছু ছবি সাদা কালো করে দিন। এতে একটা শৈল্পিক শৈল্পিক ভাব আসে। ছবির নিচে লোগো লাগিয়ে দিন যেমন 'ছমদ আলী ফুডুগ্রাফি'
এবার তাড়াতাড়ি ফেসবুকে আপলোড দিয়ে সব বন্ধুকে ট্যাগ করে দিন (এটা লাইক বাড়ানোর একটা পলিসি)
আর কমেন্ট বাড়ানোর জন্য ছবির সাথে লিখে দিন "ফ্রেন্ডস, ছবিটা কেমন হয়েছে"/ "ছবিতে কি কি ভূল হয়েছে একটু বলবা"
কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন। দেখবেন টপাটপ লাইক পড়া শুরু হয়ে গেছে সাথে কমেন্টও "অস্থির"... "উছাম" ... "উয়াআআউ"...
ব্যাস হয়ে গেলেন আপনি 'সিরাম ফুডুগ্রাফার'.... এবার ছবি তুলে দেবার জন্য আপনার পিছে আপুদের লাইন লেগে যাবে।
আমাদের এপার্টমেন্টের ৬তলায় দুইটা পিচ্চি থাকে। একটা তৌকির আরেকটা তাহছিন। দুইটাই ক্লাস টু তে পড়ে।
তৌকির শান্ত শিষ্ট, মেধাবী ঠান্ডা মাথার মানুষ। তৌকির পরীক্ষায় ১০০তে চোখ বন্ধ করে ৯৫+ পায় ।
আর তাহছিন জন্মের বান্দর, মারাত্তক চঞ্চল। তাহছিন সর্বচ্চ গেলে পরীক্ষায় ৫ পায়!!!!!!!!
আজকে ছাদের মসজিদে এশা নামাজের আগে হুজুর বলতেছেন, “যে ব্যাক্তি মাগরিবের নামাজ ছেড়েদেয় তার সন্তান কখনো তার কথা শুনবে না, অবাধ্য হবে। মানে বুঝচ্ছ?(দুই পুচকিকে বলতেছে) মানে তোমরা যখন বাবা মা হবা তখন বাচ্চা কাচ্চা পুরা বান্দর হবে।”
তৌকির কয়, “হুজুর আমার আব্বা মনেহয় তাহছিনের জন্মের আগে মাগরিবের নামায পড়তো না, তাই এইটা এরুম বান্দর হইছে। কোন কথা শুনে না :P”
তৌকির শান্ত শিষ্ট, মেধাবী ঠান্ডা মাথার মানুষ। তৌকির পরীক্ষায় ১০০তে চোখ বন্ধ করে ৯৫+ পায় ।
আর তাহছিন জন্মের বান্দর, মারাত্তক চঞ্চল। তাহছিন সর্বচ্চ গেলে পরীক্ষায় ৫ পায়!!!!!!!!
আজকে ছাদের মসজিদে এশা নামাজের আগে হুজুর বলতেছেন, “যে ব্যাক্তি মাগরিবের নামাজ ছেড়েদেয় তার সন্তান কখনো তার কথা শুনবে না, অবাধ্য হবে। মানে বুঝচ্ছ?(দুই পুচকিকে বলতেছে) মানে তোমরা যখন বাবা মা হবা তখন বাচ্চা কাচ্চা পুরা বান্দর হবে।”
তৌকির কয়, “হুজুর আমার আব্বা মনেহয় তাহছিনের জন্মের আগে মাগরিবের নামায পড়তো না, তাই এইটা এরুম বান্দর হইছে। কোন কথা শুনে না :P”
ইহা একটি হরলিক্স মিশানো উচ্চ ইগো সমৃদ্ধ পোষ্ট।
(জৈনিক মানব কইলে মোর বলে ইগো বেশি!!! ব্যাডা মোরে গাঙ্গের জলে ভাইস্যা আওয়া ছ্যাম্রা পাইছাও যে কোন কিছু কম হইবে? ভালা কিছু মোর ধারে না থাকলেও খারাপ জিনিসের অভাব নাই। ওয় ইগোর দেখছেডা কি?
তাইনেরে আরো হাই লেভেলের ইগো দেখানোর জন্য এই পোস্টের উৎপত্তি। So ঐ ‘জৈনিক’ ছাড়া আপামোর জনগণ এই বস্তা পচা কিচ্ছা না পড়লেও চলবে।)
---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
১. “কিরে সুসাইন্না ফেসবুকে তো দেখি প্রতিদিন ভালই মাইনষের লেখা কপি মারছ, এমনে আর কয় দিন?”
২. “ফেসবুকে তুই বিখ্যাত হবি বিভিন্ন পেজ এর পোষ্ট কপিবাজ হিসাবে”
আমার ফেসবুক স্টাটাস দেখে উপরের দুইটা কমেন্টই আমার স্কুল লাইফের দুই “ফাস্ট বেঞ্চার ট্যালেন্ট” স্টুডেন্টের করা। স্কুলে আমি যদিও বসতাম মাঝামাঝি সারিতে কিন্তু আমার ব্রেনতো লাস্ট সারির স্টুডেন্টদের মতই। স্কুল থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত পরীক্ষার খাতায় পাঠ্য বইয়ের ৫% ও লিখতাম কিনা সন্দেহ। যা লিখতাম তাকে হিন্দিতে এক কথায় বলে “বাকোয়াজ”। কিন্তু এরপরো স্যার মিডামেরা কি বুইজ্ঝা নম্বর দিত আল্লাহ মালুম।
তাদেরও বা কি দোষ, লাস্ট বেঞ্চের পোলাপাইনের মাথা থেকে যে পাঠ্যবইয়ের বাইরের বস্তাপচা কিচ্ছা বাহির হবে এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু এই বস্তাপচা কিচ্ছাও মাঝেমধ্যে ফেসবুকের মত আজাইরা জায়গায় কাজে আসবে তাতো স্কুলে পড়ার সময় কেউ জানতাম না
মুরগীর খামারের আবর্জনা যে মাছের খামারের পুস্টিকর খাদ্য তা হাতে কলমে টের পাইলাম ফেসবুক চালু হবার পর। ফেসবুকে আমি যা লিখি পরীক্ষার খাতায়ও আমি প্রায় এই টাইপের লেখা লিখতাম (believe it or not).
একবার সেকেন্ড না থর্ড ইয়ারে স্যার ম্যাথ/পরিসংখ্যান পরীক্ষায় লিখতে দিছিলো “ log কাকে বলে?” ( লগারিদম অংকের log)
প্রায় ২ পৃষ্টা লিখেছিলাম যার সার সংক্ষেপ এমন....
“লগ এক প্রকার ভার্চুয়াল তালা। এটা খুলে আমরা ইন্টারনেটে বিভিন্ন একাউন্টে ঢুকি আবার এটা মেরে দিয়ে বের হই। এর ফলে আমাদের একাউন্টে অন্য কেউ ঢুকতে পারে না।
এটা দুই প্রকার, লগইন আর লগ আউট। আমরা মেইলে, ফেসবুকে, টুইটারে ইউসার নেইম আর পাসয়ার্ড দিয়ে এন্টারে চাপ দিলে যা হয় তাই লগ ইন, আর এর থেকে বের হবার সময় যা করি তা লগ আউট। আর আমাদের না জানিয়ে যারা আমাদের একাউন্টে লগইন করে তাদের বাংলা ভাষায় ‘চোর’ আর ভার্চুয়াল ভাষায় ‘হ্যাকার’ বলে। লগ এর কোন জেন্ডার নাই। এটা ছেলেও না মেয়েও না। তাই বলে এটা হিজলাও না। ছেলে-মেয়ে-হিজলা-আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা সবাই লগ ইউজ করে থাকে!!!!!”
এই লেখায় স্যারে ৫ এর ভিতরে ৪ দিছিলো!!!! পরে এই খাতাটা Lata Lutfun নিয়া পুরা ক্লাসে পইড়া শুনায়া স্যারের ইজ্জত থোরা পাংচায় কইরা দিছে। এর পর থেকে ওই স্যারের পরীক্ষায় আমি যদি বই পুরাডা কপি কইরাও দেই তাইলেও আমাকে ৫ এ ২ এর বেশি দেয় না
তো যাই হোক পরীক্ষায় কোতায়া কোতায়া পাশ করলেও নম্বর বেশি একটা পাইতাম না ট্যালেন্টদের মত (মাথায় কিছু থাকলেয় না পামু)। কিন্তু ফেসবুকে মাশাল্লাহ এই “বাকওবাজ” বিদ্যার এর কারনে অনেক মানুষের সাথেই পরিচিত হবার সুযোগ হইছে। অনেকের সাথে এতো ভাল ফ্রেন্ডশীপ হইছে যা স্কুলে ১০বছরেও হয় নি.......
আহেন এইবার অন্য একটা কাহিনীতে যাই। একবার এক পত্রিকার ইন্টারভিউতে জয়া আহসানকে জিগাস করছিলো, আপনার অভিনয় নিয়ে তো অনেকেই প্রশংসা করে। নিজের প্রশংসা শুনতে আপনার কেমন লাগে?
তো তার উত্তর ছিল এমন,
‘সামনা সামনি সবাই আপনার ভালোটাও ভাল বলবে খারাপ টাও ভাল বলবে কিন্তু আসল কথা পিছে বলে যা আপনি কখনই জানতে পারবেন না। তাই সামনে যে যতই প্রশংসা করুক তা নিয়ে বেশি একটা লাফালাফির কিছু নাই। আমিও এগুলো অতো সিরিয়াসলি না নিয়ে পা মাটিতেই রাখি।
তবে একদিন এক নাটকের শুটিং এ রাস্তার ঝাড়ুদার এর অভিনয় করছিলাম, ক্যামেরা দূরে সেট করা ছিল। এক এল্ট্রা মর্ডান মেয়ের সাথে ভূলে ধাক্কা লেগে যায়, ও এমন রিএক্ট করলো মনেহয় সত্যি কোন রাস্তার ঝাড়ুদারের সাথে ধাক্কা খেয়ে তার জামা নষ্ট হয়ে গেছে। সে ঝাড়ি দিয়ে অনেক গুলা কথা শুনিয়ে চলে গেল। বুঝেই নাই যে এইটা নাটকের শুটিং।
আমি তাতে মাইন্ড করি নাই বরং নিজের কাজের প্রতি সত্যি ঐ দিন খুব স্যাটিস্ফাইড হয়েছি যে আমার অভিনয় মে বি ন্যাচারাল। পুরা চরিত্রের সাথে মিশে যেতে পেরেছি। ঐ ‘ঝাড়ি’ টাই আমার জন্য ছিলো রিয়েল প্রশংসার।’
এইবার সবাই এইখানে অফ জান, নিচের বাকি লেখা এইবার উপরের দুই “ফাস্ট বেঞ্চার ট্যালেন্ট” কমেন্ট্যালার জন্য।
আপনেরা দুইজন জয়ারে থুইয়া আমার দিকে আহেন। আপনেরা দোনোগা মিলি যখন অ্যাঁর লেখারে অন্যের তুন কপি করা কই এইচ্চা কমেন্ট করেন আল্লার কিরা লাগে অ্যাঁর এক্কানাও খারাফ লাগে না। কিল্লাই, কইতারবেন নি?
Coz আমার ফিলিংস ও তখন ঐ জয়ার মত “নিজের কাজের প্রতি সত্যি খুব স্যাটিস্ফাইড হয়েছি” মনেহয় কারন তোমগো বিশ্বাসই হয় নাই যে এডি আমার লেখা হইতে পারে, মনেহইছে এডি অন্য কারো কাছ থেকে ধার করে আনা!!!!!!!!!!
থাকতে তো চাই আমজনতা মগর এডি হুনলে নিজের মনে হয় “কিছু একটা” —
feeling আমারে টাইন্না নামা, ইন্ডাইরেক্ট প্রশংসায় পা তো মাডিত পড়তো চায়নারে মনা.
(জৈনিক মানব কইলে মোর বলে ইগো বেশি!!! ব্যাডা মোরে গাঙ্গের জলে ভাইস্যা আওয়া ছ্যাম্রা পাইছাও যে কোন কিছু কম হইবে? ভালা কিছু মোর ধারে না থাকলেও খারাপ জিনিসের অভাব নাই। ওয় ইগোর দেখছেডা কি?
তাইনেরে আরো হাই লেভেলের ইগো দেখানোর জন্য এই পোস্টের উৎপত্তি। So ঐ ‘জৈনিক’ ছাড়া আপামোর জনগণ এই বস্তা পচা কিচ্ছা না পড়লেও চলবে।)
---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
১. “কিরে সুসাইন্না ফেসবুকে তো দেখি প্রতিদিন ভালই মাইনষের লেখা কপি মারছ, এমনে আর কয় দিন?”
২. “ফেসবুকে তুই বিখ্যাত হবি বিভিন্ন পেজ এর পোষ্ট কপিবাজ হিসাবে”
আমার ফেসবুক স্টাটাস দেখে উপরের দুইটা কমেন্টই আমার স্কুল লাইফের দুই “ফাস্ট বেঞ্চার ট্যালেন্ট” স্টুডেন্টের করা। স্কুলে আমি যদিও বসতাম মাঝামাঝি সারিতে কিন্তু আমার ব্রেনতো লাস্ট সারির স্টুডেন্টদের মতই। স্কুল থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত পরীক্ষার খাতায় পাঠ্য বইয়ের ৫% ও লিখতাম কিনা সন্দেহ। যা লিখতাম তাকে হিন্দিতে এক কথায় বলে “বাকোয়াজ”। কিন্তু এরপরো স্যার মিডামেরা কি বুইজ্ঝা নম্বর দিত আল্লাহ মালুম।
তাদেরও বা কি দোষ, লাস্ট বেঞ্চের পোলাপাইনের মাথা থেকে যে পাঠ্যবইয়ের বাইরের বস্তাপচা কিচ্ছা বাহির হবে এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু এই বস্তাপচা কিচ্ছাও মাঝেমধ্যে ফেসবুকের মত আজাইরা জায়গায় কাজে আসবে তাতো স্কুলে পড়ার সময় কেউ জানতাম না
মুরগীর খামারের আবর্জনা যে মাছের খামারের পুস্টিকর খাদ্য তা হাতে কলমে টের পাইলাম ফেসবুক চালু হবার পর। ফেসবুকে আমি যা লিখি পরীক্ষার খাতায়ও আমি প্রায় এই টাইপের লেখা লিখতাম (believe it or not).
একবার সেকেন্ড না থর্ড ইয়ারে স্যার ম্যাথ/পরিসংখ্যান পরীক্ষায় লিখতে দিছিলো “ log কাকে বলে?” ( লগারিদম অংকের log)
প্রায় ২ পৃষ্টা লিখেছিলাম যার সার সংক্ষেপ এমন....
“লগ এক প্রকার ভার্চুয়াল তালা। এটা খুলে আমরা ইন্টারনেটে বিভিন্ন একাউন্টে ঢুকি আবার এটা মেরে দিয়ে বের হই। এর ফলে আমাদের একাউন্টে অন্য কেউ ঢুকতে পারে না।
এটা দুই প্রকার, লগইন আর লগ আউট। আমরা মেইলে, ফেসবুকে, টুইটারে ইউসার নেইম আর পাসয়ার্ড দিয়ে এন্টারে চাপ দিলে যা হয় তাই লগ ইন, আর এর থেকে বের হবার সময় যা করি তা লগ আউট। আর আমাদের না জানিয়ে যারা আমাদের একাউন্টে লগইন করে তাদের বাংলা ভাষায় ‘চোর’ আর ভার্চুয়াল ভাষায় ‘হ্যাকার’ বলে। লগ এর কোন জেন্ডার নাই। এটা ছেলেও না মেয়েও না। তাই বলে এটা হিজলাও না। ছেলে-মেয়ে-হিজলা-আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা সবাই লগ ইউজ করে থাকে!!!!!”
এই লেখায় স্যারে ৫ এর ভিতরে ৪ দিছিলো!!!! পরে এই খাতাটা Lata Lutfun নিয়া পুরা ক্লাসে পইড়া শুনায়া স্যারের ইজ্জত থোরা পাংচায় কইরা দিছে। এর পর থেকে ওই স্যারের পরীক্ষায় আমি যদি বই পুরাডা কপি কইরাও দেই তাইলেও আমাকে ৫ এ ২ এর বেশি দেয় না
তো যাই হোক পরীক্ষায় কোতায়া কোতায়া পাশ করলেও নম্বর বেশি একটা পাইতাম না ট্যালেন্টদের মত (মাথায় কিছু থাকলেয় না পামু)। কিন্তু ফেসবুকে মাশাল্লাহ এই “বাকওবাজ” বিদ্যার এর কারনে অনেক মানুষের সাথেই পরিচিত হবার সুযোগ হইছে। অনেকের সাথে এতো ভাল ফ্রেন্ডশীপ হইছে যা স্কুলে ১০বছরেও হয় নি.......
আহেন এইবার অন্য একটা কাহিনীতে যাই। একবার এক পত্রিকার ইন্টারভিউতে জয়া আহসানকে জিগাস করছিলো, আপনার অভিনয় নিয়ে তো অনেকেই প্রশংসা করে। নিজের প্রশংসা শুনতে আপনার কেমন লাগে?
তো তার উত্তর ছিল এমন,
‘সামনা সামনি সবাই আপনার ভালোটাও ভাল বলবে খারাপ টাও ভাল বলবে কিন্তু আসল কথা পিছে বলে যা আপনি কখনই জানতে পারবেন না। তাই সামনে যে যতই প্রশংসা করুক তা নিয়ে বেশি একটা লাফালাফির কিছু নাই। আমিও এগুলো অতো সিরিয়াসলি না নিয়ে পা মাটিতেই রাখি।
তবে একদিন এক নাটকের শুটিং এ রাস্তার ঝাড়ুদার এর অভিনয় করছিলাম, ক্যামেরা দূরে সেট করা ছিল। এক এল্ট্রা মর্ডান মেয়ের সাথে ভূলে ধাক্কা লেগে যায়, ও এমন রিএক্ট করলো মনেহয় সত্যি কোন রাস্তার ঝাড়ুদারের সাথে ধাক্কা খেয়ে তার জামা নষ্ট হয়ে গেছে। সে ঝাড়ি দিয়ে অনেক গুলা কথা শুনিয়ে চলে গেল। বুঝেই নাই যে এইটা নাটকের শুটিং।
আমি তাতে মাইন্ড করি নাই বরং নিজের কাজের প্রতি সত্যি ঐ দিন খুব স্যাটিস্ফাইড হয়েছি যে আমার অভিনয় মে বি ন্যাচারাল। পুরা চরিত্রের সাথে মিশে যেতে পেরেছি। ঐ ‘ঝাড়ি’ টাই আমার জন্য ছিলো রিয়েল প্রশংসার।’
এইবার সবাই এইখানে অফ জান, নিচের বাকি লেখা এইবার উপরের দুই “ফাস্ট বেঞ্চার ট্যালেন্ট” কমেন্ট্যালার জন্য।
আপনেরা দুইজন জয়ারে থুইয়া আমার দিকে আহেন। আপনেরা দোনোগা মিলি যখন অ্যাঁর লেখারে অন্যের তুন কপি করা কই এইচ্চা কমেন্ট করেন আল্লার কিরা লাগে অ্যাঁর এক্কানাও খারাফ লাগে না। কিল্লাই, কইতারবেন নি?
Coz আমার ফিলিংস ও তখন ঐ জয়ার মত “নিজের কাজের প্রতি সত্যি খুব স্যাটিস্ফাইড হয়েছি” মনেহয় কারন তোমগো বিশ্বাসই হয় নাই যে এডি আমার লেখা হইতে পারে, মনেহইছে এডি অন্য কারো কাছ থেকে ধার করে আনা!!!!!!!!!!
থাকতে তো চাই আমজনতা মগর এডি হুনলে নিজের মনে হয় “কিছু একটা” —
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)